নারীরা পুরুষকে ভালোবাসে দেবতার মত অথচ কদাচিতই সেকথা সে মেনে নিবে।ধর তুমি কোনো মেয়েকে জিজ্ঞেস করলে,তুমি সাজ কেন?
বলবে,ভালো লাগে বলে সাজি।
আর যদি প্রশ্ন রাখ,কার জন্যে সাজ?
ঝট করে উত্তর পেয়ে যাবে,ওমা কার জন্যে আবার সাজব?আমি আমার নিজের জন্যেই সাজি।
কিন্তু তুমি যদি ১০০জন রমনীর উপর জরিপ চালাও দেখবে ৯৫জনই বাড়িতে কখনই সাজগোজ করেনা।যেখানে সে শুধু নিজে নিজেকে দেখবে।তাহলে আমরা ধরে নিতে পারি তারা অন্যের জন্যে সাজে।
কিন্তু এই অন্যেটা কে?মেয়েদের জন্যে না ছেলেদের জন্যে?
এই প্রশ্নের উত্তরটা একটু বুদ্ধি খাটিয়ে চারপাশ থেকে পেতে হবে।আমি অনেক মেয়েকে দেখেছি যাদেরকে ১শত মেয়ে ১শত বার সুন্দর বললে তার যতটা খুশি হয় ১জন পুরুষ সুন্দর বললে তারচেয়ে ১শতগুন খুশি হয়।চোখদুটি রাতের আকাশের তারার মত ঝিক ঝিক করে উঠে।
আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি এই লেখা যদি কোনো মেয়ে পড়ে সে আমাকে নিশ্চিত বলবে,এ বড্ড বাড়াবাড়ি।কিন্তু বিশ্বাস কর চেতনভাবে না হোক অবচেতন মনের কাছে প্রশ্ন করলে তুমি দেখবে,এর একবর্ণও মিথ্যে না।(কিছু ব্যতিক্রম যে নেই তা না,তবে ব্যতিক্রম কখনও উদাহরণ হতে পারেনা)
আমি আমার সহকর্মীদেরই (নারী) দেখেছি কেউ একটু সাজগোজ করে আসলেই তাকে দেখি এই প্রশ্নের মুখোমুখি হতে,
কি ব্যাপার ভাইয়া দেখেছে আজ?
কিংবা কি বলেছে সে?
একজন ছেলে আরেকজন ছেলেকে এই ধরণের প্রশ্ন করে কিনা আমার জানা নেই।
শুধু সাজগোজই নয়।তাদের সকল কাজেই পুরুষকে প্রতিভু মানার প্রবনতা অহর্নিশ দেখা যায়।এই যেমন রান্নার বেলায়।কোনো নতুন আইটেম রান্না করলেই স্বামী বেচারার কাছ থেকে প্রশংসা না শোনা পর্যন্ত সুস্বাদু খাবারও মুখে বেস্বাদ ঠেকে।
ছেলেরা মেয়েদের এই মানসিকতাকে কি বলে,হয়ত পাগলামী নয়ত বোকামী।যে যাই বলুক তাতে আমার কোনো মাথাব্যাথা নেই।তবে বছরের পর বছর প্রেম করেও বিয়ের পর তাদের রুচিতেও যে পরিবর্তন আসে তার প্রমাণ নীচের এই লাইনকটিতেই বোঝা যায়-
আমার এক বান্ধবীর ছোট্টছেলে বাবাকে বলছে,বাপিকোনো একটা খেলনা যতক্ষন না কিনি ততক্ষন খুব খারাপ লাগে,খালি কিনতে ইচ্ছে করে।কিন্তু কিনে ফেললেই ওটা নিয়ে আর খেলতে ইচ্ছে করেনা।কেন বাবা এমন হয়?
মায়ের দিকে তাকিয়ে বাবার ছোট্ট উত্তর আমারও ঐরকমই লাগেরে বাবা।
আহারে বেচারা।অথচ ঐ মাকে আমি জানিযে প্রতিদিনই নতুন নতুনরূপে নিজেকে উপস্থাপন করার চেষ্টা করে যাতে তার প্রাণপ্রতিম স্বামী একটু ভালো বলে তারে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

