somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এই পোস্টটি লেখক নিজে সরিয়ে ফেলেছেন, বিস্তারিত জানতে পোস্টটির লেখকের সাথে যোগাযোগ করুন।

আলোচিত ব্লগ

একটি চক্ষু ভূতের গল্প.....

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:০৪



ভূতের চোখ পেত্নির চোখ ওমা!
চোখের ভুতে ধরছে
এই তোমরা কী-জানো বাপু
কান্ডটা কে করছে?

একচোখা এক পেত্নির চোখে
রঙের ডিব্বা ঢেলে
রঙ আকাশে উড়ছে কে রে
রঙীন ডানা মেলে?

আবার দেখি রঙধনু চোখ
রঙ লেগেছে চোখে
এমনতরো পাগলামিতে
বলবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জন্মসূত্রে সৌভাগ্য ও আল্লাহর দায়মুক্তি

লিখেছেন ফরিদ আহমদ চৌধুরী, ১২ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৭:৪৫



জন্মসূত্রে কেউ মানুষ, কেউ বড় লোক, কেউ মুসলমান, কেউ সুদর্শন, কেউ নিকৃষ্ট প্রাণী, কেউ গরিব, কেউ অমুসলিম, কেউ কূৎসিৎ, কেউ প্রতি বন্ধী, কেউ নারী, কেউ পুরুষ। সবার প্রাপ্তি সমান... ...বাকিটুকু পড়ুন

তোমার স্পর্শ উল্লাসে!

লিখেছেন হাবিব স্যার, ১২ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:০০


ছবি:গুগল থেকে....

তোমাকে নিয়ে লিখতে গিয়ে দেখি
চতুর্দশপদী কবিতারাও বেয়াড়া হয়ে যায়,
শব্দেরা আর অষ্টক-ষষ্টকে বাঁধা পড়তে চায় না।
অষ্টক ছাড়িয়ে যায় তার গন্ডি.....
ষষ্টকও মিশে যায় অষ্টকে!
চতুর্দশপদী কবিতা তখন খিলখিল করে হাসে,
আমিও হাসি... ...বাকিটুকু পড়ুন

সরলা পঞ্চানুভব

লিখেছেন বিদ্রোহী ভৃগু, ১২ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:০৪




একদিন শেষ হবে সকল ব্যস্ততা
মুছে যাবে গোধুলির রং
স্মরণের আঁধারে কেবলই স্মৃতিতে
চোখের জলেই খুঁজো বরং।


না সোনা, সীতা হয়োনাকো- পারবনা হতে রাম
পারবনা নিতে অগ্নি পরীক্ষা- অগ্নিসম
জ্বলবে আমারই বুক-তোমার অগ্নি... ...বাকিটুকু পড়ুন

দলবাজি, তৈলবাজিরে হ্যা বলুন !!! (দলবাজ, তৈলবাজ ব্লগারদের প্রতি উৎসর্গিত !)

লিখেছেন টারজান০০০০৭, ১২ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১:০২



১। সাহেব ও মোসাহেব

---- কাজী নজরুল ইসলাম।


সাহেব কহেন, “চমৎকার! সে চমৎকার!”
মোসাহেব বলে, “চমৎকার সে হতেই হবে যে!
হুজুরের মতে অমত কার?”

সাহেব কহেন, “কী চমৎকার,
বলতেই দাও, আহা হা!”
মোসাহেব... ...বাকিটুকু পড়ুন

নির্বাচিত ব্লগ

গুলিয়াখালী বীচ ছবি গ্যালারী

লিখেছেন দুরন্ত গতি, ১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:৪৮


সবুজে ঘেরা গুলিয়াখালী বীচ


চন্দ্রনাথ পাহাড় ঝর্ণা



সূর্যাস্থের সময় গুলিয়াখালী বীচ


অনন্ত যাত্রার সাক্ষী এ বীচ ...বাকিটুকু পড়ুন

পঞ্চাশ-ষাট দশকের নিবেদিত প্রাণ এক কলম সৈনিক জহুর হোসেন চৌধুরী ৩৮তম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি

লিখেছেন নূর মোহাম্মদ নূরু, ১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪০


প্রখ্যাত সাংবাদিক জহুর হোসেন চৌধুরী, সাংবাদিকতায় এক অবিসংবাদিত নাম। প্রগতিশীল চিন্তাধারার এই কলম সৈনিক তাঁর জীবদ্দশায় বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গিতে নিরন্তর লিখে গেছেন। পেয়েছেন ব্যাপক জনপ্রিয়তা। তিনি একাধারে একজন সাংবাদিক, সম্পাদক, কলামিস্ট ও রাজনীতিবিদ। জহুর হোসেন চৌধুরী পূর্ব পাকিস্তানের হতভাগ্য মেহনতি মানুষের জন্য যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে গেছেন তা আমাদের সাংবাদিকতার ইতিহাসের স্বর্ণোজ্জ্বল অধ্যায়। প্রগতিশীল রাজনৈতিক আন্দোলনের পাশাপাশি পূর্ববাংলার স্বায়ত্তশাসন, স্বাধীনতা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধে তাররভূমিকা ছিল গৌরবোজ্জ্বল। জহুর হোসেন চৌধুরী তাঁর জীবনের বেশির ভাগ সময় সংবাদপত্র জগতে ব্যয় করেছেন। তার সাংবাদিক জীবনের সূচনা হয় প্রয়াত হাবীবুল্লাহ বাহার সম্পাদিত ‘বুলবুল’ পত্রিকায়। ১৯৫১ সালে ” সংবাদ “-এ সহকারী সম্পাদক হিসেবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জালিয়ানওয়ালা বাগ গণহত্যা!

লিখেছেন রেজা ঘটক, ১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:৪০

১৯১৮ সালের ১১ নভেম্বর সকাল ১১টায় প্রথম বিশ্ব যুদ্ধ শেষ হয়। Germany signed an armistice (an agreement for peace and no more fighting) that had been prepared by Britain and France. ১৯১৯ সালের ২৮ জুন ভার্সাই শান্তি চুক্তি অনুসারে জার্মান আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম বিশ্ব যুদ্ধে পরাজয় স্বীকার করে। এদিকে বাবাকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে ঐতিহাসিক এই ঘটনার কয়েক সপ্তাহ পর ১৯১৯ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর আইসিএস পরীক্ষার জন্য সুভাষ চন্দ্র বসু ইংল্যান্ড গমন করেন।

প্রথম বিশ্ব যুদ্ধে বৃটেন একটি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে যুদ্ধ শেষে ব্রিটিশ শাসিত কলোনিয়াল দেশগুলোকে একে একে স্বাধীনতা প্রদান করবে। ফলে যুদ্ধ শেষ হলেও ভারতে তখন স্বাধীনতা আন্দোলন বেগবান... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেষ বিকেলের রোদে কিছু হাঁটাহাঁটি ফুরিয়ে এলো নিমেষে

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:১৬

এখন অগ্রহায়ণ মাসের শেষ ক'টা দিন চলছে। এসব দিনে বিকেল বলতে কিছু থাকেনা। মধ্যাহ্নভোজের পর এটা সেটা করতে করতেই সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসে। বিকেলটা কখন হারিয়ে যায়, টেরই পাওয়া যায় না। এসব দিনের হ্রস্বতার কারণে দৈনন্দিন অনেক কাজই আমি সময় মত সমাপ্ত করতে পারিনা, ফলে কেমন যেন একটু অস্থিরতায় থাকি। এ নিয়ে একটি কবিতাও লিখেছিলাম, বছর তিনেক আগেঃ হ্রস্ব দ্বিপ্রহরে দীর্ঘ বিক্ষিপ্ততা


Radiant ..... দীপ্তিমান

গতকাল বিকেলে একটু হাঁটতে নেমেছিলাম। শারীরিক প্রয়োজনে যতটা নয়, অগ্রহায়ণের বিকেলের শেষ রোদের আমেজটুকু উপভোগ করতে তার চেয়ে বেশী। আমাদের হাঁটার জন্য যে পথ, তার চারপাশে কিছু ছোট ছোট জায়গা জুড়ে সুন্দর সুন্দর কিছু ফুলের চারা লাগানো... ...বাকিটুকু পড়ুন

গেঁয়ো শীতঃ ০২; সিডি, ডিভিডি'র দিন; বিএফ সেকাল একাল!

লিখেছেন মাহবুবুর রহমান টুনু, ১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:৫৬



আমরা যখন ফোর/ফাইভে পড়ি তখন দেখেছি আমাদের পুরো গ্রামজুরে বিদ্যুৎ ছিল না কারোর বাড়িতেই। দু এক বছর বাদে বৈদ্যুতিক সংযোগ এসেছিল তবে কারোর বাড়িতে নয়, জমিতে পানি দেবার জন্য যে সেচ পাম্প ছিল ক্ষেতের মধ্যে, বহু আকাঙ্ক্ষিত বিদ্যুতের তারের দৌড় ছিল সে পর্যন্তই। কারো কারো বাড়িতে বৈদ্যুতিক সংযোগ হয়েছিল পরবর্তীতে, সেটা ছিল চোরাই লাইন, চালাতেও হত চোরের মত, সেও আবার বিদ্যুৎ অফিসের লোকেদের নিয়মিত ঘুষ দিয়ে। ডিস এর সংযোগ ছিল না। টেলিভিশন ছিল গ্রামে গুটিকয়েক বাড়িতে, দুটি বা তিনটি বাড়ি হবে হয়তো। টেলিভিশন চালাতে হতো ব্যাটারি দিয়ে, যতক্ষণ ব্যাটারিতে চার্জ আছে ততক্ষণ টেলিভিশন চলছে, চার্জ নাই তো টেলিভিশন বন্ধ।... ...বাকিটুকু পড়ুন