বাংলাদেশে যেমন বিদেশী মিশন গুলো গুলশান,বনানীতে অবস্থিত তেমনি সৌদি আরবেও বিদেশী মিশন গুলোর জন্য সৌদি কৃর্তপক্ষ নির্ধারিত জায়গা তৈরী করে রেখেছে,যার নাম দেওয়া হয়েছে Diplomatic Quater। সৌদি আরবে অবস্থানরত বিদেশী মিশন গুলোর অধিকাংশই এই Diplomatic Quater এ অবস্থিত।যে কোন ট্যাক্সি চালক কে বললে সে অনায়াসে আপনাকে সেখানে নিয়ে যেতে পারবে।
আর বাংলাদেশ দূতাবাসের অবস্থান হচ্ছে ঐ Diplomatic Quater এর বাহিরে, যা বাংলাদেশী ট্যাক্সি চালক ছাড়া বিনদেশী বেশীরভাগ ট্যাক্সি চালক চিনেন না। অফিস পাড়া ছেড়ে একটি আবাসিক এলাকার ভেতরে অবস্থিত আমাদের এই দূতাবাস। যে কোন নতুন লোককে আমাদের দূতাবাস খুজে পেতে অনেক কষ্ট পেতে হয়। বছর দুইয়েক আগে দুইবার গিয়েছিলাম আমার পাসর্পোট নবায়ন করার জন্য, আবার গত সপ্তাহে যেতে হয়েছিল আমার প্রথম পোষ্টে উল্লেখিত কাগজ পত্র গুলো নিয়ে। রাস্তাভূল করে প্রায় একঘন্টার ও বেশী সময় ঘুরেছি দূতাবাসের কাছাকাছি। অবশেষে মহল্লাটি খুজে পেয়েছি। আমার ভাগ্য ভাল যে আমি কোম্পানীর গাড়ি ড্রাইভ করছিলাম তাই ভাড়া গুনতে হয় নাই তা না হলে ট্যাক্সি ওয়ালাকে বাংলাদেশী হাজার টাকা দিতে হত।
আমার মত শত শত লোক প্রতিদিন আমাদের প্রিয় দেশের এই দূতাবাসটিতে আসেন কিন্তু এর আশেপাশে নেই কোন দোকানপাঠ বা হোটেল রেস্তোরা। বিভিন্ন কাজে এসে মানুষকে সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয় ক্ষুদা আর তৃষ্ণার জ্বালা সহ্য করে।
এখানে নেই কোন অভিযোগ/সাজেশন বক্স,নেই কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলার কোন সুযোগ।
উল্লেখ্য যে সৌদি আরবে বাংলাদেশী প্রবাসীদের দুজায়গা থেকেই পাসর্পোট নবায়ন সহ দূতাবাসের সাথে সর্ম্পকিত বিভিন্ন কাজ কর্ম সারতে হয় প্রথমটি হচ্ছে বাংলাদেশ দূতাবাস রিয়াদ আর দ্বিতীয়টি হচ্ছে কনসুলেট অফিস জেদ্দা। এই দুই শহর ছাড়াও আরও অনেক শহর আছে যে খানে হাজার হাজার বাংলাদেশী বসবাস করেন কিন্তু তাদে সেবার জন্য নেই কোন ব্যাবস্থা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


