কি এক অজানা কারনে দুনিয়ার যে বেশ কয়েকটা দেশ ছোট বেলা থেকেই ভাল লাগত তার মধ্য ভেনিজুয়েলা, কলাম্বিয়া, পেরু উল্লেখযোগ্য। এখনো সময় পেলে ইউটিউবে এই দেশ গুলোর ভিডিও দেখি, এই সব দেশের অলগলি আমার চেনা, মুখস্ত। একদম যেন আমার চোখের সাম্নেই সব! মানুষ গুলো আমাদের মতই! এই সব দেশের খাবার দাবার এত বেশি দেখেছি যে, বলে বুঝানো যাবে না। যাই হোক, দেশ গুলোর একই সমস্যা এখন এই দেশ গুলোতে তেমন আর সুশাসক নেই! পেরুতে কিছুদিন আগে ভয়াবহ আন্দোলন হয়েও তেমন কিছু হচ্ছে না। কলাম্বিয়া ঝুলে আছে অনেকদিন। ভেনিজুয়েলার ব্যাপারটা নিয়ে আর কি বলবো! খবরে এই মাত্র পড়লাম, নিন্মে উল্লেখ যোগ্য অংশ দেখুন!
লাতিন আমেরিকার দেশ ভেনিজুয়েলা এক ঐতিহাসিক প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দ্বারপ্রান্তে। দেশটিতে স্থানীয় সময় রোববার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হওয়ার কথা। ধারণা করা হচ্ছে ২৫ বছর ধরে চলা সমাজতান্ত্রিক শাসনের অবসান হতে পারে এবারের নির্বাচনে। যদি দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো সেখানে সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশ তৈরি করেন, তাহলে ভোটের পরবর্তী দিনের প্রভাত হবে ভেনিজুয়েলার জন্য এক ঐতিহাসিক সকাল। এবারের নির্বাচনে তৃতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হতে লড়াই করছেন ৬১ বছর বয়সী মাদুরো। এক্ষেত্রে তার শক্ত প্রতিপক্ষ হচ্ছে বিরোধী দলীয় নেতা এবং একজন সেরা কূটনীতিক এডমান্ডো গঞ্জালেজ। মতামত জরিপের তথ্য বলছে এবার ৭৪ বছর বয়সী অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ গঞ্জালেজের কাছে পরাজিত হতে পারেন টানা দুইবার ক্ষমতায় থাকা মাদুরো। এবারের নির্বাচন যদি অবাধ ও সুষ্ঠু হয় তাহলে ভূমিধস পরাজয় হতে পারে মাদুরোর। কিন্তু সর্বশেষ যে অবস্থার কথা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে তাতে দেশটিতে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে সংশয় ঘনীভূত হয়েছে।
অনলাইন দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন যে মাদুরো নির্বাচন কমিশনকে কাজে লাগিয়ে ফলাফল নিজের পক্ষে নিয়ে আসতে পারেন। যদিও গঞ্জালেজের পক্ষে ভোট বেশি পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
অন্যদিকে এই নির্বাচনকে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সবচেয়ে বেশি স্বেচ্ছাচারী হিসাবে বর্ণনা করেছেন পর্যবেক্ষকদের কেউ কেউ। যদি মাদুরো তার পূর্বসূরি হুগো শ্যাভেজের পথে হাঁটেন তাহলে এবারও দেশটির নির্বাচনে নিরপেক্ষতা নিয়ে নানা প্রশ্ন ওঠা অস্বাভাবিক নয়। কেননা শ্যাভেজের বিরুদ্ধে অভিযোগ হচ্ছে তিনি দেশটিতে কর্তৃত্ববাদী শাসন প্রতিষ্ঠা করেছেন। তার উত্তরসূরী হিসেবে সেই শাসন বহাল রেখেছেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট মাদুরো। তিনি শ্যাভেজের মৃত্যুর পর থেকেই ক্ষমতায় রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগও রয়েছে।
জনগণ আর কত সইবে? সেই একই প্যাঁচাল, একই মিথ্যাভরা মুখ! আশা করি, এবার দল পরিবর্তন হয়ে জনগণ হাসি মুখ করবে!

সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে জুলাই, ২০২৪ রাত ১২:০৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



