somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

টাকা আর টাকা, বুক করে খা খা!!!৯০০ কোটি!!!

২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মেজাজ চরমে।সরকার তেলের দাম আর এক দফা বাড়ালও।সাধারণ মানুষ এখন দ্রব্য মূল্যের অসহনীয় যন্ত্রণায় দুর্বিষহ অবস্থা।পারছে না চাপ কুলতে।দ্রব্য মূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যর্থ তা সরকার নিজেও জানে।সরকারের ব্যক্তিরা যতই দুর্নীতি করুক না কেন তারা চায় দেশের মানুষ (এমনি এমনি ভাল থাকুক)।জটিলতা সৃষ্টি করে জনজীবন দুর্বিষহ করার ইচ্ছা আমার মনে হয় নেই।যদি ইচ্ছেই না থাকবে তবে কেন তেলের দাম বাড়ালও?
তারা কি জানে না শুধু মাত্র তেলের উপর চরম ভর্তুকি দিলে অন্যান্য সেক্টরে ভর্তুকি দেয়ার প্রয়োজন নেই।
আমি মনে করি জিনিসপত্রের দাম বাড়ার পেছনে বড় অন্তরায় তেলের দাম বৃদ্ধি।একটু খোলা চোখে দেখলে বোঝা যাবে।যে টমেটো কৃষক ১০টাকা কেজি দরে বিক্রি করছে তা ঢাকা এসে হচ্ছে ৪০ টাকা।কারণ পরিবহনে প্রচুর টাকা ব্যয় হয়ে যায়।(হাতবদল, চাঁদাবাজি, অধিক মুনফা সমস্যা বটে)।আবার কৃষকের উৎপাদন খরচও বেড়ে যায় ডিজেল চালিত প্রযুক্তি ব্যবহারে। ওদিকে মধ্য সত্য ভুগিদের(যারা কাঁচামালের ব্যবসা করে) নানা ভাবে যাতায়াত খরচ বেড়ে যায়।তবু দাম বাড়ালও!!!(এক চোট গালি দিয়ে দিলাম সরকারকে)

অর্থনীতির ছাত্র নই। অর্থনীতির এতসব মারপ্যচ বুঝি না।সেদিন সকালে প্রথম আলোর হেডিং দেখে কিছুটা নমনীয়। বিস্তারিত পড়লাম।মনে হল আইএমএফের চাপছিল বেশ আগে থেকে তাই প্রধানমন্ত্রী আইএমএফের সম্মেলনে যাওয়ার আগে আর এক দফা দাম বাড়িয়ে তাদের কিছু একটা আশ্বস্ত করতে চাইছেন।
তাহলে তেলই সব!!নেতাদের তেল দিলেও ভাল কিছু পাওয়া যায়!!! অন্তত চাকরি!!!!সাথে ট্যাকা!!!
আইএমফের চাপ বরাবর থাকবে।সরকার চাইলেও প্রচুর ভর্তুকি দিয়ে তেলের দাম নমনীয় পর্যায় রাখতে পারবে না এইএমএফের বিধিনিষেধের ফলে।অন্যদিকে পার্শ্ববর্তী দেশের তুলনায় দাম আকাশ পাতাল হয়ে পাচার হওয়া বাঞ্ছনীয়।তাহলে কি কিছুই করার নেই, মরার উপর বার বার ঘা বয়েই যাবে?

অনেক ভেবে কিছু উপায় বের হল!আর তা তেলের ব্যবহার কমিয়ে আনতে হবে।কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে তাহলে কি তেলের ব্যবহার কমিয়ে দিয়ে রাতে পিদিম বন্ধ করে অন্ধকারে লুকোচুরি খেলতে হবে!!!তেল খাওয়া কমিয়ে দিতে হবে!!!!
অবশ্যই না।শুধু অভ্যাস পরিবর্তন।স্বাধীনতা লাভের পর পৃথিবীর বহু দেশ দ্রুত অগ্রগতির জন্য আপদ কালীন বহু সিদ্ধান্ত নিয়েছে।যেমন চীন বর্তমানে জনসংখ্যার উপর নিয়েছে।
আপত-দৃষ্টিতে আমার এটা হাস্যকর মনে হলেও সঠিক ভাবে খেয়াল করলে ৯০০ কোটি টাকা সরকার তেলের উপর থেকে চাপ কমিয়ে আনতে পারে।

দেখুন----
দেশের এক লাখের উপর হোটেল আছে।(খাবার হোটেল অন্য হোটেল না!!!)

প্রতিদিন সকালে সে সব হোটেলে পরটা ভাজতে গড়ে তিন লিটার করে কেরোসিন পোড়ায় (কিন্তু আরো বেশি যায়)।দৈনিক মোট দাঁড়াচ্ছে ৩ লাখ লিটার ,আর বছর শেষে ১০ কোটি ৮০ লাখ।৫১ টাকা করে দাম দাঁড়ায় ৫৫০ কোটি ৮০ লাখ।আর সরকার ৪৫টাকা করে কিনলেও তার খরচ ৪৮৬ কোটি।
আবার প্রতিদিন পরটায় প্রায় ১ লিটার ভোজ্য তেলও প্রয়োজন।বছর শেষে ১০০টাকা দরে যার মূল্য ৩৬০ কোটি টাকা।
মোট ৯০০ কোটি(কিছু ছেরে দিলাম)

আবার পরটা জানা মতে স্বাস্থ্যের জন্য ভালও নয়।
তবে কি সকালের খাওয়া বন্ধ?
না।পরটার বদলে কয়লায় ব্যবহার করে তাওয়ায় সেকা রুটি।যা স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী।আর কয়লা দেশের নিজস্ব সম্পদ।এর বহুবিদ ব্যবহার যত বাড়ানো যাবে ততই দেশের মঙ্গল।ওদিকে সরকারের প্রতিবছর ৯০০ কোটি টাকার চাপ কমবে।কমবে আমাদের উপরও।শুধু একটু অভ্যাস পরিবর্তন করেই বাচিয়ে দিতে পারি ৯০০ কোটি টাকা প্রতি বছর।যেখানে চীন তার দেশের স্বার্থে সন্তান জম্ম দানে নিয়ম করে দিতে পারে সেখানে এই ত্যাগ আমরা কেন পারবো না?

থাংকস শিশির বিন্দু।
৭টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

×