প্রতিবাদী বুলেটিন 14: শেষ হলো প্রতীকি প্রতিবাদ। নিজের ও অন্যের মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে সমুন্নত রাখুন ও নির্ভয়ে নিজের ভাবনা প্রকাশ করুন।
০৬ ই মার্চ, ২০০৬ দুপুর ১:২২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আন্তর্জালে অভূতপূর্ব প্রতীকি প্রতিবাদ বাংলাদেশের সময় হিসেবে শেষ হয়েছে। যারা এই প্রতিবাদে অংশ নিয়ে লেখালেখি বন্ধ রেখেছিলেন তাদেরকে দূরদর্শিতা ও বলিষ্ঠ মনোভাবের জন্য সংগ্রামী অভিনন্দন। যারা বাধাহীনভাবে মতামত প্রকাশের জন্য সোচ্চার হয়েছেন, সমর্থন জানিয়েছেন তাদেরকে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা। যারা ভীরু ভীরু পায়ে ও শংকিত বুকে এই নীতিগত লড়াইকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন তাদেরকে অযুত অভিনন্দন। সত্যিকার স্বাধীনতা ছাড়া লেখালেখি তা যে মাত্রায়ই হোক না কেন, অর্থহীন। সৃজনশীলতা ও মত প্রকাশের জন্য চাই উদার আকাশ। বাংলা ব্লগসাইটের এই ক্ষেত্রভূমিকে আমরা তাই সেই চেতনায় উজ্জীবিত করতে চেয়েছি। যারা অধিকার আদায়ের লড়াইকে 'নেতিবাচক রাজনীতি' মনে করে ঘরের দরজা জানালা বন্ধ করে তথাকথিত শান্তিখুঁজেন তারা বিপদাক্রান্ত হলে সংগ্রামীর আশ্রয়েই এসে ঠাঁই নেন। সাহসী, সংগ্রামীরা একে কোনো লজ্জার বিষয় হিসেবে দেখেন না। সবাই নেতৃত্বের দায়িত্ব নিতে পারেন না।
পিছিয়ে থাকা যেকোনো জনগোষ্ঠীর জন্য মত প্রকাশের স্বাধীনতা, অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই জরুরি একটি বিষয়। এর গুরুত্ব অনুধাবন করে সবাই স্বাধীন মত প্রকাশে এগিয়ে আসবেন, এটাই কাম্য। অন্যের মত অপছন্দ হলে তার বক্তব্য পরিহার করার ক্ষেত্রে আপনার ব্যক্তিগত স্বাধীনতা রয়েছে। কিন্তু অন্যের মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে স্তব্ধ করার জন্য আপনার নিজস্ব নীতিবোধের নামে সন্ত্রাসী কায়দা বেছে নেয়াটা একটি মধ্যযুগীয় পন্থা। ধর্ম, জাতি, সংস্কৃতি, সমাজ ইত্যাদি যেকোনো যুক্তিতে অন্যের মতকে স্তব্ধ করার পদ্ধতি বর্বরতার পরিচায়ক। বর্বরতার কাছে মাথা বন্ধক দেবেন না। 'অন্ধকারের জীব'দের কাছে আলোকে জিম্মি হতে দেবেন না। বিভিন্ন মত ও চিন্তার সহাবস্থানে অভ্যস্ত হয়ে উঠুন। নিজের মত প্রকাশের স্বাধীনতা বজায় রাখার পাশাপাশি অন্যের মত প্রকাশের অধিকারকেও বাধামুক্ত করুন।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই মার্চ, ২০০৬ দুপুর ১:২৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বিশ্বকাপের এই মৌসুমে ফুটবল নিয়ে একটা দারুণ হার্ট লিফটিং মুভি দেখে ফেললাম - "Next Goal Wins"
গল্পটা আমেরিকান সামোয়ার জাতীয় ফুটবল দলকে নিয়ে। ২০০১ সালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৩১-০ গোলে হেরে...
...বাকিটুকু পড়ুনআইন সমাজ নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি নয়। আইন দৃশ্যমান, প্রতিরোধযোগ্য। সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি হলো মানুষকে নিজেই নিজের আনন্দ নিষিদ্ধ করতে শেখানো। জীবন থেকে আনন্দের উচ্ছেদ ঘটানো। এই কাজটি বাংলাদেশে গত... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুলাই মাসটা আবার ঘুরে ফিরে আসতেই দেশের রাজনৈতিক পাড়ায় পারদ চড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে যারা গত দুই বছর আগের আন্দোলনের ফসল ঘরে তুলেছেন, তাদের কাছে এই জুলাইয়ের...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
রাজীব নুর, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ সকাল ৮:৪৯

বাঙালির উদরঘাটতি থাকলেও উৎসবে সদা মশগুল!
দ্যাশ নতুন কইরা স্বাধীন হইছে গো!
রঙবেরঙে পতাকায় বিলুপ্ত স্বজাতির মানচিত্র!
শুধু পতাকায় সীমাবদ্ধ নেই!
মনে হচ্ছে পাল্টে গেছে জাতীয়তা!
মধ্যরাতে ভেঙে যায় সুনিদ্রা কর্কশ...
...বাকিটুকু পড়ুন
জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হায়াতো ইকেদা ১৯৬০ সালের শেষভাগে তাঁর বিখ্যাত "ইনকাম ডাবলিং প্ল্যান" বা "আয় দ্বিগুণকরণ পরিকল্পনা" চালু করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিনিক্স পাখির মতো জাপানের অর্থনৈতিক...
...বাকিটুকু পড়ুন