একদম ভুলে বসে আছি।ইচ্ছে করেই মনে করি না।ছেলেবেলার স্মৃতি আমাকে স্মৃতি কাতর করে।খুব স্মৃতি-বহ না হলেও সেই দিন গুলি আর পাব না বলে কষ্ট হয়।প্রতিটা দিন জীবন থেকে এক এক করে সরে যাচ্ছে। ছোট হয়ে আসছে সময়।মায়ের আদর, বকুনি, ভালবাসা,ছোট ছোট ভুল, আমায় সৃতি কাতর করে।যতটা পারি ভুলে থাকার চেষ্টা করি।ভুল গুলো মনে হলে শরীর এখনো উষ্ণ হয়ে ওঠে।তখন টু থ্রিতে পরি হয়তো।দোতালা ঘরে এক কোনে পুরনো বই পাই।মাঝে মাঝে গিয়ে পরতাম লুকিয়ে।কিন্তু একটা শব্দ খুব খটকা লেগে গেল।বিকেল বেলা দাওয়ায় মা, কাজিনরা আড্ডা দিচ্ছে।তাদের মাঝে বসেই মাকে জিজ্ঞাসা করলাম শব্দটার মানে কি? সবার হই হই করে হাসিতে ফেটে পরা দেখে বুঝতে পারলাম এটা আমার বয়সের কোন শব্দ নয়।কিন্তু সে দিনের লজ্জা এবং বোকামি মনে পরলে আজো শিহরিত হই।
বছর খানিক আগে বাবা বাড়ি ফিরে একদিন হুজুরের মাদ্রাসায় খৈ, মুরি আর বাতাসা বিলিয়ে আমার হাতেখড়ি দেয়।যদিও এর কয়েক দিন আগেই আমি মাদ্রাসার নিয়মিত ছাত্র।বাবা বরাবরের মত ব্যতিক্রমী কায়দায় হাতেখড়ি দিলো।যেদিন মাদ্রাসায় আমার প্রথম আগমন হয় সে দিনই ছিল আমার বয়সী আর এক জনের হাতে খড়ি।সবার বইয়ের উপর ছোট পেয়ালার এক পেয়ালা করে বাতাসা মুড়ি দিয়ে গিয়েছিল।কিন্তু বাবা ঢাকা থেকে ছোট ছোট মুখ আটকিয়ে রাখা যায় এমন পলি ব্যাগে মুড়ি, খৈ এবং বাতাসা ভরে আটকে দিল।আর সবাইকে তার এক একটি প্যাকেট ধরিয়ে দিয়েছিল।
সেদিন আমি একটিও নেই নি।দুই বস্তা ভর্তি ।এতো গুলো এখানে লাগবে না।ভেবেছিলাম সে গুলো তো আমারই।গিয়েই খেতে পারবো।কিন্তু বাবা হতাশ করে নিয়ে গেলো পাশের প্রাইমারি স্কুলে(।আজ তা হলে আমার ছুটি)।যেখানে বড় ভাই অয়ন পরে।মাও সেখানে এসেছে।অফিস থেকে ছুটি নিয়ে রেখেছে আগে ।সেখানেও বিলানো হয় মুড়ি,বাতাসা।বড় ভাই একাই দখল করলো কয়েকটা।প্যাকেট পেয়েছে পাগলা কানাইও।
সবার হাতে প্যাকেট।নিজের হাত খালি।আফসোস হল, নিজের হাতেও একটা প্যাকেট থাকা চাই।মাকে গিয়ে বললাম।মা বলল বাবাকে ।বাবা বলল, আর বাকি নেই।যে একটা অবশিষ্ট ছিল সেটা পাগলা কাউকে দেয়া হয়েছে।দেখ না ও কত অসহায়।ঠিক ভাবে খেতে পায় না।বাড়ি নেই।ঘর নেই।খুব কষ্টে সেদিন পাগলা কানাইকে ছাড় দিয়েছিলাম।
সেবার বাবা ফিরে যাওয়ার সময় বড় ভাইকে ঢাকা নিয়ে যাবে ভাল স্কুলে ভর্তি করাতে।আমি বরাবর অবুঝ।রবীন্দ্রনাথের ছুটির দিনে তখনো পড়ার বয়স হয়নি।ভাইয়ের ব্যাপারে কখন কি কথা হচ্ছে আমি জানি না।হঠাৎ শোনা সে চলে যাচ্ছে।ভালই হল।এবার পুরো বাড়ি আমার।ভাই শুধু মারে।চলে গেলে একটা আপদ যায়।তবুও বাবার কাছে জানতে চাইলাম ভাইয়া চলে যাচ্ছে কেন? বাবা ভেবেছিল আমি কষ্ট পাবো তাই দোষ আমাদের উপর চাপিয়ে বলল, তোরা খুব মারামারি করিস।তাই ওকে নিয়ে যাচ্ছি।কিন্তু একবারও বলল না ভাল স্কুলে ভর্তি করাতে নিয়ে যাচ্ছে।
অতি চালাক ভাই বরাবর মায়ের সুযোগ নিত।বেরাতে যাওয়া, খেলতে যাওয়া, এ বাড়ি ওবাড়ি, পাড়া বেরানো অনায়াসে সে করতে পারতো।যত বাধা আমার ক্ষেত্রে।কারণ সে সময় আমি কি কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকতাম আজো জানিনা।মজাটা লুটে নেয়ার পর টের পেতাম ওতো জগাইয়ের দোকান থেকে বিস্কুট এনে খেয়েছে।আমি কোথায় ছিলাম এতক্ষণ? ঢাকা চলে গেলে কেমন ফাকা ফাকা লাগতো।
একবার মনে আছে দোতালা ঘরের নিচতলায় ঘুমিয়ে আছি।যখন ঘুম ভাঙ্গে তখন টের পাই আমি একা নিচে শুয়ে।এদিক সেদিক মোরমুরি করতেই মা এবং ভাই এসে হাজির।ভাই মায়ের কোলে।ঈর্ষা হল।বললাম, আমি এখানে একা? তোমার কোলে উঠবো।
মা বলল ,হু।একা।
কিছু বললাম না।মা ই বলল আমি তো তোর মা না? অয়নের মা।কোলে নিবো না।
জানতাম মা মজা করছে তবু সেই বয়সে দ্বিধায় পরে যাই, তারপর টের পেলাম পাশে থাকা বালিশটা ভিজে যাচ্ছে।মা মা না বলেছে বলে নয়।ঘুম থেকে ওঠার আগেই ভাই মায়ের সাথে কত জায়গায় ঘুরে এলো, কত মজা করল আর আমাকে একটুও ডাকল না। আর মাকে ম্যানেজ করে আমাকে নিয়ে এভাবে তামাসা করলো।তামাসা নাও তো হতে পারে!যদি আসলেই সে আমার মা না হয় তবে কে আসল মা?
এক বছরে ভাই একবার ছুটিতে এসে বাড়ি থেকে গেছে।শুদ্ধ ভাষায় কথা বলে।সবাই দেখতে আসে।আদর করে বেড়াতে নিয়ে যায়।আর আমি তার গা ঘেঁসে থাকার চেষ্টা করতাম।যখন কথা বলতো মুখের দিকে হা করে তাকিয়ে থাকতাম। ভাই এতে বিরক্ত হয়।
যত নতুন কিছু আছে সে তার করা চাই।ছেলে বেলা থেকে সংকীর্ণমনা মানুষ আমি।আনন্দ, ফুর্তি করতে সে থেকেই ভয় লাগে।ভাই বাজারে যায়।দূরে হাটের ওখানে যে হাই স্কুলটা আছে, যেখানে ভাই প্রাইমারির ছাত্র হয়েও কয়েকটা ক্লাস করেছিল সেখানে যায়।আর আমি সাথে যেতে চাইলে যত বিপত্তি।কিন্তু বরাবরে ত্যাড়াও আমি। বাধা দিলে ওটা করতে জেদ কাজ করতো।
একবার অন্য একটা গায়ের হাটে মামা ভাইকে নিয়ে যাবে।ভাই শোনা মাত্র একপায়ে রাজি।মা অফিসে যাওয়ার সময় মামাকে বাজার করতে বলে গেছে।মামা এবং ভাইয়ের বয়েস পার্থক্য বেশি নয়।তারা গেলে আমি একা কি করবো? ওখানে তারা মজা করবে।তা ছাড়া মামা আসার পর থেকে সারা দিন ভাইয়ে সাথে গল্প করে ,খেলে, এখানে সেখানে যায়।আমাকে নিয়ে যায় না। মাথায় ভূত এবং খামখেয়ালী চাপে ।আমিও যাবো।কিন্তু তারা নিবে না।
শেষ অব্ধি সাত পাঁচ বার মার এবং দৌড়ানী খেয়ে পৌঁছে ছিলাম।তারা বেশ সামনে যেত আর আমি পিছনে।যখন কাছাকাছি আসি তখনি একটা দৌড়নী।ধরতে পারলে মার আর না ধরতে পারলে বেঁচে যেতাম।ফেরার পথে পা ব্যথা হয়ে যায় ।আফসোস করি না এলেই পারতাম।তাদের বলি কোলে তুলে নিতে।কিন্তু কেউ কোলে তুলল না।
এটা আর দশটা মাদ্রাসার মত নয়।একজন হুজুর মত মানুষ এটা চালান।যাকে আমার বয়সী সবাই প্রচণ্ড ভয় পায়।মূলত কায়দা শিখতে আসে বড়রা।এর মাঝে আমাদের মত শিশুরা বানান, চক সিলেট দিয়ে আদর্শ লিপির অক্ষর অনুকরণ ছিল নিয়মিত ব্যাপার।ভাইও এক সময় এখানে লিখতে শিখেছিল।
আমার এখন যেমন কড়াকড়ি ভাইয়ের ক্ষেত্রে হুজুর বেশ শিথিল।বাড়িতে আসার পর পর মা ভাইকে কায়দা পরাতে হুজুরের কাছে দিয়ে আসে।ভাই ইচ্ছে করলেই ছুটি নিয়ে নেয়।পাশে যে পুলটার কাজ হচ্ছে তা গিয়ে দেখে,সেখানে আড্ডা দেয়।আমি পারি না।ছোট থেকেই পড়াশুনা আমার কাছে বিষের মত , জঞ্জাল।ছুটি পেলেই বাঁচি।ভাই যখন ছুটি নিতে যেতো তখন ইশারায় নিয়ে জাওয়ার জন্য বলতাম।প্রথম দু দিন নিয়ে ছিল।এরপর আর নেয় না।
সারা দিনে পড়াশুনার কি আতরাতাম নিজেও জানি না।হুজুর সিনিয়র স্টুডেন্টদের নিয়ে ব্যস্ত থাকতেন।তাই ফাকি দেয়ার বিশাল সুযোগ ছিল।কয়েক দিনেই জেনে গিয়েছিলাম তাড়াতাড়ি লেখা শেষ করলেই ছুটি নয়।আরও পরা চাপায়।তাই বাড়তি পড়ার বদলে এক সাথে কখন সবার ছুটি হবে সে অপেক্ষাতেই থাকতাম।হুজুরকে এতো বেশি ভয় পেতাম যে নড়াচড়া করতেও আগে দেখে নিতাম সে কি করছে।তবু পাশের স্কুলে কনস্ট্রাশনের কাজ দেখতে ইচ্ছে করতো।ধুম ধুম করে ইট ভাঙ্গত, রাজ মিস্ত্রিরা কাজ করতো।যা দেখার প্রবল ইচ্ছায় মাঝে মাঝে চোখ যেতো সেদিকে।কিন্তু মাঝে দু দুটো বড় মুদি দোকান আড়াল করে রাখতো সব।আর হুজুর টের পেলেই প্লাস্টিকের বেত দিয়ে ঘুমধাম।
ভাই চলে যাওয়ায় পুরো বাড়ি খালি।মা চলে যেত অফিসে।চাঁচত মামার সাথে খেলা আর খুনসুটি করে দিন কেটে যেতো।হাসি, তামাশা, কৌতুক বা গল্প বলার মানুষ নেই।যা একটু কথা হত কাজের মেয়েটার সাথে।দেখভাল করার দায়িত্ব তার এবং বুড়ো দাদির।এক সন্ধ্যায় মা অফিস থেকে ফিরে বলে বিনোদ-পুর যেতে হবে।সেখানে ট্রেনিং পরেছে।আর বলল সেখানে তোর খালা বাড়ি।তোর একটা খালাতো বোন আছে।নাম দিপু।খুব লক্ষি।ওনেক দিন দেখি না।দেখিশ পুরো বাড়ি কি করে মাতিয়ে রাখে।
আমার আবার খালা! কখন শোনাই হয় নি।যা একটু বড় মামার গল্প শুনেছি।খালা আবার কি? খালা হোক আর যাই হোক সেখানে গেলে কয়েক দিন হুজুরের কাছে যেতে হবে না।
হাটা, রিক্সা, লঞ্চ , কত ঘণ্টার জার্নি মনে নেই।কারণ লঞ্চে বসে থেকে বিরক্তি ধরে গিয়ে ছিল।একসময় ঘুমিয়ে যাই মায়ের কোলে।ভাই চলে যাওয়ার মায়ের বুক ফাকা।সেটা আমি দখল করে নেই ।যখন ঘুম ভাঙ্গে তখন আজব এক জায়গায় উপস্থিত।বিজলী বাতি জ্বলছে।পাশের সবাই অপরিচিত।এক মুখ দেখে লজ্জায় আবার ঘুমিয়ে গেলাম।খেয়ে ছিলাম কিনা মনে নেই।মাঝ রাতে ডাকাডাকির শব্দে ঘুম ভাঙ্গে।এই দিনে বাবা এবং ভাই এখানে চলে আসবে কেউ ভাবতে পারে নি।বাবা চিঠি দিয়েছিল কিন্তু সেটা এখন পৌছায় নি।
বাড়িতে গিয়ে দেখে মা নেই।সাথে সাথেই ভাইকে নিয়ে রওয়ানা হয় এই পথে।কিন্তু সে ঘুম ভাঙ্গার স্থায়ী কাল ছিল মাত্র কয়েক মিনিট।কয়েক দিন কেটে গেলো ঘোরের মধ্য।
ফিরে আসার দিন বাবা খালার বড় মেয়ে দিপু আপাকে সাথে নিয়ে আসতে চায়।সামান্য বাধা দিলেও বাবা এবং মায়ের চাপে রাখতে পারি নি।বাবা বলেছিল , বাড়িতে কেউ থাকে না।আপনার বোন একা থাকে।ও গেলে সময় কাটানোর একটা মানুষ পাবে।তার উপর ওখানের স্কুলে ভর্তি করিয়ে দেবো।
বাড়িতে পৌঁছে দুদিন থেকে বাবা, ভাই ফিরে যায় আগের গন্তব্য।আবার একা।তবে এই মায়াময় বোনটা আছে।পুরো বাড়ির প্রিয় মানুষ হয়ে যান কয়েক দিনেই।কার কখন কি লাগবে, কারো কোন অসুবিধা হচ্ছে কিনা, রান্না করা, পাশের ঘরের কারো কাঁথা সেলাইয়ে সাহায্য করা ছিল নিয়মিত কাজ।সুন্দর কাঁথা সেলাইয়ের পারদর্শিতা ছিল অগাধ।চাঁচত বোনেরা প্রায় হিংসেই করতো।
মাস খানিক থাকার পরই বোনকে নিয়ে নানা কথা রটা শুরু হয়ে যায়।চাচা অভিযোগ করে বলে তার ছেলের জন্যই মা তার বোনের মেয়েকে এনে রেখেছে।না হলে এতো বড় মেয়ে দিনকে দিন এখানে পরে থাকবে কেন? তার বাবা মা কি কেউ নেই?নাকি তারা এতোই গরিব যে মেয়ের খাবার দিতে পারে না তাই খালার কাছে পাঠিয়ে দিয়েছে? এমন হিংসুটে মানুষ থাকলে সেখানে কেউ নিরাপদ নয়।তার উপর চাঁচত ভাইয়ে স্বভাব বরাবর বাজে।কিসে কি হয় কে জানে।তাই মা খালুর কাছে চিঠি লিখে দেয় নিয়ে যাওয়ার জন্য।
এই একটা মানুষই আমাকে বেশি সময় দিয়েছে।দাদি দিয়েছে তবে সে বুড়ো।পুরোপুরি নয়।তিন বেলা রান্না করলেই একটা পাঁচ সাত বছরের ছেলের দেখভাল হয় না।মা সারা দিন অফিসের কাজে টই টই করে ঘুরে বেড়ায়।ফিরে এসে ক্লান্ত।কাছে এসে বসতো না।আপাই অনেক বেশি আদর দেয়।আজ ভাবি সেদিনও আমি এমন ছিলাম।এতো মায়া,ভালবাসা দেয়া মানুষটার জন্য আমার কোন কষ্ট নেই, ভাবনা নেi।শুধু ভাবি কত অপমানে কষ্ট পেয়েএ বাড়ি থেকে চলে যাচ্ছেশ।কিন্তু আমাকে যে আদর দিল, ভালবাসা দিলো,যত্ন করলো তার কোন উপলব্ধি নেই।স্বাভাবিক যেন এসেছিল তেমনি চলে যাচ্ছে।
সকালেই চলে আসি মাদ্রাসায়।মাথায় নেই আজ আপা চলে যাবে।মাদ্রাসার পরিবেশ ধীরে ধীরে কেমন যেন হতে থাকে। গ্রামের সিনিয়রআপুরা কি কি যেন বলাবলি করছে।তখন বুঝলাম দিপু আপার চলে যাওয়া নিয়েই তাদের আলোচনা।চলে যে যাওয়ার সে তো যাবেই, এতে উৎকণ্ঠিত হওয়ার কি আছে? মাদ্রাসার সামনে দিয়েই রাস্তা, সেখান থেকে যেতে হয়।গ্রামের প্রায় বিশ ত্রিশ-জন চলে এসেছে আপুকে এগিয়ে দিতে।পুল পর্যন্ত তারা এগবে।সবাই থেমে গেলো মাদ্রাসার সামনে দোকান আড়াল করে।সেখানে থেকে বেড়িয়ে আপু আমার কাছে এসে আদর করে দিল।এতো মানুষের মধ্য লাগলো কেমন যেন ইতস্তত লাগলো।পাশে থাকা সুজন বলল তোর আপা যাচ্ছে।
জানি।
বাড়িতে চলে যাচ্ছে।
জানিতো ।
এতদিন তোদের বাড়িতে ছিল একটু এগিয়ে দিতে যাবি না? তোর কষ্ট হচ্ছে না?
না।লাভ কি?
তারা পুল পার হয়ে ওপারে চলে গেছে।গ্রামের সবাই এপারে দাঁড়িয়ে আছে চোখ মেলে।কেউ কেউ বিদায় জানিয়ে দিচ্ছে হাত নেড়ে।সুজন আমার চোখের দিকে তাকিয়ে বলল, কিরে তোর চোখে পানি কেন?
কই ,নাতো।চোখে কি জেন গেল।ময়লা হবে হয়তো।না হলে চোখে কোন অসুখ ধরেছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

