somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

১০০ জন নারী সমান ১জন পুরুষের সমীকরণ।।

১৩ ই এপ্রিল, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:২৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

নারীরা পুরুষকে ভালোবাসে দেবতার মত অথচ কদাচিতই সেকথা সে মেনে নিবে।ধর তুমি কোনো মেয়েকে জিজ্ঞেস করলে,তুমি সাজ কেন?
বলবে,ভালো লাগে বলে সাজি।
আর যদি প্রশ্ন রাখ,কার জন্যে সাজ?
ঝট করে উত্তর পেয়ে যাবে,ওমা কার জন্যে আবার সাজব?আমি আমার নিজের জন্যেই সাজি।
কিন্তু তুমি যদি ১০০জন রমনীর উপর জরিপ চালাও দেখবে ৯৫জনই বাড়িতে কখনই সাজগোজ করেনা।যেখানে সে শুধু নিজে নিজেকে দেখবে।তাহলে আমরা ধরে নিতে পারি তারা অন্যের জন্যে সাজে।
কিন্তু এই অন্যেটা কে?মেয়েদের জন্যে না ছেলেদের জন্যে?
এই প্রশ্নের উত্তরটা একটু বুদ্ধি খাটিয়ে চারপাশ থেকে পেতে হবে।আমি অনেক মেয়েকে দেখেছি যাদেরকে ১শত মেয়ে ১শত বার সুন্দর বললে তার যতটা খুশি হয় ১জন পুরুষ সুন্দর বললে তারচেয়ে ১শতগুন খুশি হয়।চোখদুটি রাতের আকাশের তারার মত ঝিক ঝিক করে উঠে।

আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি এই লেখা যদি কোনো মেয়ে পড়ে সে আমাকে নিশ্চিত বলবে,এ বড্ড বাড়াবাড়ি।কিন্তু বিশ্বাস কর চেতনভাবে না হোক অবচেতন মনের কাছে প্রশ্ন করলে তুমি দেখবে,এর একবর্ণও মিথ্যে না।(কিছু ব্যতিক্রম যে নেই তা না,তবে ব্যতিক্রম কখনও উদাহরণ হতে পারেনা)
আমি আমার সহকর্মীদেরই (নারী) দেখেছি কেউ একটু সাজগোজ করে আসলেই তাকে দেখি এই প্রশ্নের মুখোমুখি হতে,
কি ব্যাপার ভাইয়া দেখেছে আজ?
কিংবা কি বলেছে সে?
একজন ছেলে আরেকজন ছেলেকে এই ধরণের প্রশ্ন করে কিনা আমার জানা নেই।

শুধু সাজগোজই নয়।তাদের সকল কাজেই পুরুষকে প্রতিভু মানার প্রবনতা অহর্নিশ দেখা যায়।এই যেমন রান্নার বেলায়।কোনো নতুন আইটেম রান্না করলেই স্বামী বেচারার কাছ থেকে প্রশংসা না শোনা পর্যন্ত সুস্বাদু খাবারও মুখে বেস্বাদ ঠেকে।

ছেলেরা মেয়েদের এই মানসিকতাকে কি বলে,হয়ত পাগলামী নয়ত বোকামী।যে যাই বলুক তাতে আমার কোনো মাথাব্যাথা নেই।তবে বছরের পর বছর প্রেম করেও বিয়ের পর তাদের রুচিতেও যে পরিবর্তন আসে তার প্রমাণ নীচের এই লাইনকটিতেই বোঝা যায়-
আমার এক বান্ধবীর ছোট্টছেলে বাবাকে বলছে,বাপিকোনো একটা খেলনা যতক্ষন না কিনি ততক্ষন খুব খারাপ লাগে,খালি কিনতে ইচ্ছে করে।কিন্তু কিনে ফেললেই ওটা নিয়ে আর খেলতে ইচ্ছে করেনা।কেন বাবা এমন হয়?
মায়ের দিকে তাকিয়ে বাবার ছোট্ট উত্তর আমারও ঐরকমই লাগেরে বাবা।

আহারে বেচারা।অথচ ঐ মাকে আমি জানিযে প্রতিদিনই নতুন নতুনরূপে নিজেকে উপস্থাপন করার চেষ্টা করে যাতে তার প্রাণপ্রতিম স্বামী একটু ভালো বলে তারে।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই এপ্রিল, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:২৯
১২টি মন্তব্য ১০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×