আমাদের মন অনেক গুরুত্বপূর্ন। আমাদের শরীরের দৃশ্যমান বয়স মনের সাথে তাল মিলিয়ে বাড়ে। প্রকৃত বয়স যাই হোক, বার্ধক্যের দিকে এগিয়ে যাওয়ার গতি সকলের আলাদা হয়ে থাকে। তাই কেউ আশি বছর বয়সেও তরুনদের মতই কর্মচঞ্চল, আনন্দ-উদ্দিপনাময় জীবন যাপন করেন, আর কেউ পঁচিশ বছরেই জীবনের প্রতি আশা ভরসাহীন বৃদ্ধ মানুষ।
যারা চিন্তা ভাবনায় নেতিবাচক, জীবনের প্রতি আশাবাদী নন, খুব সহজেই অনুতপ্ত হয়ে যান, বেশী আপত্তি করেন, অন্যকে দীর্ঘ উপদেশ দেন, রোমাঞ্চকর কাজে জড়িত হননি কখনো এই ধরনের মানুষগুলোই সহজে অকালবৃদ্ধ হয়ে পরেন।
মন ভালো থাকলে আমরা শারীরিকভাবেও ভালো থাকি। যার মানসিক স্বাস্থ্য ভালো, বয়স বৃদ্ধি তার শরীরের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারেনা। কিছু নিয়ম মেনে নিজেকে চির তরুন রাখা সম্ভব -
১। প্রতিদিনের কাজগুলো থেকে আনন্দ নেওয়া;
২। নিজের জীবনকে অর্থপূর্ন মনে করা;
৩। জীবনের প্রধান উদ্দেশ্য গুলো অর্জিত হচ্ছে এটি মনে করা;
৪। নিজের প্রতি ইতিবাচক ধারনা পোষন করা, নিজেকে শ্রদ্ধা করা;
৫। প্রতিটি বিষয়ে আশাবাদী থাকা।
এছাড়াও আরও বিষয় আমাদের শারীরিক এবং মানসিকভাবে সুস্থ ও তরতাজা রাখে-
১। একটি সুন্দর বিবাহিত এবং পারিবারিক জীবনযাপন করা ;
২। নিঃসঙ্গ না থেকে সঙ্গী সাথী বন্ধু প্রিয় মানুষদের সাহচর্যে থাকা;
৩। পেশাগত জীবনে উন্নতি লাভ করা;
৪। শারীরিক এবং মানসিক অসুস্থতায় যথাযথ চিকিৎসা নেওয়া;
৫। যেকোন ধরনের নেশা থেকে বিরত থাকা।
৬। মেডিটেশন করা; শরীর চর্চা বা ব্যায়াম করা;
৭। নিয়মিত প্রার্থনা করা; কথায় কাজে স্রষ্টার প্রতি শুকরিয়া বা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা।
কাজেই যারা কখনোই বৃদ্ধ হতে চান না, তারা মনের যত্ন নিন, চির তরুন থাকুন।।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


