somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা র্গদভেরা

১৬ ই জুলাই, ২০০৬ বিকাল ৫:৫০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


আমাদের এই গাঢ়ল টাইপ শিক্ষা ব্যবস্থার কি হবে?

একসময় মেধা অপচয়কারী একটা ব্যবস্থা ছিল, স্ট্যান্ড। তিন লাখ জনের মধ্যে বিশ জন খুঁজে বের করার প্রক্রিয়া। আমাদের নীতি র্নিধারকরা শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য কি সেটা মনে হয় কখনো ভেবে দেখেননি। পরীক্ষা হয় পাস করানোর জন্য, ফেল করানোর জন্য না। আমাদের পরীক্ষা গুলো হয় কয়জন ছেলেকে ফেল করানো যায় তার চেষ্টা।

ধরো এইচএসসি'র রসায়ন বইয়ের পুরোটা কি আমরা পড়ি ? পড়ি না। সো শিক্ষকরাও পড়েন না।
আমাদের বিদ্যাসাগর স্যার একটা কথা বলতেন, যদি আমারে ঐ রিপিটিটিভ কোশ্চেন এর বাইরে কিছু জিগাও আমি পারুম না।
বই পুরো পড়ানো হয় না কখনোই ।
এটা আমরা সবাই জানি । কিন্তু গত বিশ বছর যাবৎ রসায়ন বইটার সাইজ একই।
কেন ?
পড়ালেখা সীমাবদ্ধ হতে নেই, কিন্তু হতে হবে যুগোপযোগী এবং প্রয়োজনীয়তা ভিত্তিক।
সালফিউরিক এসিডের প্রস্তুত প্রনালী কে ঢাকা কলেজের সামাদ স্যার বলতেন হুমায়ুনের ছোটগল্প।
কি দরকার এই প্রনালী শেখার। জানতে হবে মূলনীতি এবং ছবি। সারা বিশ্ব জুড়ে এই পন্থাই ফলো করা হয়।
বীজগনিত আর ত্রিকোণমিতির সূত্র মুখস্থ করতে করতে পোলাপাইনের ঘামাঘামি হয়া যায়। আচ্ছা সূত্র গেলার কি দরকার আছে, নাকি তার চেয়ে বেশী সময় ব্যয় করা উচিত, এর প্রয়োগে।

এখানে এসে দেখলাম আপনি সূত্র দুই / তিন পাতা র্ভতি করে লিখে নিয়ে যেতে পারবেন পরীক্ষার হলে। অথচ এটাকে আমরা বাংলাদেশে নকলবাজি বলে হায় হায় করে উঠছি।

রাশিয়ান, আমেরিকান , ইউরোপিয়ান এরা প্রায়োগিক ব্যাপারে ভীষণ সিদ্ধহস্ত। আমাদের দেশে ছেলে -মেয়েরা সব পড়ে ফেলার পরও জানেনা
বাইনোমিয়াল ইকোয়েশন এর কাজ কি? আমি নিজেও জানতাম না। শুধু জানি অংক সমাধান করতে।

এই পুস্তকীয় সমাধানের বিদ্যা নিয়ে আমাদের কি ফালাফালি। তমুকের ছেলে অমুক প্রথম হয়েছে সে কম্পিউটার সায়েন্স পড়তে চায়।

আমাদের দেশের কৃষিবিজ্ঞান পাঠ্যবই যে লেখে, সমাজবিজ্ঞান ও সে লেখে, খালেদা জিয়ার সাক্ষাৎকারও সে লেখে। বইয়ে একটা বলদের ছবি দিয়ে বলা আছে , ইহা একটি গরু। ঐ কের্াসের প্র্যাকটিক্যাল দপ্তরীরা উৎকোচ এর বিনিময়ে করে।

নটরডেমে এসে প্র্যাকটিক্যাল হুজ্জতি দেখে প্রথম প্রথম মনে হত ভাব চোদায় শালারা। পরে দেখলাম ঐ হুজ্জতি আমার জীবনের সেরা সম্পদে পরিণত হয়েছে। রসায়ন ল্যাবে খুব কম কলেজের ছেলে মেয়েরা লবণ মিলাতে পারে। আমরা পারতাম। আমি ফাইনালে 8 মিনিটে লবন মিলায়ে ফেলেছি। পুরোটাই নটরডেমের সাফল্য। এই কলেজটা থেকে আমাদের দেশের অনেক কিছু শেখার আছে।

কিছুদিন চলল অবজেকটিভ, এরপর প্রশ্নব্যাংক , এরপর আরেকটা, খেলা চলছেই। আমাদের নীতির্গদভরা এমন ভাবে খেলে যাচ্ছেন দেখে মনে হবে, শিক্ষাব্যবস্থা জিনিসটা প্রথম আমাদের দেশে শুরু হয়েছে। ইন্ডিয়ান আইডল এর মত ক্লোজ আপ আইডল করা যায়, এর শাড়ী ওর চুড়ী, এমটিভির ফ্যাশন সব আমদানী হয় তৎক্ষণাৎ । কিন্তু যে বিষয় গুলি আনা দরকার সেগুলি আসেনা ।

এখন প্রথম, দ্্বিতীয় এসব তুলে গ্রেড করেছে। কয়দিন আগে শুনলাম এটার আবার গোলডেন, সিলভার, ব্রাস ভাগ করেছে। মানে হচ্ছে ন্যাড়া আবার বেলতলাতেই গেল।

বছর চারেক আগে দেখলাম, কলেজ গুলো র্ভতির ক্ষেত্রে তাদের রেপুটেশন এন্ড পপুলারিটি অনুযায়ী তাদের সিলেকশন ক্রাইটেরিয়া ঘোষনা করেছে। সেই ক্রাইটেরিয়া অনুযায়ী আমি কোন কলেজ দেখিনি যারা সি গ্রেড/ তৃতীয় বিভাগ নিবে (চট্টগ্রামে) । সেরকমই যদি হয় তবে, তাদেরকে পাস করানো কেন হল, তাদের ফেল করিয়ে দিলেই হত। যে যার যোগ্যতা অনুযায়ী গ্রেড পেয়েছে। এখন সে র্সবনিম্ন গ্রেড পেয়েছে বলে পড়তে পারবে না, এটা কোন ধরণের হিটলারি রসিকতা। শিক্ষার হার বাড়ানোর নামে এই সব প্ল্যাটিপাস সমস্যার সমাধান কবে হবে। আমাদের র্গদভরাগীনি কবে বন্ধ হবে।

এবার কোন কলেজে পরীক্ষা নেওয়া হবে না। আমাদের র্গদভ রা কিছু নিয়ম কানুন ঠিক করেছেন, সেই নিয়েেম সব হতে হবে। গোলডেন এ প্লাস পাওয়াদের মধ্য নাকি 836 জন, নটরডেমে
চান্স পাচ্ছে না। কারণ এরা অন্যদের চাইতে বয়সে ছোট, তাই । অথচ বয়স কম এটা হতে পারত ওদের প্লাস পয়েন্ট, ওরা কম বয়সে হয়েও যোগ্যতায় বেশী সেটা দেখিয়েছে। আমাদের ব্যাচে নটরডেমে যে প্রথম ছিল, ও অরিজিনালি এক ক্লাসে ডাবল প্রমোটেড, বসয়ে এক বছরের ছোট।

আমাদের এই র্গদভদের খুর ঠোকাঠুকি চলবেই, যতক্ষণ আমরা আমাদের শিং দিয়ে এদের না গুঁতোই।

আপনাদের কি মনে হয় , আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাটা
কেমন হওয়া উচিত।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
৩১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমার কথা : জুলাইয়ের সনদে — “হ্যাঁ” বলো।

লিখেছেন সুম১৪৩২, ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:২৭



২০০১ সালে প্রথম ভোট দিয়েছিলাম। দীর্ঘ ২৫ বছর পর আবার ভোট দিলাম। জীবনের দ্বিতীয় জাতীয় নির্বাচনে ভোট দেওয়া—
ছিল এক অদ্ভুত অনুভূতি, গর্ব আর দায়িত্বের মিশ্রণ।

আজকের আমার এই ভোট—
উৎসর্গ... ...বাকিটুকু পড়ুন

জনগণ এবার কোন দলকে ভোট দিতে পারে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৬


আজ বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন। সকাল সাতটা থেকেই মানুষ ভোট দিতে লাইনে দাঁড়িয়ে আছে। এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে বিএনপি জোট বনাম এগারো দলীয় জোট (এনসিপি ও জামায়াত)। নির্বাচনের পরপরই... ...বাকিটুকু পড়ুন

সবাই জামাতের পক্ষে জিকির ধরুন, জামাত বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে!

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:৩১



চলছে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ভোট গণনা, তুমুল লড়াই হচ্ছে জামাত ও বিএনপির মধ্যে কোথাও জামাত এগিয়ে আবার কোথাও বিএনপি এগিয়ে। কে হতে যাচ্ছে আমাদের ভবিষ্যৎ সরকার- জামাত না... ...বাকিটুকু পড়ুন

নির্বাচন তাহলে হয়েই গেল

লিখেছেন অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য , ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৪:১৬


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। ২৯৯টি আসনের মধ্যে এখন পর্যন্ত বেসরকারি ফলাফলে ১৭৫টি আসনে জয় পেয়েছে দলটির প্রার্থীরা।

অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা ৫৬টি আসনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মেটিকুলাস ডিজাইনের নির্বাচন কেমন হলো?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:২৪


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ২১৩ আসনে জয়ী হয়েছে। তবে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি ভালো ফলাফল করেছে জামায়াত ! এগারো দলীয় জোট প্রায় ৭৬ টি আসনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×