মেক্সিমাম ক্ষেত্রেই দেখা যায় আন্দোলন করতে - নারির অধিকার নিয়ে।
কিন্তু বর্তমানে কতটা পেয়েছে এই অধিকার?
আমার মনে হয় অনেক টা বেশিই পেয়েছে এই অধিকারটা।
গতকাল আমার এক বন্ধু এক মেয়েকে উত্তপ্ত করার জন্য ভ্র্যাম্য মান আদালত তাকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়েছে। হুম আমিও সহমত যে যেমন কাজ তেমন শাস্তি।
কিন্তু তারপর ও কথা থাকে কিছু।
কেন উতপ্ত করলো ?
মিডিয়া যেটা প্রকাশ করেছে - সেটা আসলেই ভিত্তিহিন।
গত ২ বছর ধরে মেয়েটির সাথে ওর রিলেশন। ইভেন সেটার সাক্ষিও আমি নিজেই।
মেয়েটি ২ বার রুম ডেটিংও গিয়েছিলো। আর হ্যাঁ সাথে তো রুম ডেটিং এর ভিডিও ধারণ তো আছেই।
এক্ষণ প্রশ্ন হলো তাহলে এমন ঘটনা ঘটার কারণ কি?
অনেক ডেটিং এর পর এই মেয়ের এক্ষণ মনে হয়েছে যে না এই ছেলের সাথে এখন আমার রিলেশন রাখতে আর ভালো লাগছে না। নতুন কাউকে দরকার। সো চুপি চুপি আবার নতুন কারো সাথে রিলেশন।
যখন আমার বন্ধু বুঝতে পারলো যে মেয়েটা কারো সাথে রিলেশন করছে। তখন কিছু স্টেপ তো নিছেই। এক সময় আমাকেই বলে যে ওর ফেসবুক আইডি হ্যাক করতে হবে। আমি করেও দিয়েছিলাম। ফলাফল তখন ছিলো সে আরো ৩ টা ছেলের সাথে রিলেশন করছে।
এইটা দেখে তো কোন প্রেমিকের মাথা ঠিক থাকে না।
এটা তো গত বছরের কাহিনি।
এর পরও আমি দেখেছি আমার ঐ বন্ধুর সাথে মেয়েটির কথা কাটাকাটি হতে।
আমি আমার বন্ধুকে অনেক বার মানা করেছিলাম যে মেয়েটা ভালো না ওর পিছনে ঘুরিস না। দরকার হলে মাসে মাসে চেঞ্জ কর তারপর ও এইসব খাঙ্কি গুলার পিছনে পড়ে থাকার মানেই হয় না।
বাট শুনে নাই।
মেয়েটার ক্যরেক্টার এমন- কাথার নিচে মারা দিবে কিন্তু কাউকে জনতে দিবে না যে আমার রিলেশন আছে।
একটা মেয়ের যখন অনেক গুলা বয়ফ্রেন্ড থাকে তখন একটা প্রেমিকের মনের অবস্থাটা কেমন হয় সেটা ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারকের জানা না থাকলেও আমাদের মত ইয়াং পোলারা ঠিকি জানে।
এমনিতেই কথাই আছে প্রত্যেক প্রেমিকই সিংহ এর ন্যায়। নিজের প্রেমিকার বিপরিতে অন্য পোলারে দেখতে পারে না। ইভেন মেয়েদের দিকটাতেও তাই।
যাই হোক ওর জেল হলো ৬ মাস । কিন্তু কথা হলো টীওনো ( বিচারক) যখন ওদের অশিল ভিডিও দেখলো তখন শুধু মাত্র ছেলেটার বিচার কেনো করলো ?
মেয়েটার ও তো দোষ আছে যেটা কাচের মত স্বচ্ছ।
যাই হোক এটা নারীর অধিকারে ভিতরেই পড়ে।
আচ্ছা এঈ ছেলে যখন জেল থেকে বের হবে তখন এই মেয়ের কি অবস্থা হবে?
ইঙ্কেচ যদি ঐ সময় কোন একটা র্দুঘটনা ঘটেই যায়- তখন মিডিয়া দেখাবে নারীর অধিকার ক্ষুন্য। বিচার চাই বিচার চাই। কিন্তু ঐ রায়ে যদি মেয়েটাকেও শাস্তি দেওয়া হত তাহলে মনে হয় পরবর্তিতে কিছু হওয়ার সম্ভবনা থকত না।
এনিওয়ে ও যা করেছে সেটার বিচার হয়েছে কিন্তু হাতে প্রমান থাকা সত্তেও ঐ মেয়ের বিচার হলো না এটাই আনজাস্টিস।
মাঝে মাঝে মনে হয় নারী ক্ষমতায়নটা একটু বেশিই। যেটা আসলেই খুব বাড়াবাড়ি।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জুলাই, ২০১৫ রাত ৯:১৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



