আগামী কাল 28 শে জুলাই,2006 আহমদ ছফার পঞ্চম মৃতু্য র্বাষিকী।
তারুণ্যে ''সর্ূয তুমি সাথী'' দিয়ে শুরু করে, '' ওংকারের '' মত বোবা অনুভূতি ফুটিয়েছেন কলমের ডগায়। '' বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস'' দিয়ে কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন আমাদের মুখোশ পরা সব মুক্তিযোদ্ধার ভিত্তি। র্সব সময় ,র্সব সরকারের ধাওয়া খেয়েছেন। সবার কাছে হয়ে ছেন উপেক্ষিত।
গাছবাড়িয়ার এই চাষীর ছেলের ফাউস্ট অনুবাদ মেনে নিতে পারেননি, আমাদের প্রথিত যশা সাহিত্যিক বা সাহিত্য অনুরাগী মহল, তবুও লড়ে গিয়েছেন তিনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সত্যিকারের পরিচয় তুলে ধরেছেন , অসাধারণ রুপকে '' গাভী বৃত্তান্ত''।
অসীম সাহসী, সত্য পিয়াসী এই মানুষটি সরব ছিলেন যেকোন পরিস্থিতিতে। তিনিই একমাত্র মানুষ যিনি বৈষম্য মূলক বই রপ্তানি নীতির সমালোচনায় আনন্দ প্রকাশনীর বিরুদ্ধে একাই বুকে পোস্টার সেঁটে দাঁড়িয়েছিলেন।
মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে (হুমায়ুন আহমেদ)
রাস্তায় নামানোর প্রতিবাদে বংগভবনের সামনে পেট্রোল গায়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে, দাবী আদা্য করেছেন।
অসম্ভব নিরাভরণ, প্রকৃতি প্রেমী (''পুষ্প ,বৃক্ষ ও বিহঙ্গপুরাণ'') এই মানুষটি মৃত্যুর পর মুক্তিযোদ্ধা কবরস্থানে জায়গা পাননি, শুধু মাত্র সনদ না থাকার কারণে। অসম্ভব রকম প্রথাবিরোধী, সনদ বিরোধী মানুষটি তার সবচেয়ে র্গবিত পরিচয়টি ছিনতাইকৃত হন তার মৃত্যুর পর ।
আমি আজ পাঁচ বছর আগের সেই দিনটির কথা স্মরণ করি। স্মরণ করি তাঁর যাপিত জীবনের কথা। একজন চাষার ছেলে হবার তাঁর র্গবভরা অনুভূতির কথা। জীবনকে ভীষণ প্রণোদনায় আপন করে নেয়া একজন মানুষের কথা।
ধি্বককার দিই সনদধারী কাপালিকদের,
ধি্বককার দিই কবিতা খেকো সারমেয়দের।
আমাদের সময়ের নায়কের ছটায় উদ্ভাসিত হোক সব প্রাণ।
** তাঁর মৃত্যুর পর সলিমুল্লাহ্ খান এক লেখায় বলেছিলেন (তারাকোভস্কির বই অবলম্বনে)
ছফা ভাই '' আমাদের সময়ের নায়ক '' ।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



