somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

» প্রকৃতির ছবি, দেশের ছবি (ক্যানন ক্যামেরায় তোলা)(কবিতায় ভরা কিন্তু-সাবধান!)

০৮ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:৩৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



=পিটুনিয়ার প্রেমে=
পিটুনিয়া ফুলের রঙে, মন মেতেছে আজ যে
ফুলগুলো সব ধরে আছে, ম্যাজেন্ডা রঙ সাজ যে,
কলমি ফুলের মতই ওরা, পাপড়ির গড়ন গাড়ন
জলের ছোঁয়া পেয়ে, গাঢ়-রঙ করেছে ধারন!
ফুল বাগানে পিটুনিয়া, দুলছে হাওয়ার তালে
ম্যাজেন্ডা রঙ শাড়ি পড়ে, ঝুলে আছে ডালে।
কি-যে ভালো দেখতে ওদের, মন ছুঁয়ে যায় সুখে
হাত বাড়িয়ে ছুঁলে ওদের, সুখের কাঁপন বুকে।
===================================================================
ক্যানন ক্যামেরা তোলা বিভিন্ন সময়ের ছবি। প্লিজ লেখা পছন্দ না হলে কেবল ছবি দেখুন। সুন্দর ছবিগুলো মিস করলে কী ভালো লাগবে বলুন। এদেশের মাটি ঘ্রাণ এসব মিশে আছে প্রতিটি ছবিতে। আশাকরি ভালো লাগবে আপনাদের। আমি ফটোগ্রাফার না। কিন্তু ছবি তুলতে ভালোবাসি। ছবির দোষগুণের চেয়ে বড় হলো এই দেশের এই প্রকৃতির ছোঁয়া সেটাই দেখুন না হয়।
==================================================================



২। সেই_প্রজাপতি_প্রহর_আমার
ক)
এই যে আমি দৌঁড়াচ্ছি গো, মেয়েবেলা ছুঁয়ে ছুঁয়ে
কে রেখেছে এখান'টাতে, আমার অতীত রুয়ে
ভালো লাগায় যায় ভরে যায়, মন হয়ে যায় নদী
সুখের ঊর্মি পড়ে উপছে, আহা নিরবধি।
সেই কিশোরী আমি ছিলাম, আমার মেয়েবেলা
মেঘের সাথে করতাম নিত্য, উড়া ভাসার খেলা।
২।
এই যে কিশোরী'রা তোমাদের দেখলেই আমি
ফিরে যাই আমার মেয়েবেলা
তোমাদের এমন উচ্ছ্বলতা আমাকে শান্তি দেয় মনে অথৈ,
বয়স ঝাঁপিয়ে পড়ুক আমার উপর তাতে কি,
শোনো মেয়েরা, আমি চির তরুণ
আমি উচ্ছ্বল এখনো,
তোমাদের পায়ের উপর ভর করে আমি হই উচ্ছ্বল কিশোরী
হাওয়ার সাথে বাঁধা তোমাদের পা
উড়ছো শূন্যে, খুশির ঝলক মুখশ্রীতে,
কার না ভালো লাগে এমন প্রহর।
==================================================================



৩। দুপুর রোদগুলো এভাবেই আঁচড়ে পড়ে রক্ত রঙ ফুল পাপড়িতে
পায়ে চলার পথ, ওদের দেখে থমকে দাঁড়াতেই হয়
মৌ মৌ ঘ্রাণ হাওয়ায় হাওয়ায় ভাসে, নাক টেকে নি:শ্বাস নিতেই
ক্লান্তিগুলো দূরে হয় উধাও, বলো না এমন শান্তি পাবে কোথাও?
বুনো লতা পাতা আর ঘাসের ফাঁকে ঝরে পড়া লাগলিঙ্গম
কি মুগ্ধ হাসিতে মাখামাখি ওদের ঠোঁট গতর
হেম মুকুট মাথায়, নত হয়ে যেনো কূর্ণিশ করছে সবুজের পায়ে।
===============================================================



৪। কত শত মুগ্ধতা এখানে পায়ের কাছে হুমড়ি খায়
কেউ পা মাড়িয়ে পথ চলে,
কেউ সন্তর্পণে হেঁটে দু'চোখে মুগ্ধতা কুঁড়ায়
ভেজা মাটির সোঁধা গন্ধ নাকে টেনে আমিও মুগ্ধতা সব
চোখ শাটারে ক্লিক করে জমাই আর
টানিয়ে রাখি মনের দেয়ালে!
ইট পাথরের শহর ছেড়ে গেলেই এক ঝাঁক শান্তির পায়রা
আমায় উড়িয়ে নিয়ে যায় স্বস্তির বুকে.....
ভালো লাগার সময়গুলো বড্ড অল্প
তবুও কম নয় যেনো-
ক্লান্তির প্রহরে চোখের কিনারে ভেসে উঠে ক্ষণে ক্ষণে
সেই সেই মুগ্ধতার প্রতিচ্ছবি।
=============================================================



৫। = পোকা হবো এবার=
নীড় বাঁধি গিয়ে ফুলের পাপড়িতে,
দুনিয়ার হাঙ্গামা- চাহিদার হাপিত্যেশ ভাল্লাগে না আর
কল্পপুরীর গল্প হয়ে যাক জীবন,
একটি প্রহর হোক তোমার আমার
এসো ভেবে নেই আমাদের পোকা জীবন
তুমি আমি পিলপিল হেঁটে বেড়াই এ-ফুল হতে ও -ফুলে!
পেটের ক্ষিদেগুলো মরে যাক,
আমরা ভ্রমর হবো মধু খেয়ে তৃষ্ণা মেটাবো।
লোকালয়ের আড়ালে কিছুটা ক্ষণ তুমি আমি
ঘ্রাণ নেই জীবনের, কোনো এক নির্জনে,
জীবন উপভোগের মাত্রা দেই এ'যাত্রা বাড়িয়ে, যদি থাকো রাজী!
==================================================================



৬। =মোহজাল=
মোহজাল বিছানো পৃথিবী আমার
হাঁটতে গেলেই হোঁচট খাই
চোখ ধাঁধানো রঙের বুকে সেঁটে থাকতে ইচ্ছে দিবানিশি
চোখ তুলে তাকালেই দৃষ্টি বিভ্রম, পড়ে যাই ধাঁধাঁয়
রঙ রঙ আর রঙ, চারিদিকে বিছিয়ে আছে কত শত মোহ রঙ
ব্যস রঙের মোহে গলে গেলেই, রঙে চোখ আটকে গেলেই
খপ করে ধরে ফেলে মোহজাল আর
ভালোবেসে ফেলি রঙের ভুবন,
অতপর: মোহ মন মগজ চিবিয়ে খেয়ে,
শেষে ছুঁড়ে ফেলে বার্ধ্যক্যের নদীতে;
বাকী জীবন কেটে যায় অনুশোচনায়।
====================================================================



৭। ©কাজী ফাতেমা ছবি
=এইতো আমার দেশের ছবি=
এইতো আমার দেশের ছবি,এই তো আমার ছায়া ঘেরা গ্রাম
সোঁধা মাটির ঘ্রাণ মাখানো বেলা,
মাছের সাথে পাল্লা দিয়ে স্রোতের সাথে বয়ে চলা ফুল পাখিদের মেলা
এই যে আমার দেশের ছবি,
যেথায় যায় বয়ে যায় মিষ্টি হাওয়া ছড়িয়ে আরাম।

যেথায় ফুলের গায়ে লেগে থাকে প্রজাপতির ডানা
দিগন্ত জোড়া সবুজ ধানক্ষেতের দূর্বাঘাস মোড়ানো আল
যেথায় লতা পাতায় শিশির মুক্তো,
টোল পড়া সেই কিশোরির লাজুক রক্তিম গাল
এই যে আমার দেশের ছবি,
যেথায় লম্বা পায়ে দাঁড়িয়ে থাকে কানা বগির ছানা।
=======================================================



৮। ©কাজী ফাতেমা ছবি
=মেঠোপথে আসবি হেঁটে?=
মেঠোপথের দূর্বাঘাসে, পা রাখবি কী তুই
এখানটাতে রুয়া আছে শিউলী বেলী জুঁই,
আঁকাবাঁকা পথে পথে, হাঁটবি কী তুই পাশে
এখানটাতে শাপলা কুঁড়ি, জলের উপর হাসে।
ধানের ক্ষেতের আলে আলে, নগ্ন পাঁয়ে যাবি
এখানটাতে ভেজা মাটি, মনে শান্তি পাবি।
ছোট্ট বাড়ি কুঁড়েঘর যে, বসবি ধূলার উপর
মাথায় দিবি সবুজবরণ, গাছের পাতার টুপর।
======================================================



৯। =মনে কি পড়ে?=
এই তোদের মনে কি পড়ে, মেয়েবেলার দিনগুলো সেই
যে দিনগুলো হাতের মুঠোয় আরতো বেঁচে নেই,
খোয়াই নদী বর্ষার জলে ডুবে যখন যেতো
উথাল পাথাল নদী তখন যৌবনের মাত্রা পেতো,
একূল ওকূল দুইকূলে জল,
নদী উপছানো জল ছলচ্ছল.....
হঠাৎ জল ঝড়ের বেগে ভেঙ্গে দিতো পার
বন্যা বইতো সারা গায়ে, ডুবতো জমি ফসলি-ডুবতো বাঁশের ঝাঁড়।
মাঠে ঘাটে জলে ভরা, ক্ষেত খামারীও সব ডুবে
গায়ের লোক ফেলতো জাল মাছ ধরার লোভে!
মনে কি পড়ে দিনগুলো সেই
খুশি জোয়ার বইতো মনে, হারাতাম সুখে খেই?
কলাগাছের ভেলায় করে ভাসতাম জলের উপর
কেটে যেতো হই হুল্লোড়ে সকাল থেকে দুপুর।
======================================================



১০। ঘ্রাণমাখা এক বিকেল হাওয়ায় চলো বসি গিয়ে
কোন এক ফুল বাগানের ঘাস ছুঁয়ে,
ফুরফুরে হয়ে উঠবে মন দেখে নিয়ো
আর ক্লান্তি'রা উড়ে যাবে দূর বহুদূর।

এবেলা বড্ড পেরেশানীতে কেটে যাচ্ছে ফুলেল ক্ষণগুলো
তুমি জানো, আমিও জানি ফিরে আসে না আর কিছু
এই ফুলের ঘ্রাণ, ফুলেল সময়, প্রজাপতি প্রহর
আর মনের উচ্ছ্বলতা,
ফেলে গিয়ে পেছনে সব, কেবল ভেবে নেই যাক চলে যাক এবেলা
ওবেলা না হয় হাতে তুলে নেবো খানিকটা সময় নিজের করে।

অথচ আজ যায়, কাল যায়, পরশুও যায়
ব্যস্ততার গায়ে সেঁটে থাকি তুমি আমি
আমাদের সময়গুলো অগোছালো পড়ে আছে
গোছানোর যে সময়, সে সময় হাত ফসকে ধূলোয় খাচ্ছে গড়াগড়ি
উঠানোর জন্য নুয়ে পড়লেই ক্লান্তি এসে ঝেঁপে ধরে
নেতিয়ে পড়া দেহ কেবল বিছানা খুঁজে।
===========================================================



১১। =ভালোবাসি মাতৃভূমি=
এখানে দিবাকর মুখ লুকায় গাছের আড়ালে
আর গাছ'রা দিবাকরের ভ্রুকুটি এড়িয়ে ছায়া দিয়ে যায় নিবিড়
কি-যে এক শান্তির ধারা বয়ে যায় আলতো হাওয়ার ঝাপটায়।

এখানে সবুজের হাতছানি দিগন্ত জুড়ে
প্রতিটি ভোরের বুক যেনো স্নিগ্ধতায় মাখামাখি
আলতো ছুঁয়ে দিলেই এক প্রশান্তি বয়ে যায় শিরদাঁড়ায়।

এখানে সবুজ'রা সাদা মেঘ ছুঁয়ে গেয়ে যায় শুদ্ধতার গান
চারিদিকে কড়কড়ে রোদ্দুর, তবুও এখানে সুশীতল হাওয়া
নদীর জলের ঢেউয়ে ঢেউয়ে কচুরীপানার দল,
যেনো এক শান্তির ভেলা,
উজান হতে ভাটিতে বয়ে যায় ছলাৎ ছলাৎ ছল।
================================================



১২। #এই_যে_পাখি_আসছি
পাখি তুই ডেকে যাস নৈ:শব্দের এক অদ্ভুত সুরে
নি:সঙ্গতা তোকে রাখে ঘিরে-থেকে যাস একাকিত্বের ঘোরে!
বেছে নিয়েছিস যে জীবন, সেখানে মুগ্ধতা নেই-নেই উচ্ছ্বাস
কি জানি কি অদ্ভুতূড়ে জীবন তোর-যেনো বুকে করিস নিত্য ব্যথার চাষ!
ভারিতিরি মুখ-হাসি নেই ঠোঁটে-নিরিবিলি, এ কেমন হলো থাকা
দেখে নিয়েছিস তো-কেউ নেই পাশে-চারিদিক তোর ফাঁকা।
ডাকলে আর কাছে কে দেবে সারা?
তুই হবি একদিন সকল হারা!
======================================================



১৩। =ভালোবাসার কাব্য=
তুমি আমি ফড়িং হবো, পদ্ম পাতায় উড়ে বসবো
ডানা নেড়ে হাওয়ার তোড়ে, দু:খ সুখের অঙ্ক কষবো!
তুমি আমি ব্যাঙও হবো, পদ্ম পাতায় বসবো চুপে
একটুখানি দেখলে বিপদ, ঠিক লুকাবো বুনোঝুঁপে।
প্রজাপতি হতে পারি, পদ্মপাতায় যাবো দুলে
বিলি কেটে দেবে মাথায়, খোপা আমার দেবো খুলে।
তুমি আমি পাখি হবো, পদ্ম পাতায় বসবো উড়ে
বাঁধবে আমায় সুখের তরে, তুমি তোমার বাহুডোরে।
===================================================



১৪। প্রজাপতি বন্ধু হবি?
-------------------
রঙ হলুদের দেশে গো, ফুল ফুটেছে গাঁদা
হলুদ ফুলে বসে আছে,প্রজাপতি সাদা,
সাদা রঙের প্রজাপতি,হলুদ মাখা গায়ে
বসে আছে অভিমানী, সবুজ পাতার ছায়ে।
কে মেরেছে কে ধরেছে, প্রজাপতির ডানা
মারবো তারে আজকে ধরে, মানবো না আর মানা।
প্রজাপতির ডানায় মাখি, হলুদ রঙের তুলি
কাঁদছে বসে প্রজাপতি, মুখেতে নাই বুলি।
প্রজাপতির দুটো ডানা, হরেক রঙে ভরা
রঙ নেবে কেউ চুরি করে, দেয় না সে তাই ধরা।
আমার মুগ্ধতার দুপুর তোমায় দিলাম
=========================================



১৫। =জোনাক পোকা=
দিনে তোকে চিনি নেকো, রাতের বেলায় চিনি
জ্বলো নিভু আলোতে সুখ,বাজে রিনিঝিনি।
দিনের আলোয় পোকা রূপে, গাছের পাতায় থাকিস
রাতের বেলা আঁধারেতে, আলোর ছবি আঁকিস।
দিনে তুইতো পাতা খেয়ে, করিস জীবনধারণ
রাতের বেলা পাতা খেতে, আছে বুঝি বারণ?
দিনের বেলা হোস অচেনা, চিনি রাতের বেলা
আঁধার রাতে ঝোঁপে ঝাঁড়ে, বসাস আলোর মেলা।
দিনের বেলা নেইকো আলো, রাতে ঝরে আলো
হাত বাড়িয়ে ছুঁতে তোকে, লাগে বড় ভালো।
===================================================
আল্লাহ হাফেজ। দেখা হবে না হয়তো এক সপ্তাহেরও বেশী, গ্রামের বাড়ী যাচ্ছি ঈদ করতে। ফিরে এসে মন্তব্যের উত্তর দেবো ইনশাআল্লাহ সহিসালামতে যেনো গিয়ে ফিরে আসতে পারি দোয়া করবেন সবাই। সবাইকে অগ্রিম ঈদ মোবারক। ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন নিরাপদে থাকুন আল্লাহর কাছে তাই প্রার্থনা করি। ফি আমানিল্লাহ।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:৩৯
২১টি মন্তব্য ২১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ব্যাঙের বিয়ে [শিশুতোষ ছড়া]

লিখেছেন ইসিয়াক, ২২ শে অক্টোবর, ২০১৯ ভোর ৫:৫৬


কোলা ব্যাঙের বিয়ে হবে
চলছে আয়োজন ।
শত শত ব্যাঙ ব্যাঙাচি
পেলো নিমন্ত্রণ ।।

ব্যাঙ বাবাজী খুব তো রাজী ,
বসলো বিয়ের পিড়িতে
ব্যাঙের ভাইটি হোঁচট খেলো,
নামতে গিয়ে সিড়িতে ।... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রিয় অগ্রসর তরুণ প্রজন্মকে 'খোলাচিঠি'

লিখেছেন , ২২ শে অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৮:৫৮


প্রিয় অগ্রসর তরুণ প্রজন্ম,

তোমরা যারা ডিজিটাল যুগের অগ্রসর সমাজের প্রতিনিধি তাদের উদ্দেশ্যে দু'লাইন লিখছি। যুগের সাথে খাপ খাইয়ে ওঠতে অনেক কিছু আস্তাকুঁড়ে ফেলতে হয়। সেটা কেবলই যুগের দাবি, চেতনার চালবাজি... ...বাকিটুকু পড়ুন

পত্রিকা পড়ে জেনেছি

লিখেছেন রাজীব নুর, ২২ শে অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১:২৮



খবরের কাগজে দেখলাম, বড় বড় করে লেখা ‘অভিযান চলবে, দলের লোকও রেহাই পাবে না। ভালো কথা, এরকমই হওয়া উচিত। অবশ্য শুধু বললে হবে না। ধরুন। এদের ধরুন। ধরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনার ভারত ভ্রমণ নিয়ে অপ-প্রচারণার ঝড়

লিখেছেন চাঁদগাজী, ২২ শে অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১০



বাংলাদেশের প্রতিবেশী হচ্ছে ২টি মাত্র দেশ; এই ২টি দেশকে বাংগালীরা ভালো চোখে দেখছেন না, এবং এর পেছনে হাজার কারণ আছে। এই প্রতিবেশী ২ দেশ বাংলাদেশকে কিভাবে দেখে? ভারতর... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতা -মেলা

লিখেছেন পদাতিক চৌধুরি, ২২ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:০৭







উপরে মূল কবিতার স্ক্রিনশট:-

মেলায় এসেছে খুশি এনেছে নিজের সঙ্গে,
বেরোও সবাই ঘর থেকে বসে আছো কেন ঘরে?
মেলার দিনে সবাই থাকে আনন্দে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×