আসুন রাস্তায় বাঁশ দেই- সৈয়দ রাকিব (রম্য/বিদ্রুপ)
মুল গল্পে আসি, বেশ কিছুদিন ধরে রাজধানীর রাস্তায় খেয়াল করেছেন নিশ্চয় বাঁশ দিয়ে ডিভাইডার দেয়া হচ্ছে।যাতে এক প্রান্তের গাড়ি আরেক প্রান্তে ইচ্ছাকৃত কিংবা অনিচ্ছাকৃত চলে না যায় ! সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য আবার কিছু কিছু বাঁশ রঙ করে দেয়া হয়। শেষে এসে অবশেষে এতদিনে আমাদের নগর পরিকল্পনাকারীরা বুঝতে পেরেছে বাংগালী কে আসলে বাঁশ না দিলে আটকানো যায়না ! কত সুন্দর সুন্দর সাইনবোর্ড/লিফ্লেট/নিয়নসাইন/শো বোর্ড দিয়ে চেষ্টা করা হল কিন্তু কিছুতেই কিছু হলনা রাস্তায় লাল নীল কত রকম সিগন্যাল কিন্তু ট্রাফিক এর হাত এর দিকেই সবার নজর,আদতে নজর ট্রাফিকের হাতের ডান্ডা মতান্তরে বাঁশটির দিকে। আর ট্রাফিকের নজর কাগজপত্র নাই বা ভেজাল আছে এমন অবৈধ গাড়ির দিকে। একটা কথা আমার মত গন্ডমুর্খের মাথায় ঢোকেনা আপনাদের কারো মাথায় ঢুকলে আমাকে একটু বলবেন প্লিজ। তা হল ঢাকা শহরতলীর রাস্তায় যেখানে বেশিরভাগ গাড়ি/বাহন ঘন্টার পর ঘন্টা জ্যাম এ পড়ে থাকে গতিহীন হয়ে, সেখানে গতিসীমা ২০- ৩০ কিঃমিঃ এরকম ইলেক্ট্রনিক সাইনবোর্ড দেয়ার কি কোন মানে আছে ? যেসব রাস্তায় গতি তোলা যায় সেসব রাস্তায় এই শোবোর্ড গুলো দিন, এই শো বোর্ড চালাতে নিশ্চয় বিদ্যুত খরচ হয়? কুইক রেন্টাল বলেন আর ডিলে রেন্টাল! যেখান থেকেই কিনুন সেই বিদ্যুত নিশ্চয় কিনতে হয়। আর আমাদের ট্যাক্স এর টাকায় এভাবে আমাদের বাঁশ না দিলেও তো হয়! আমি নিয়মিত কর প্রদানকারি একজন নাগরিক। বাংলাদেশের বৃহতকরদাতা ইউনিট এ আমার কর জমা হয় প্রতিমাসে। তাই আমি জোড় গলায় অনেক কিছুই বলি। যা বলছিলাম রাস্তায় বাঁশ এর কথা, গত সপ্তাহে মতিঝিলে হোটেল পুর্বানীর কাছে দাঁড়িয়ে ছিলাম। ঢাকার বাইরে যাব। অফিসের কাজে, এখানেই আমাদের গাড়ি আসার কথা, তখন দেখছিলাম সিটি কর্পোরেশন (উত্তর না দক্ষিন জানিনা) ট্রাক থেকে বাঁশ নামিয়ে রাস্তায় ডিভাইডার দিচ্ছে। আমার সাথেই দুইজন ফরেনার ছিলেন, তারা জিজ্ঞাসা করলেন, এরা কি করছে ? আমি জবাব দিতে পারলাম না। অসহায় ভাবে অন্যদিকে তাকিয়ে ভাবনায় ডুবে গেলাম, তারপর... বলতে পারলাম না আমাদের দেশের মানুষ তার নিজের রাস্তায় না থেকে ওভারটেক করে অন্যপাশে চলে আসে নিঃদ্বিধায়, ফুট ওভার ব্রিজ ব্যবহার না করে দৌড়ে রাস্তা পার হতে পছন্দ করে, বাঁকা পথে চলতে বেশি পছন্দ করে তাই মটর সাইকেল নিয়ে ফুটপাথে উঠে যায়, অন্যকে পেছন থেকে টেনে রাখে যাতে বড় হতে না পারে ! আর আমাদের এই অবাধ্য জাতিকে মানুষ করার জন্য বাঁশ ছাড়া গতি নেই ! কোটি টাকার গ্রিল দিলে খুলে নিয়ে বিক্রি করে দিবে যেমন টা করে ম্যানহোলের ঢাকনা নিয়ে! তাই দেশীয় প্রযুক্তি তে এবার আমরা রাস্তায় বাঁশ দিচ্ছি, আর প্রতিবার আমরা আমাদের সেবা করার পাশাপাশি বাঁশ দেয়ার জন্য কিছু মানুষ কে নির্বাচন করি ডান অথবা বাম যে কোনদিকে বাঁশ আমাদের খেতেই হবে। গাড়ির প্রচন্ড হর্নে ভাবনার জালটা ছিন্ন হয়ে গেল, ঘুমিয়ে গিয়েছিলাম। বাস্তবে এসব ভাবব ! মাথা খারাপ বাস্তবে এইসব ভাবতে গিয়ে আমি আবার বাঁশ খাব নাকি !!
[email protected]
সাদা নীল জার্সি

গায়ে ভাই রে সাদা নীল জার্সি
গন্ধ বাতাসে উম্মুখ হয়ে আছি;
কখন হবে- কণ্ঠ নালীর মিছিল-
তারপর- তারপর- সজোরে কিক
গোল- গোল শব্দটা আনন্দ মুখর!
আমার জার্সির রঙগুলো আত্মহারা
রাতজাগা পাগলাপাড়া ফুটবল খেলা
নয়ন জলে টলমলে- স্মৃতির... ...বাকিটুকু পড়ুন
বাইরে এসো
এসো, বৃত্তবদ্ধ খাঁচা ছেড়ে বাইরে এসো,
কল্পনাতীত উদাত্ত আকাশে চোখ পেতে
দুজনে বসি ঘাস গালিচাতে আজ পাশাপাশি ,
দেখ, পুস্প-ফলে বৃক্ষদের একাগ্র তপস্যা
দেখ, পূর্নিমাকে অর্থ দেয় বিপরীত অমাবশ্যা ।
দেখ, সাপ ও... ...বাকিটুকু পড়ুন
শেখ হাসিনা ও তাঁর মন্ত্রীবর্গের দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত নয় কি?
"হে কাবা! তুমি কতই না উত্তম, তোমার সুঘ্রাণ কতই না চমৎকার! তোমার মর্যাদা কতই না মহান! তবে সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ! নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একজন মুমিনের জান,... ...বাকিটুকু পড়ুন
স্পর্শে_ _ _ _ _
-কি পাও আমার মাঝে ?
-দুটি চোখ।
যেখানে আমার সর্বসুখ নিহিত,
ছমছমে সন্ধ্যা, ভয় জাগানিয়া অন্ধকার রাত,
এসব বৃথা হয়ে যায়,
তোমার একটি ছোঁয়ায়।
তোমার চোখের একটি পলক, আমার হাজার বছর,
আর কি... ...বাকিটুকু পড়ুন
বেসুরো গলায় গান গাওয়ার অপরাধে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পপুলিস্ট দিক ও ন্যায়বিচারের দিক উভয়ই খেয়াল রাখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।