somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ব্যাংকিং/মোবাইল ব্যাংকিং/যে কোন বেআইনী ই-ট্রানজেকশন প্রতারণায় সাইবার মামলা ও শাস্তি

১৩ ই অক্টোবর, ২০২৩ রাত ৯:৪৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


ব্যাংকিং বা মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবস্থায় আইনানুগ কর্তৃত্ব বহির্ভূত ই-ট্রানজেকশনের অপরাধকে সাইবার অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
সহজ করে বললে কেউ যদি বেআইনীভাবে কিংবা ব্যাংক/বিমা বা মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করেও নিজের উপর অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহার করে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান অথবা ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে কোনো সুনির্দিষ্ট হিসাব নম্বরে অর্থ জমা প্রদান বা উত্তোলন বা উত্তোলন করিবার জন্য প্রদত্ত নির্দেশনা, আদেশ বা কর্তৃত্বপূর্ণ আইনানুগ আর্থিক লেনদেন এবং কোনো ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর করেন সেক্ষেত্রে এটি একটি সাইবার অপরাধ হিসাবে গণ্য হবেন।

এমনকি সরকার বা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক, সময় সময়, জারীকৃত কোনো ই ট্রানজেকশনকে অবৈধ ঘোষণা করা সত্ত্বেও ই-ট্রানজেকশন করেন তাহলে সেটাও অপরাধ হিসাবে গণ্য হবে।

আইনানুগ কর্তৃত্ব বহির্ভূত ই-ট্রানজেকশনের অপরাধ ও দণ্ড

যদি কোনো ব্যক্তি এমন অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২৫ (পঁচিশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। এটার জন্য কোন সাজার বিধান রাখা হয় নি।

তবে, কেউ যদি ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে হ্যাকিং করে কোন অপরাধ করেন সেটা হ্যাংকিংয়ের অপরাধ হিসাবে গণ্য হবে। সেজন্য ১৪ বছর পর্যন্ত জেল এবং ১ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমান হতে পারে। তার মানে, ব্যাংকিং/মোবাইল ব্যাংকিং/যে কোন বেআইনী ই-ট্রানজেকশন প্রতারণা এর মধ্যে একটু মৌলিক পার্থক্য রয়েছে।
ব্যাংকিং/মোবাইল ব্যাংকিং/যে কোন বেআইনী ই-ট্রানজেকশন প্রতারণার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আইনানুগ কর্তৃত্ব বহির্ভূত ই-ট্রানজেকশন কার্যক্রম করতে হবে, অন্যদিকে ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে বা সার্ভারে,নেটওয়ার্কে বৈধভাবে প্রবেশ করে কোন তথ্য চুরি,বিনাশ, বাতিল, পারিবর্তন বা ক্ষতিসাধন করলে তা হ্যাকিং হিসাবে গণ্য হবে।

-মোহাম্মদ তরিক উল্যাহ
অ্যাডভোকেট
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট
০১৭৩৩৫৯৪২৭০
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই অক্টোবর, ২০২৩ রাত ৯:৪৭
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

এরা কারা, কী এদের পরিচয়?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২১ শে জুন, ২০২৬ রাত ১:৪৮


যা আশঙ্কা করা হয়েছিল, ঠিক তাই ঘটছে। ‘আজাদ পার্টি’ নামের একটি নতুন ভূঁইফোড় রাজনৈতিক সংগঠনের ব্যানারে গতকাল ভারতীয় দূতাবাস অভিমুখে যে মিছিল এবং ঘেরাও কর্মসূচি করা হলো, তা কোনো... ...বাকিটুকু পড়ুন

কেউ পুড়বে আর কেউ পোড়াবে!

লিখেছেন রাজীব নুর, ২১ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

অনেকদিন নিশ্চুপ আছি কিছুদিনের অপেক্ষায়;
কেউ কেউ বলে কিছুদিন নাকি হারিয়ে গেছে,
অনেকদিনের গর্ভে তাই মেলাতে সরল গণিত।
কিছুদিনের অপেক্ষায় অপেক্ষায়-
ছেটে দিয়েছি কথামালার ডালপালা।
বসে বসে মেলাই কাণ্ডহীন বৃক্ষের... ...বাকিটুকু পড়ুন

৫০১ নাম্বার রুম কি বিজয় নাকি লাম্পট্যর সাক্ষী।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ২১ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:২৮





মাওলানা মামুনুল হক নামের হেফাজত ইসলামের এক নেতা তার ফেসবুক ওয়ালে দীর্ঘ একটি পোস্ট লিখেছেন। তার এই পোস্টটি এক অদ্ভুত রসাত্মক ট্র্যাজেডি।

লেখাটি পড়লে মনে হয়, তিনি... ...বাকিটুকু পড়ুন

Good governance starts with respecting public money....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২১ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৬



Good governance starts with respecting public money....

গত দুই দশক রাষ্ট্রীয় সফর মানেই ছিল বিশাল বহর, শত শত সঙ্গী, অপ্রয়োজনীয় জাঁকজমক আর জনগণের টাকায় এক শ্রেণির মানুষের বিদেশ ভ্রমণের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইসলাম প্রতিষ্ঠায় যুদ্ধের প্রয়োজন নেই, ভালোবাসাই যথেষ্ট

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২১ শে জুন, ২০২৬ রাত ১১:৪৮



চীনের লিংশান পর্বতে শুয়ে আছেন ইসলামের শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা (সাঃ)-এর দুই সাহাবী সা-কে-জু (Sa-Ke-Zu) এবং
উউ-কো-শুন (Wu-Ko-Shun)। এই নামেই তাঁদের চিনতো স্থানীয় চীনবাসীরা। অবাক হতে হয়, আরব... ...বাকিটুকু পড়ুন

×