এ কেমন নিয়তি!
উল্টো পথের যাত্রী হয়ে হাঁটতে হয় প্রতিনিয়তই,
আমার ভাললাগাগুলো কারো মন ছোঁয় না;
প্রিয় যা, সবই মূল্যহীন,
কর্মব্যস্ততা শেষের মুহুর্তগুলো আমার হয়ে থাকে না;
চাপিয়ে দিতে চায় ওরা নিজেদের মতামত।
নিশ্চুপ বসে থাকলে কারো যায় আসে না কিছু অথবা
শুয়ে থাকা অলস সময় কাটিয়েও যদি দেই, বলে না কেউ কিছু,
যখনি বারান্দায় সবুজের কাছাকাছি হই
ওদের চোখে মুখে বিরক্তির রেশ ফুঁটে উঠে,
বলেই ফেলে, লতা পাতা লাগিয়ে কি লাভ?
যত্নআত্তি যত চুপি চুপিই সাড়তে হয়।
অবসর মুহুর্তে ডুবাই যদি মন বইয়ে;
তাকানো দেখলেই আত্মা শুকিয়ে যায়!
বাপরে কি অন্যায়ই না করে ফেলেছি,
গোটা পঞ্চাশ বই হা করে তাকিয়ে আমার দিকে...
বিমর্ষ বইগুলি বিরক্তি রেশ যেনো পাতায় পাতায়;
রাগে ক্ষোভে আলমারির তাকে পড়ে বইয়ের বদন হয়েছে হলদেটে..
অপেক্ষায় শুধু আমার হাতের স্পর্শের।
সব ইচ্ছা জলে ভাসিয়ে দিয়ে যখন ডুবতে চাইলাম লেখার সমুদ্রে!
হায়!সেখানেও বাঁধ সাধে নিয়তি,
চুপচাপ বসে বিশ্রাম নিতে নিতে অথবা
টিভি বিনোদনে চোখ রাখতে রাখতে...
মনের কষ্ট ব্যর্থতাগুলো মোবাইল কী বোর্ডের টাচে তুলে দেই যখন
তখনো কেনো কারো দৃষ্টি এড়াতে পারিনা!
সাহিত্যিক হতে চায়, কবি হতে চায় বলে আওড়ায় বিদ্রুপাত্মক বুলি।
কটাক্ষগুলি কানে শেলের মতো বিঁধে ;
মনের ভিতর সুনামি, নার্গিস, টর্নেডো, সাইক্লোন বয়ে যায়,
ঠিক করে নিয়ে মনে মনেই বলি,
সব ছেড়েছুঁড়ে দিলেও আমি লিখা ছাড়তে পারবো না বাবা!
আমি কবিও হতে চাই, সাহিত্যিকও না,
আমি শুধু আমিই, আমার মনের খোরাক
আমার আনন্দ, আমার ভাল থাকার উপায় আমি এখানেই খুঁজে পাই,
সব থেমে গেলেও আমার কলম থামবে না বলে দিলাম,
তোমরাই বলো! আমি কি আর লিখব না??
(20 August 2014at 22:28)


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

