সবগুলোই বাস্তব ঘটনা। ঘটনার ভিতরকার মজার অংশটুকুই দেয়া হল।
জামাল তার ভার্সিটিতে ভাইবা দিতে গেছে। তার সাব্জেক্ট ফার্মেসী।
ম্যাডামঃ আচ্ছা, বাচ্চা হবার সময় বাচ্চাটিকে যে ১১ টি স্টেপ পার করতে হয়, সেগুলোর নামগুলো বলতো।
নামগুলি বেশ কঠিন। জামাল ৩ ৪ টা পেরে বলল---
জামালঃ ম্যাডাম, এই কয়টাই মনে আছে, বাকিগুলা মাথায় নাই।
ম্যাডামঃ মাথায় নাই মানে। বাচ্চাটা কি করবে? তোমার ঐ ৩ ৪টা স্টেপ পার হয়ে এসে বসে থাকবে নাকি এক লাফে এপারে চলে আসবে, হ্যা?
জামালের রাস্তায় খুব টয়লেট পেয়েছে। সে একটা টয়লেট খুজে পেল যেখানে টাকার বিনিময়ে ছোট-বড় উভয় কাজই করা যায়। তার আবার বেশ দামাদামির অভ্যেস।
জামালঃ ভাই প্রস্রাব কত কইরা?
জনইকঃ ৫টাকা।
জামালঃ আগে কত ছিল?
জনৈকঃ আগে ৩টাকা ছিল।
জামালঃ তাইলে এখন ৫টাকা কেন? প্রস্রাবের দাম কি বাইড়া গেছে নাকি?
বন্ধুমহলে জামাল বেশ রসিক বলেই জনপ্রিয়। একদা এক গুরুত্বপূর্ণ টপিক নিয়ে কেউ একজন আলাপ করছিল। টপিক আর কিছুই না, বিছানায় যাবার নিয়মাবলি। মাঝে কেউ বলে উঠল কাথা, মশারী অবশ্যই লাগবে কাজ করার আগে। খোলা-মেলা থাকলে উৎপাদিত বেবী উচ্ছৃঙ্খল হতে পারে।
তাৎক্ষনিকভাবে জামাল তার ফুলঝুড়ি ছড়াল।
জামালঃ আরে, আমাদের ক্লাসের রেশমা তো বেশী লাফালাফি করে। তাইলে কি ওর বাবা-মা মাঠে খোলা আকাশের নিচেই কাহিনী করছিল ?
জামাল আবারও ভাইবা বোর্ডে। সে সবসময় ভাইবার ভিতর বিব্রত অবস্থায় পড়ে যায়। এবারও এক ম্যাডাম।
ম্যাডামঃ আচ্ছা, মেয়েদের পিরিয়ডকাল তো ৫ দিন। কিন্তু আমাদের দেশে ৭ দিন ধরে কেন?
জামালঃ ম্যাডাম, এটা আসলে কুসংস্কার বা কথায় কথায় রটনা বলতে পারেন। এমনি এমনি ছড়িয়ে পড়ছে। আর এই জন্য মেয়েরা ৭ দিন পরেই একটা ফ্রেশ গোসল দেয়।
ম্যাডামঃ তাহলে কি তুমি বলতে চাও যে ৭ দিনের মাঝের গোছলগুলো ফ্রেশ না?
জামালঃ ইয়ে মানে, আসলে আমি তা বোঝাতে চাই নি..................।
সবগুলি ঘটনাই জামালের নয়। কিন্তু সব ঘটনাই জামালের নামে চালিয়ে দেয়া হল।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

