somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ঈদ ফ্যাশন ২০১২ (ছবি ব্লগ) রোজাদারেরা নিজ দ্বায়িত্বে ঢুকবেন

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১২ সকাল ১১:৩৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ঈদ মানেই আনন্দ আর কেনাকাটা। ঈদের এখনও প্রায় অর্ধেক বাকি। তবে জমে উঠেছে ঈদের বাজার। আর এই কেনাকাটার ধুম শুরু হয়েছে ধনি থেকে মধ্যবিত্ত সবার মধ্যেই। বুড়ো থেকে শিশু সবার জন্যই ভাই জামা জুতো। চলুন কিছু ছবি দেখে আসি আগে। বাকি কথা পরে বলছি।











এই পোষাকগুলি তৈরি হয়েছে ভারতে। ফ্যাশনও ভারতীয়। মানে ওদের সিনেমা বা নাটকের নায়িকাদের ফ্যাশন অনুসারে।

চলুন দেখি দেশে তৈরি কিছু পোষাকের ছবি











ভারতীয় কাপড়গুলি জমকালো, দৃস্টিনন্দন। কিন্ত বিপরীতে আমাদের দেশীয় ডিজাইনগুলি কি একেবারে ফেলে দেবার মত?

আমার ধারণা আমরা রীতিমত পাল্লা দিতে পারি ওদের সাথে। প্রয়োজন আমাদের দেশপ্রেমকে আরো একটু বাড়ানো। মানে সব কিছুতে দেশীয় পণ্যকে অগ্রাধিকার দেয়া আর কি !

তাছাড়া হুজুগের বসে আপনি বা আপনার পরিবারের সদস্যরা ইন্ডিয়ান জামা জামা করে যে পাগল হন, সেই ইন্ডিয়ান পণ্য দেশে আনতে যে মুল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হয়, সেটা কি জানেন?

আর এই বৈদেশিক মুদ্রা আসে, দিন রাত পরিশ্রম করা শরীরকে মেশিন বানিয়ে জীবনকে মুল্যহীন করা, আমাদের গার্মেন্টসের বোনদের কাছ থেকে।

জীবনকে তুচ্ছ জ্ঞান করে, প্রয়োজনে সর্বস্ব বিক্রি করে বিদেশ যাওয়া, নিজের শখ আহলাদকে তুচ্ছ করে ভিন দেশে ভিন পরিবেশে, চিরচেনা পরম আত্মিয়দের কাছে থেকে বহু দূরে থাকা, প্রবাসিদের কায়িক পরিশ্রমের ফসল হিসাবে।

সব আমদানিই যে সোজা পথে হয়ে থাকে, বিশেষ করে ভারতের সাথে সেটা কিন্ত না। বেশির ভাগ আমদানি হয় হুন্ডির মাধ্যমে। অর্থাৎ আমাদের দেশের মুল্যবাদ বৈদেশিক মুদ্রা ভারতে পাচার হয়ে যায়।

এ সবই হয় আমাদের অর্থহীন শখের কারণে।

আমরা যদি দেশীয় পণ্যে অভ্যস্থ হই, তাহলে একদিকে আমরা আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় ঘটাতে পারবো, অন্যদিকে হুন্ডি নামের মুদ্রা পাচার থেকে দেশকেও বাচাতে পারবো।

সর্বপরি, আমাদের দেশী শিল্প চাঙ্গা হলে, অনেক চাকুরির সংস্থান যেমন হবে, তেমনি অর্থনীতিতে এক বিরাট ভুমিকা রাখবে।

আপনার কষ্টার্জিত উপার্যন আপনি নিজের খুশি মত ব্যয় করবেন, এখানে কারো বলারও কিছু নেই, আপত্তিরও কিছু নেই।

আমি শ্রেফ বাংলাদেশের এক নগণ্য সন্তান হিসাবে দেশের স্বার্থের কথাটা বলেছি। মানুন না মানুন, সেটা আপনার বিবেকের কাছে।
৩৬টি মন্তব্য ৩৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অভিনব প্রতারনা - ডিজিটাল প্রতারক

লিখেছেন শোভন শামস, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:১৮



একটি সাম্প্রতিক সত্য ঘটনা।
মোবাইল ফোনে কল আসল, একটা গোয়েন্দা সংস্থার ছবি এবং পদবী সহ। এই নাম্বার সেভ করা না, আননোন নাম্বার। ফোন ধরলাম। বলল আপনার এই নাম্বার ব্যবহার করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আগে নিজেকে বদলে দিন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৪১



"আমার স্বামী সংসারের কুটোটাও নাড়ান না। যেখানকার জিনিস সেখানে রাখেন না। মুজা খুলে ছুঁড়ে যেখানে সেখানে ফেলে দেন। নিজেকে পরিষ্কার রাখতে বারবার ভুল করেন! এতো বছর বিবাহিত জীবন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প

লিখেছেন রাজীব নুর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৪:২৪



একসময় আমাদের গ্রামটা খাটি গ্রাম ছিলো।
একদম আসল গ্রাম। খাল-বিল ছিলো, প্রায় সব বাড়িতেই পুকুর ছিলো, গোয়াল ঘর ছিলো, পুরো বাড়ির চারপাশ জুড়ে অনেক গাছপালা ছিলো। বারো মাস... ...বাকিটুকু পড়ুন

×