
যারা বাপ মেয়ে পক্ষে ছিলো তার বলেছিলো, 'দেশের কোন আদালত তেরো বছরের মেয়ের সাথে ৬৫ বছরের বুড়োর বিয়ে দিবে!'
.
যারা স্বামী স্ত্রীর পক্ষে ছিলো তারা বলেছিলো, 'এই লক ডাউনে কোন স্কুল আছে যেখানে বাপ মা একসাথে বেতন দিতে যাবে!'
.
অবশেষে হাজবেন্ড ওয়াইফ জয় হয়েছে,
.
আমরা আসলে ভুলে গেছিলাম এই দেশে বিশ টাকা দিয়ে জন্ম সনদ কিনা যায়, মেয়ে যদিও পাল্টা দাবী করে বলেছে, সে ক্লাশে ফেইল করতে করতে অষ্টম শ্রেণি উঠতে উঠতেই আঠারো বছর বয়স হয়ে গেছে ৷
.
মেয়ের ফ্যামেলি গরীব ছিলো, রিক্সাওয়ালা ভদ্রলোক তাদের দেখা শুনা করতো তাই তার মা তাকে বাপ ডেকেছে ৷ সেই সূত্রে তারা নানা নাতনী ছিলো ৷
.
তবে ইতিহাসে এই প্রথম কোন মেয়ে ভালবেসে স্বইচ্ছায় বুড়ো বিয়ে করেছে যার টাকা পয়সা নেই, এর আগে আমরা অনেক সুন্দরী ললনাদের দেখেছি যারা টাকা ক্ষমতা প্রতিপত্তির জন্য তাদের দাদার বয়সী মানুষদেরও বিয়ে করে দিব্যি সুখী হয়েছেন/
.
তবে প্রেম এবং রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই, কাল সকালে উঠে যদি শুনি ভিডিওর এই মেয়ে সেই মেয়ে না তাহলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না, কারণ ভিডিওর মেয়েটাকে একটু বেশী ই কিউট লাগতেছিলো!
.
একটা বিষয় পরিষ্কার, দেশের তরুণ সমাজ প্রতি তরুণীদের অাস্থার সংকট, সেই দৌড়ে এগিয়ে যাচ্ছে বুড়োরা,
.
সম্প্রতি দেখে আসতেছি 'ওল্ড ইজ গোল্ড' বলে দলে দলে বৃদ্ধদের বুকে আগলিয়ে রাখছেন সুন্দরীরা, আর আমারা বিয়ের জন্য পাত্রী ই পাচ্ছি না!
.
তোমরা আমরা যত লাফালাফি করিনা কেনো মেয়ে বলেছে সে মরে গেলেও বুড়ো রিক্সাওয়ালার ই ভাত খাবে, তাকেই ভালোবাসবে!
.
ভালবাসা কোন বয়স কাল মান জাত কুল্ মানে না তা আবারো প্রমাণিত,
.
হয়তো মেয়েটি ভাবছে তারা যখন অভাব অনাটনে দুই বেলা না খেয়ে ছিলো তখন এই হাড় কাঁপানো কথিত নানা তাদের পাশে ছিলো তখন কোন তরুণ তাদের খোঁজ রাখেনি!
.
বিনামূল্যে রিক্সায় করে স্কুলে নিয়ে গেছে, ফিরিয়ে এনেছে, এই ঘটনা থেকে তরুণদের শিক্ষার অনেক কিছু আছে, ওদের তরুণীদের ক্ষেত্রে আরো যত্নবান হওয়া উচিত, শুধু পার্কের চিপা চাপায় যত্ন নেওয়ার ধান্ধায় থাকলে চলবে না,
.
এই সুবাদে সরকারকেও বলতে চাই, সব সরকার বিরোধি ঘটনাকে গুজব বলে উড়িয়ে দেওয়া ঠিক হবে না, খতিয়ে দেখা প্রয়োজন ৷
.
তবে সমাজে এখন আর নানা দাদা চাচা কাউকে বিশ্বাস করা যায় না,
.
আপনার গফকে সার্বক্ষণিক সিসি ক্যামেরার আওতায় রাখাও এখন সময়ের দাবী, তবুও বিশ্বাস হারাবেন না, ললনাদের হৃদয়ে মানবতা বলেও একটা বিষয় আছে! হতাশ হবে না! জেলাসও
.
আমার সন্দ্বীপের এক নানা আমাকে ফোন দিয়ে বলেছে, 'নাতী তুমি তো ফেসবুক ব্যবহার করো, কোন সুন্দরী নাতনীর খোঁজ পেলে নানা অবশ্যই জানাবে!'
.
পরে অবশ্য নানা বলছে, সুন্দরী আমার জন্য উনি শুধু ঘটকালী করবে, আমি শুধু বলেছি, 'ও নানা, লাগবে না, আপনাদেরও এখন আর বিশ্বাস নাই!'
.
নানায় তো আরো পুরান পাপী, বলে, 'তোমার দরকার না থাকলে কি আমি বুড়ো বয়সে আরেকটা করে দেখিয়ে দিবো নাকি যে আমি এখনও পারি?'
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই মে, ২০২০ রাত ৮:২৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


