
ধোঁয়ার নিচে নগর ঘুমায়,
নিয়নের আলোয় মৃত মানুষের মুখ জ্বলে ওঠে।
উৎসব চলছে—
কিন্তু সবার চোখে ঈশ্বরহীনতা।
ঢাকের শব্দে আমি শুনি
শত বছরের ক্ষুধা,
ভাঙা স্বপ্নের কফিন টেনে নেয়া মানুষের হাঁপানি।
হাসির আড়ালে দাঁড়িয়ে থাকে
একদল নীরব কসাই।
রাত আজ মাতাল,
রক্তমাখা চাঁদ ঝুলে আছে আকাশের গলায়।
আর আমি—
এক নির্বাসিত আত্মা,
শহরের প্রতিটি দেয়ালে লিখে যাই
" বিদ্রোহের শ্লোগান ”
তবুও ড্রামের তালে তালে
সভ্যতা নিজের কবর খুঁড়ে যায়।
মুখোশ পরে প্রেমিকেরা চুমু খায়,
আর বিশ্বাস ধীরে ধীরে
গলিত দেহের মতো ঝরে পড়ে রাস্তায়।
আমি দেখেছি—
এক মাতৃহীন ভোর
কারখানার ধোঁয়ার পাশে বসে কাঁদছে।
আমি দেখেছি—
মানুষের ভেতরের পশু
ধর্মের পোশাক পরে যুদ্ধ ঘোষণা করছে।
তারপরও আলো জ্বলে।
তারপরও উৎসব থামে না।
কারণ এই পৃথিবী
মৃত্যুকেও আতশবাজির মতো উদযাপন করতে শিখেছে।
আর শেষ রাতে
যখন সব শব্দ নিভে যাবে,
তখন শুধু একা দাঁড়িয়ে থাকবে
এক ক্লান্ত গিটার—
যার প্রতিটি distorted সুরে
লুকিয়ে থাকবে
মানুষ হওয়ার ব্যর্থ ইতিহাস।
আশরাফুল মাখলুকাতের বর্বর নগ্ন ইতিহাস।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:১২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


