আর মাত্র ত্রিশ দিন তারপর সেই ঐতিহাসিক রাত্রি আসবে বলে কতো প্রতীক্ষায় ছিলাম!
.
সবাই বলতো আবদুর রব শরীফ ভাই বিয়ে করছেন না কেনো! কেনো! কেনো!
.
ইদানিং রাত হলে বেবী নাজনীনকে স্বপ্নে দেখি আর দিন হলে তার ঐতিহাসিক বাসর রাত নিয়ে গাওয়া গানটি গুন গুন করে গাই, 'কাল সারারাত ছিল স্বপনের রাত স্মৃতির আকাশে যেন বহুদিন পর মেঘ ভেঙ্গে উঠেছিল পূর্ণিমা চাঁদ!'
.
দেখতে দেখতে আরো দশ দিন পেরিয়ে গেলো! আর মাত্র বিশ দিন! তো সেদিন বাসর রাতে করণীয় শীর্ষক একটি সেমিনারে গেলাম! বেশ ভালো লাগলো!
.
এভাবে আরো পাঁচ দিন অতিবাহিত হলো! ইতোমধ্যে বাসর রাতে বিড়াল মারার একশ একটি টিপস সমৃদ্ধ একটি বই কিনে মুখস্ত করা শুরু করেছি!
.
চোখের পলকে দিন যায় রাত আসে! আর মাত্র দশ দিন পেরুলে তুমি আসবে আমার হয়ে অবশেষে!
.
আর মাত্র কয়েকটা দিন ব্যাস! তারপর মমতাজের সাথে তাল মিলিয়ে সুর তুলবো, 'লোকে বলে আমার ঘরে নাকি চাঁদ এসেছে। না গো না চাঁদ নয় আমার বন্ধু এসেছে!'
.
সেই দিন আসলো! টানটান উত্তেজনা! আমি রুমে ঢুকলাম! এই পচন্ড গরম আর তাপদাহের মধ্যে আমাকে একা রেখে কারেন্ট বাবাজী লজ্জায় চলে গেলো! আর সকালে আসলো!
.
পরের দিন দেখলাম, মুন্নী সাহা আমার দরজার ওপাশে দাঁড়িয়ে আছে! মাইক্রোফোনটা আমার মুখের সামনে দিয়ে প্রশ্ন করলো, 'শরীফ সাহেব! আপনার অনুভূতি কি? জাতি জানতে চাই!'
.
কইলাম, সেদিন ছিলো জ্যৈষ্ঠ মাস! লোডশেডিংয়ের কারণে হয়েছিলো আমার বাসর রাতের সর্বনাশ!
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে মে, ২০১৭ রাত ৯:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




