somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সাহাদাত উদরাজী
সাহাদাত উদরাজী'র আমন্ত্রণ! নানান বিষয়ে লিখি, নানান ব্লগে! নিজকে একজন প্রকৃত ব্লগার মনে করি! তবে রান্না ভালবাসি এবং প্রবাসে থাকার কারনে জীবনের অনেক বেশী অভিজ্ঞতা হয়েছে, যা প্রকাশ করেই ফেলি - 'গল্প ও রান্না' সাইটে! https://udrajirannaghor.wordpress.com/

করোনা ভাইরাসঃ ইন্ডিয়া থেকে সামান্য চিন্তা

১৪ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ১১:৪৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমাদের বিশ্বমন্ডলের এই অঞ্চলে আমার যতটুকু মনে হয় করোনা ভাইরাসকে সব চেয়ে ভাল বুঝতে পেরেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদীজ্বী। আমি মনে করি তিনি শুরু থেকেই জনগণের সাথে এই বিষয়ে সৎ ছিলেন।, তার বোঝার এবং ভাষণে এই বিষয় পরিষ্কার হয়েছে, বার বার হাত জোড় করে তিনি সাধারন মানুষের কাছে এর ভয়াবহতা বুঝিয়েছেন, ভাল দিক।

আর মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে দিল্লীর কেজিওয়াল বেশি বিবেকবোধের পরিচয় দিচ্ছেন, তিনি সর্বপ্রথম ডাক্তার, নার্স ও মেডিক্যাল টেকনিশিয়ানদের জন্য ভাল কথা দিয়েছেন, তাদের জন্য পাঁচ তারকা হোটেলের খাবারের ব্যবস্থা ও এক কোটি টাকা করে দেয়ার কথা বলেছেন, এটা তার বিরাট মনের পরিচয় বহন করে।

কলকাতার দিদি মমতা, তিনি এখনো শারীরিক ভাবে বেশী স্থান ভমন করে যাচ্ছেন এবং বেশি মানুষের কাছাকাছি থেকেছেন! তার সিরিয়াসনেস আমাকে অভিভুত করেছে শুরু থেকেই। আমি ইত্যমধ্যে তার প্রশংসা করে বেশ কয়েকটা স্ট্যাটাস দিয়েছি, তিনি সত্যই একজন সৎ এবং আদম্য নেতা, আমি তাকে ইন্ডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসাবে আগামীতে দেখতে চাই, যদিও এটা বেশ দুরের কথা।,

কেরেলার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই মোটামুটি ভাল অবস্থানে আছেন, তিনিও বেশ ভাল কর্মশুচি নিয়েছেন, এবং প্রতিদিন নিজের টুইটারে মৃত্যু আক্রান্তের খবরা খবর দিয়ে যাচ্ছেন। তিনি আমার চোখে একজন বুড় মানুষ, বয়স ৭৬ বছর, এই বয়সে আর কি সার্ভিস দিবেন! মাক্সবাদী, তবুও কাজ করছেন, কেরেলায় আক্রান্তের হার কিছুটা নিন্ম হলে বিপদ কাটে নাই! তিনি একটা নিজস্ব স্লোগান দিচ্ছেন, 'উই সেল ওভারকাম'। মানে এই বিপদের হাত যে কত লম্বা তা তিনি বেশ বুঝে নিয়েছেন!

ঝাড়খণ্ড কেন ইন্ডিয়ান একটা বিখ্যাত প্রদেশ তা আশা করি আপনারা সবাই জানেন। এই যে দুনিয়ার যত মেকাপ কিট হয় মানে নারীরা নিজদের সৌন্দর্য্য আরো আরো ফুটিয়ে তুলতে যে সকল মেকাপ সামগ্রীর কাঁচামাল মানে খনিজ দ্রব্য ব্যবহার করা হয়, তার অনেক খনিজ এই ঝাড়খণ্ডের খনি থেকে উঠানো হয়, মেকাপের প্রায় সব উপকরন হচ্ছে, নানাবিধ খনিজের বালি বা গুড়ো। অনেক দুষ্ট ছেলেরা এটাকে আটা ময়দা বললেও মুলত এই সব খনিজ দ্রব্য যা পিষে পাঊডার করা হয়ে থাকে! যাই হোক, ঝাড়খণ্ডের এই সব কথা বলেছি আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিতে, এই অঞ্চলের অনেক মানুষ পরিষ্কার বাংলা বুঝে এবং বলে (তবে আজকাল অনেকে এই চর্চা ছেড়ে দিচ্ছেন, তারা এখন হিন্দী লাভার্স হয়ে উঠছেন)। আর এই প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এখন হেমন্ত সরেন, তিনি তার পিতা সুযোগ্য সন্তান, তার পিতা মিঃ শিবু সরেন, ভেঙ্গে ভেঙ্গে তিনবারের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। মিঃ হেমন্ত সরেন বেশ তরুণ, আমি নানান খবরে আর করোনা এক্টিভিটি বুঝতে ছেয়েছি কিন্ত ভাল বুঝতে পারি নাই, নেটে এই বিষয়ে তথ্য বেশি নাই। তবে তার একটা কথা আমার বেশ মনে ধরেছে, তিনি কয়েদিন আগে বলেছেন, আপনি যদি মৃত্যু ভালবাসেন তবে ঘরের বাইরে যেয়ে করোনাকে দাওয়াত দিন! মানে। ডু নট ইনভাইট করোনা!

ইন্ডিয়ার মুখ্যমন্ত্রী কম নেই! আমার যতদুর মনে পড়ে এখন ইন্ডিয়ার প্রদেশ ৩১টা, দুই একটাতে কেন্দ্রীয় শাসন চলছে, আর বাকী সব গুলোতেই রাজ্য শাসন। সবাইকে নিয়ে আলোচনা করা যায় না, এতে লেখা অনেক বড় হয়ে পড়বে এবং আপনারা আর পড়তে চাইবেন না, জানি! কাজেই আর মাত্র একজন নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে!

তিনি উদয় ঠাকুর (ঠাকরে), মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী। উনাকে তেমন না চিনে থাকলেও উনার বাবা মিঃ বাল ঠাকুরকে নিশ্চয় আপনারা সবাই চিনেন, বাল ঠাকুর ইন্ডিয়ার রাজনীতিতে একটা বিরাট নাম। বোম্বাই কে মুম্বাই নাম পরিবর্তনে তার নাম ভোলা যায় না! ইন্ডিয়ার রাজনীতিতে বাল ঠাকরে একজন কট্টরে রাজনীতিবিদ হিসাবে ইতিহাসের পাতায় স্থান করে নিয়েছেন। যাই হোক, আমি করোনা ভাইরাস নিয়ে তার অনেক গুলো ভাষণ শোনার চেষ্টা করেছি, তিনি মহারাষ্ট্রের নিজস্ব ভাষায় কথা বলেন বলে আমি তার কথা তেমন বুঝতে পারি নাই, তবে তিনি লকডাউনের উপর বেশী জোর দিয়েছেন এবং তার অধীনস্থ জায়গাতে সকল চাকুরীজীবিদের বেতন আগামী মাসের জন্য নিশ্চিত করেছেন।

সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ১১:৪৭
৭টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গানটি বন্ধুত্বের, গানটি শান্তির প্রতি ভালোবাসায় সিক্ত

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৪ শে জুন, ২০২৬ ভোর ৪:০০

আমেরিকা ও ইরানের শান্তি চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে এই গানটি বুনেছি, নিজের বেসুরো গলা 'ব্যবহার' করেই।
এবারে কি ভারত - বাংলাদেশ সীমান্তে শান্তির আলো দেখা দেবার কথা?



বন্ধু হে অনেক... ...বাকিটুকু পড়ুন

সে আমার দিকে তাকিয়েছিল || একটা রোমান্টিক গান

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ২৪ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৪

সে আমার দিকে তাকিয়েছিল
ওওও
বহুবার সে তাকিয়েছিল
আমি ভাবতে চেয়েছি
আমাকে তার ভালো লেগেছিল



সে দেখতে এতটা সুন্দরী
তার উপমা যেন সে নিজেই
মাঝে মাঝে অধরে তার ফুটছিল হাসি
মুগ্ধতায় আমি হারিয়েছিলাম খেই
তখন মিহিসুতোর মতো বৃষ্টিরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

“নির্বাচিত সরকার যখন সেনাবাহিনী মাঠে নামায়, গণতন্ত্র তখন নিজের সত্ত্বা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ে।”

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২৪ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৪



“নির্বাচিত সরকার যখন সেনাবাহিনী মাঠে নামায়, গণতন্ত্র তখন নিজের সত্ত্বা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ে।”

এই বক্তব্যের মূল তাৎপর্য নিহিত রয়েছে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার মৌলিক দর্শনে। গণতন্ত্রের ভিত্তি হলো জনগণের... ...বাকিটুকু পড়ুন

=কিছু গোপন ব্যথা রেখে দিলাম অন্তরে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৪ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৩



আমার হয়ে থাকুক কিছু
মন কুঠুরির আড়াল হয়ে
দুঃখগুলো যাক না নিরব
একটু করে ক্ষয়ে ক্ষয়ে।

বাড়ুক ব্যথা বুকের গহীন
কেউ না জানুক গোপন থাকুক
ব্যথার কাঁপন উঠুক না হয়;
হেলা বুকে কষ্ট আঁকুক।

যাক না এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্মের অবমাননা রুখতে গিয়ে নিজের ধর্মকেই ছোট করছেন না তো?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৫ শে জুন, ২০২৬ রাত ৩:৩৫


সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে ধর্ম অবমাননার আবার একটা ঘটনা ঘটলো। ২৩ জুন ২০২৬। প্রিন্স রায় দীপ্ত নামের পঁচিশ বছরের একটা ছেলে নবীজিকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ তাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×