





এখন প্রতিদিন সরকারের একজন যুগ্মসচিব মহোদয়ের সাথী হয়ে ঊনার গাড়ী করে উত্তরা থেকে মতিঝিলে আমার অফিসে যাই।সচিবালয়ের গেইটে নেমে একটু হেটে ষ্টেড়িয়াম হয়ে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ভবনে আমার অফিসে যাই। প্রতিদিনের মত সকাল 9.15 টার সময় যখন ষ্টেড়িয়াম হয়ে যাচ্ছিলাম তখন দেখা মিলে আমার মেঝো ছেলে ওয়াসিরের বয়সী দুজন শিশুর একজন খালি গায়ে অন্যজনের গায়ে জামা ছিল।দুজনকে একটু আদর করে ড়াকতেই গায়ে ভিড়ল। জিজ্ঞাস করতেই বলল মা-বাবা কেউ নেই দুজনেই ষ্টেড়িয়ামে দিন রাত কাটায়।তাদের বাবা, মা কে বিয়ে করে ফেলে চলে যায় এবং মা নাকি অন্যত্র বিয়ে করে কোথায় চলে গেছে তা তারা জানেনা। বরাবরই জিজ্ঞাস করলাম সকালে কি খেয়েছে বলল কিছুই না। দুপুরে নাকি বিভিন্ন জনের ফেলে দেওয়া উচ্ছিষ্ট খাবার বেছে বেছে খায়। এরই মধ্যে বায়তুল মোকাররমের সামনে দাড়িয়ে এক চা দোকানে রুটি ও কলা খাওয়ালাম অতঃপর আমার অফিসে নিয়ে গিয়ে কোথায় কিভাবে দিন কাটে সব জিজ্ঞাস করলাম। বলল পুরাতন পল্টনের ভিতরে একটি ক্লাব আছে সেখানে দুপুরে পড়াশোনা করলে খাবার দেয়। খুব ইচ্ছা হল তা দেখতে তাদের সাথে নিয়ে যাওয়ার পথে দুজনকে দুটি কান টুপিসমেত মোটা কাপড়ের গেন্জী কিনে দিলাম। কি যে খুশী ঐ মূহূরতে দেখলে ঠিক ঠিক বুঝতেন। রিক্সায় চড়ে গেলাম ঐ ক্লাবে আসলে ওরা বলে ক্লাব কিন্তু তা হল আইরিশ পরিচালিত একটি নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মেয়েদের বাচ্ছা রখার ডে কেয়ার। অভূতপূরবঅ এক কাজ।বিনা খরচে শ্রমজীবী মহিলাদের শিশুর ডে কেয়ার এবং দিনের বেলায় আগত পথ শিশুদের দুপুরে খাবার খাওয়ায় ও কিছুটা শিক্ষা দেয়। এখানের অনেক শিশুদের সাথে কিছুক্ষন কাটিয়ে তাদের মিষ্টি খাওয়ানোর সামন্য কিছু টাকা দিয়ে নীজ অফিসে ফেরত আসি। অনেক ভাল লেগেছিল এরকম শিশুদের আদর করুন সম্ভব হলে তাদেরকে স্হায়ী পুনরবাসন করুন দেখবেন অনেক ভাল লাগবে। আমি সুযোগ পেলেই এ রকম শিশুদের সাথে সময় কাটাই তখন খুব ভাল লাগে।দিনের শুরুটা ভালই কেটেছিল ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



