somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সাহাদাত উদরাজী
সাহাদাত উদরাজী'র আমন্ত্রণ! নানান বিষয়ে লিখি, নানান ব্লগে! নিজকে একজন প্রকৃত ব্লগার মনে করি! তবে রান্না ভালবাসি এবং প্রবাসে থাকার কারনে জীবনের অনেক বেশী অভিজ্ঞতা হয়েছে, যা প্রকাশ করেই ফেলি - 'গল্প ও রান্না' সাইটে! https://udrajirannaghor.wordpress.com/

নির্বাচনী কথামলা! ১১/০২/২০২৬ইং

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:০৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

নির্বাচনে এবার আমার পছন্দ এনসিপির প্রার্থীরা (জোট বাঁধলেও তারা তাদের নিজস্ব প্রতীক শাপনা কলি নিয়েই নির্বাচন করছে)। এটা আমার এক ধরনের কৃতজ্ঞতা, এদের কারনে আমরা বাক স্বাধীনতা সহ সাধারন চলাফেরা ফিরে পেয়েছি, যদিও জুলাইতে আমি প্রতিটা ঘরের মানুষকে শেষ ৩ দিনে রাস্তায় নামতে দেখেছি। কিন্তু এই তরুণ যুবকেরা যদি এক দফা এক দাবীতে না যেত বা সামান্য আঁতাত করলেও আমাদের আজকের এই নির্বাচন দেখার সৌভাগ্য হত না! ফলে এবারে আমার ভোট এদের পক্ষেই থাকবে। আমার এলাকায় মি নাহিদ ইসলাম দাঁড়িয়েছেন, আমি তাকে ভোট দিবো। কথাটা পরিস্কার করে বললাম এইজন্য যে, আমি আমার বিবেকের কাছে পরিস্কার থাকতে চাই।

বিএনপি মুলত এমন একটা দল এবং এর গঠনতন্ত্র এমন যে, এই দল দেশের যে কোন মানুষকেই আপন করে নিতে পারে বা ঠাই পেতেই পারে। বিএনপি উদার মানের দল, প্রচুর সমর্থক, সব শ্রেনীর মানুষ আছে এই দলে। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে আমি খুশি হব এবং বিএনপির ক্ষমতায় যাবার সম্ভবনা ৯৫ শতাংশ। গত কয়েকদিনে উলটাপালটা মনে হলেও ঢাকা শহর ছেড়ে লোকেরা গ্রামের বাড়িতে ভোট দিতে যাবার পরে এখন মনে হচ্ছে বিএনপি শহরের সিট গুলোতে জিতে যাবে। তবে আমার ধারনা হাড্ডাহাডি ভোটের লড়াই হবে প্রতিটা আসনে। গ্রামে যাওয়া সব ভোটার যে ভোট দিবে তা নয়, কিছু গেছে ঘুমাতে, কিছু গেছে মাছ ধরতে, কিছু গেছে ফসলের মাঠে ক্রিকেট বা ফুটবল খেলতে, কিছু গেছে প্রিয় মায়ের মুখ দেখতে!

নির্বাচনে আমাদের মত সাধারন ভোটারদের উচিত হচ্ছে নিজের এলাকার শিক্ষিত, মার্জিত, বয়স কম বা যিনি দৌড়াতে পারবেন, কিছুটা হলেও সৎ চৌকস তাকেই নির্বাচিত করা। বুড়ো, ঋণ খেলাপি সহ শয়তানদের ভোট না দেয়াই ভাল, কারন এরা ক্ষমতা পেলেই চুষে রক্ত খাবে। এদের টার্গেট একদম পরিস্কার। এখন কথা হচ্ছে বা মনে প্রশ্ন আসে, আমি এক দল সমর্থন করি, আরেক দলের লোককে কি ভোট দিতে পারি? আমার উত্তর হচ্ছে, কেন নয়? আপনি যদি দেখেন আপনার দল একজন অসভ্য ব্যক্তিকে আপনার মাথায় বসিয়ে দিচ্ছে আপনি কেন গোপনে ভাল ব্যক্তিকে ভোট দিতে পারবেন না! অবশ্যই পারবেন, কারন ভোট আপনার আমানত, বিবেকের ব্যাপার, গোপন। তবে আমি আমার ভোট প্রকাশ্য করেছি, কারন আমি কোন দল করি না, আমার কাছে যা ভাল মনে হয়েছে তাই বললাম মাত্র! আমার ভোট আমি আমার ইচ্ছাতেই দিবো, আমার ভোট সেই ব্যক্তিকে না দিলে তা কাজে না লাগলেও আমি আমার বিবেকের কাছে ভাল থাকতে পারবো যে, আমি অন্তত একজন ভাল ব্যক্তিকে নির্বাচিত করতে চেষ্টা করেছি।

যাই হোক, এবারের ভোট নিয়ে বই লেখা যায়! মানুষ মনে হচ্ছে মুক্ত পাখি হয়েছে, সামান্য সংখ্যক লীগ কল্কি ছাড়া বাকী সবাইকেই ভোটের আনন্দ নিতে দেখছি, যার সাথেই কথা হচ্ছে একটা আনন্দে আছেন বুঝা যাচ্ছে।

আবারো বলছি, দিন শেষে ভোটের জয়ে বিএনপিই হাসবে, এবং তাদের সেই সক্ষমতা আছে, তবে আমার এলাকায় তাদের যোগ্য প্রার্থী নাই বা এবারে আমার চয়েজ আলাদা। তবে আমার একটা আবদার থাকবে, বিএনপি ভোটে জিতে সরকার গঠন করে যেন শহরের পথ শিশুদের নিয়ে কাজ করে, এই পথ শিশুদের জন্য একটা আলাদা আইন ব্যবস্থা করে এদের সুরক্ষা করে, সাথে এমন শিশু যেন আর পথে না আসে!

পুনশ্চঃ
- কয়েকজন আমাকে বিএনপির প্রার্থীকে ভোট দিয়ে ইনবক্স করেছেন, আপনাদের ধন্যবাদ।

- উপজেলা পর্যায়ে একজন ব্যক্তির সাথে কাজ ছিল, তিনি ফোন না ধরে হোয়ার্স আপে যে মেসেজ দিয়েছেন তাতে আমি অবাক, বললেন ভাই ভোটের আগে আমি যাব না, ভোট করে যাব, আপাতত ফোন দিয়েন না! ভোট করাও একটা নেশা!

- আমি ঢাকা ৮ এর জনাবা মেঘনা আলমের রেকোর্ডেড ফোন পেয়েছি, এবং এতে অবাক হয়েছি যে, তিনি প্রতারিত হয়েছেন। আমার ধারনা তাকে যারা মোবাইল ডাটা দিয়েছে, তারা ভুল এলাকার তথ্য দিয়ে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। অন্যদিকে আমি আমার এলাকার বিএনপির প্রার্থীর (ঢাকা ১১) রেকোর্ডেড ফোন পেয়েছি।

- একভাই ইনবক্সে জানতে চেয়েছেন এনসিপির সেরা প্রার্থী কে? আমি মনে করি ঢাকা ১১ থেকে বোন দিলশানা পারুল। আমি তার একজন ভক্ত, তার বোঝার ক্ষমতা, বিষয় ব্যাখ্যা চমৎকার, জ্ঞানের কথা বলে। আমি তার এলাকার হলে সরাসরি তার পক্ষেই ভোট প্রচারে কাজ করতাম।

- সবাই 'হ্যাঁ' ভোট দিয়েন, আমাদের সামান্য সামান্য করে হলেও ভাল পথের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। ত্রিশ কোটি(!) মানুষের ত্রিশ কোটি মতামত এই দেশে, তবুও সামান্য কিছু ব্যাপারে সহানুভূতি দেখানো দরকার।

সর্বশেষ এডিট : ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:০৬
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রক্তের গ্রুপ বৃত্তান্ত; জীবন রক্ষার স্বার্থেই জেনে রাখা দরকার রক্তের গ্রুপ

লিখেছেন নতুন নকিব, ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:১৪

রক্তের গ্রুপ বৃত্তান্ত; জীবন রক্ষার স্বার্থেই জেনে রাখা দরকার রক্তের গ্রুপ

ছবি সংগৃহীত।

বিয়ের দিনক্ষণ ঠিক হয়ে গেছে। দুই পরিবার আনন্দে ব্যস্ত। বর ও কনে দুজনেই সুস্থ, শিক্ষিত, স্বাভাবিক জীবনযাপনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জাল হাদিস ধরার একটি এপ্লিকেশনের আইডিয়া নিয়ে কাজ করছি

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৩২

জাল হাদিস ধরার একটি সফটওয়্যার নিয়ে কাজ শুরু করেছি। এপ্লিকেশন বানানোর ছক আঁকার পরে এখন ইনভেস্টর খুঁজছি। দিন কয়েক আগের ঘটনা। সামুতে একটি পোস্ট দিয়েছিলাম, অসুস্থ্য থাকায় আল্লাহর নির্দেশে... ...বাকিটুকু পড়ুন

গদি লইড়া যাইতেসে রে.... :)

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:২০


নিয়াজ স্যার জানেন কিনা জানি না, তবে ছাত্রদলের সেই বিখ্যাত স্লোগান: "নীলক্ষেতের ভিসি আপনি"—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের করিডোরে যতবার প্রতিধ্বনিত হয়েছে, ততবারই সাধারণ মানুষ চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করতে চেয়েছে যে ছাত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

রোজা ও আধুনিক স্বাস্থ্য বিজ্ঞান; কিছু কথা, কিছু অনুভূতি

লিখেছেন নতুন নকিব, ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৩৭

রোজা ও আধুনিক স্বাস্থ্য বিজ্ঞান; কিছু কথা, কিছু অনুভূতি

ছবি সংগৃহিত।

অংশ ১: ভূমিকা এবং রোজার মূল উদ্দেশ্য

ইসলাম কোনো আংশিক বা বিচ্ছিন্ন জীবনদর্শন নয়। বরং এটি মানবজীবনের প্রতিটি স্তরের জন্য একটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের বিজয় খুব দরকার ...

লিখেছেন অপলক , ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:৩৪



বিগত সরকারগুলো যে পরিমান ক্ষয়ক্ষতি করে গেছে, তা পুষিয়ে নিতে ১০টা বছর যোগ্য এবং শিক্ষিত শ্রেনীর হাতে সরকার ব্যবস্থা থাকা খুব জরুরী। গোমূর্খ চাঁদাবাজ আর নারী লিপ্সুদের ভীড়ে জামায়াতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×