যখন তোর ডাক এলো,
তখন তুই ছুটছিস।
তুই ছুটছিস পাহার পর্বত মাড়িয়ে,
চৌরাস্তা ছেরে বহু দূরে।
ভেঙ্গে চুরে দিয়ে উঁচু নিচু বিল্ডিং গুলো ।
তুই ছুটছিস দুরন্ত গতিতে।
পেছনে তোর নজর নেই।
মায়ের আকুতি, বোনের আহাজারি।
বাবার কান্না, শোনার সময় নেই ।
বাবার পীঠে চড়ে,
ঘোড়া ঘোড়া খেলা আর হবে না।
ছুটছিস তোর ছেলে বেলা ফেলে।
ছুটছিস পাটি-পাতা গেরে,
অক্ষর শেখার দিন।
চক মেখে বক সেজে ফিরতি,
ছুটির ঘণ্টা বাজলে।
ছুটছিস ভালবাসা ফেলে।
যে তোর ভয়ানক সময়।
প্রবল আকুতিতে ছুট দিত তোর দিকে।
বুকে টেনে নিয়ে আদরে হাত বুলিয়ে দিত।
মুচকি হাসিতে ভুলিয়ে দিত ,
সারা দিনের ক্লান্তি।
তাকে ফেলে ছুটছিস।
ঝরা পাতা গুনে ঘুণে,
পথ চলার দিন শেষ হবে।
অন্ধকার দেখে আর ভয় নেই।
জাগতিক চাহিদা পরে রবে ,
হাত গুটিয়ে।
অসময় নিয়ে ভাবান্তর ,
আর হবে না সে দিনের মত।
মান অভিমান, ভালোলাগা গান।
ফেলে ছুটছিস।
তোর মনে যে কষ্ট দিয়ে ছিল,
তা ভুলে ছুটছিস
ভুলে ছুটছিস বেইমান গুলোকে।
ছুটছিস পৃথিবীর মায়া ছেরে।
তোর সাজানো বাগান, খেলার মাঠ
আঁকাবাঁকা নদী, মেঠো পথ,
সবুজ ধান ক্ষেত,
আর বিকেল বেলা,
ফেলে ছুটছিস।
এতো দিন যা ছিল একান্ত তোর,
সযত্নে রেখে দিতি আপন করে।
কখন লুকিয়ে, কখন সাজিয়ে,
কখন নিজের সাথে।
যা তুই কাউকে ছুতে দিতি না।
তা ফেলে ছুটছিস
ইচ্ছে হলেই এতো দিন,
ক্লান্তি নিয়ে ঘুমিয়ে যেতিস।
ইচ্ছে হলেই ওবাড়ি যেতিস না।
জীবন ছিল স্বাধীন।
ফেরা বা না ফেরার ইচ্ছে ছিল ,
নিজের অধীন।
তা ফেলে ছুটছিস।
সে তোকে ডাকছে ,ফেরার পথ নেই।
না বলা কথা গুলো ,
তোর ভিতরেই রয়ে গেলো।
কেউ জানলো না,কেউ জানবে না।
কয়েক মুহূর্তের কান্না,
তারপর সব মিলে যাবে।
কেউ মনে রাখবে না তোকে।
আমার কাছে সত্য একটাই।তিনটা বিশ্বাস করিনা।জন্ম নয়, বিয়ে নয়।শুধু মৃত্যু।কেন---------?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

