somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমি আর আমার ভার্সিটি

১৫ ই মে, ২০১০ রাত ৯:৫১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আজকে অনেক দিন পর লিখতে বসলাম। লেখা হয় না অনেক দিন। অনেক কারন তার। যাই হোক আজকে লিখতেছি আমার ভার্সিটি নিয়ে, মিলিটারি ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনলজি। কাহিনী হচ্ছে অ্যাডমিশন নেবার আগে আমি খুব একটা ডিটেইল জানতাম না এটা নিয়ে; এবং মজার ব্যাপার হচ্ছে ভর্তি হবার পর দেখছি বাইরের লোকজনও খুব একটা জানে না। সবাই ভাবে ওইখানে ইঞ্জিনিয়ারিং না পড়ায়ে আর্মি জাতের কিছু একটা শেখানো হয়, হাহাহা ।
মিলিটারি ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনলজি (এম.আই.এস.টি) মিরপুর ১২, ক্যান্টনমেন্ট এর ভিতরে।আমি যখন ওইখানে সি এস সি পাইলাম আমার খুশি তখন দেখে কে। কিন্তু কাহিনী হইয়াগেল যখন জানতে পারলাম ঐখানে পিচ্চি পোলাপাইনের মত ড্রেস পরে যেতে হয়। কিন্তু আমি শেষ পর্যন্ত এইখানেই ভর্তি হলাম।
এটা একটা পাবলিক ভার্সিটি কিন্তু এখনো তেমন একটা পরিচিতি মনে হয় পায় নাই। তবে একটা জিনিস এখানে স্পেশাল। সেটা হইল বাংলাদেশের একমাত্র পাবলিক ভার্সিটি যেটাতে অ্যারনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ানো হয় (ভাব আর কি)। লোকেশনটা অনেক সুন্দর। নতুনরা একবার আসলেই ভাবে, আহা রে এত সুন্দর একটা ভার্সিটি! আর যখন শুনে এখানে ড্রেস পড়া লাগে তখন ভাবে, এখানে না পড়ে ভালোই হইছে। আসলে ড্রেস বলতে আর্মি টাইপের কিছু না। মার্জিত কালারের প্যান্ট শার্ট। কোন ইয়ো কিংবা ডিজে র যেন আবির্ভাব না হয় খুব সম্ভবত তাই এই ব্যাবস্থা। ক্লাসের স্টুডেন্টদের মধ্যে আমরা বেশির ভাগই সিভিলিয়ান। আর আমাদের সাথে আর্মি, নেভি আর এয়ার-ফোর্সের ভাইয়া আপুরা থাকেন। ওনারা সবাই অফিসার, এখন ইঞ্জিনিয়ারিং করতে এসেছেন ওনাদের জব এর অংশ হিসেবেই। তবে ক্লাসে সবাই আমরা স্টুডেন্ট সবাই ই একসাথে পড়ি।
এখানে অন্য পাবলিক ভার্সিটির মত মজা করার চান্সটা একটু কম। তবে এই ব্যাপারটাতে একবার মানায়ে নিতে পারলে এখানে অনেক মজা করা যায়। হলের লাইফটা এখানে চরম। ক্লাসের পরিবেশ অলওয়েজ স্ট্যান্ডার্ট। প্রতেক্টা রুমে প্রজেক্শন করে পড়ানোর ব্যাবস্থা আছে। আর মজার ব্যাপার হল ক্লাসরুমের পিসি গুলাতে ল্যান কানেক্ট করা ব্যাবস্থা আছে। তবে এখনো কেন যানি কানেক্ট করে নাই। খুশির খবর হল পুরা ক্যাম্পাস ওয়াই-ফাই কাভারেজ করছে, আর দুঃখের খবর এখন আর মাগনা মাগনা ওয়াই-ফাই গেটওয়ে দেয়া হয় না সবাইকে।ভার্সিটি লাইফটা সবাই যেমনটা আশা করে আমাদের লাইফটাও তেমনই; তবে ডিফরেন্সটা হচ্চে এখানে কিছুটা মাত্রা মেনে মজা করতে হয়। এই মুহুর্তে পি এল এর বন্ধ চলতেছে। আর দুই সপ্তাহ পর আমার টার্ম টার্ম-এন্ড পরীক্ষা।
১৩টি মন্তব্য ১১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ফ্যামিলি কার্ডের স্বার্থে তেলের দাম বৃদ্ধি মেনে নিতে হবে

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:১৯


দীর্ঘ সতেরো বছর পর আমরা পেয়েছি একটি নির্বাচিত সরকার । অনেকে ভালোবেসে ইহাকে জনগণের সরকার বলে থাকেন । জনগণের সরকারের উপর একটু আস্থা রাখুন । সরকারকে সময় দিন ;... ...বাকিটুকু পড়ুন

চাপ

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:৩১



রাজধানী ঢাকা সহ দেশের নানা অঞ্চলে টমটম, অটোরিক্সা, নসিমন, করিমন চলাচল করে। বেশ মানুষজন পরিবহন সহ মালামালের বস্তাও টানাটানি করতে দেখা যায়। কিন্তু এইগুলোর দেশ হচ্ছে গ্রাম গঞ্জের বাজার আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার সমাধিতে কোনো ফলক রেখো না

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:৪৪


আমার সমাধিতে কোনো ফলক রেখো না
আমার ডক্টর উপাধিটি মুছে দিও
জ্ঞানী, কবি, দরবেশ, সাধক, সফল, ব্যর্থ
এসব কোনো শব্দই যেন
মাটির ওপর দাঁড়িয়ে আমাকে আলাদা না করে।

কারণ আমি দেখেছি
অহংকার খুব সূক্ষ্ম... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৮ বছর পর্যন্ত সবাই শিশু!

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:৫৬

১৮ বছর পর্যন্ত সবাই শিশু!

শিশুর অধিকার রক্ষা অবশ্যই সভ্য সমাজের দায়িত্ব। কিন্তু প্রশ্নটা তখনই কঠিন হয়ে ওঠে, যখন ১৭ বছর ১১ মাস ২৯ দিন বয়সী কেউ ধর্ষণ বা হত্যার মতো... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফুনফুনা ফুন

লিখেছেন রাজীব নুর, ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৩৩



ছয় হাজার হাজার আগে পৃথিবীর জনসংখ্যা ছিলো মাত্র দশ লাখ।
হ্যা দশ লাখ। পুরো পৃথিবীর সব জায়গায় মানুষ থাকতো না। বনজঙ্গল ছিলো। আর সমুদ্র এবং নদী। পাহাড় পর্বত।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×