somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ভালোবাসার ভাষা

২১ শে আগস্ট, ২০২৩ দুপুর ১২:২৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


@Riverside Memorial Park Cemetery
06 August 2023, 18:12

মানুষ তার প্রিয়জনকে তাদের জন্মদিন, বিবাহ বার্ষিকী ইত্যাদি বিশেষ দিনগুলোতে ভালবাসার কথা শোনায়, ভালোবাসার কথা লিখে কার্ড দেয় এবং ভালো কিছু খাবার দাবারের ব্যবস্থা করে থাকে। প্রাপক এসব ভালোবাসার বাণী, অভিব্যক্তি এবং ছোঁয়া পেয়ে উৎফুল্ল হয়, আপ্লুত হয়। কিন্তু প্রিয়জনদের চিরপ্রস্থানে মানুষ তাদের ভালোবাসার কথা মৃতব্যক্তিকে শোনাতে পারে না, তাই তারা খুবই সংক্ষেপে তাদের গভীর আবেগ অনুভূতির কথা মৃত ব্যক্তির সমাধি ফলকে লিখে রাখে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এসব কথায় মৃত ব্যক্তিদের জীবন সম্পর্কে একটি যথার্থ, সূক্ষ্ম ও সত্য প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠে। আমি এসব আবেগ অনুভূতির কথা পড়ে অভিভূত হই।

আমি বেশিরভাগ সময় কোন পরিচিত ব্যক্তির মৃত্যুর খবর পেলে তার দাফন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে চেষ্টা করি। আবার অনেক সময় কোন উপলক্ষ ছাড়াই ক্ববরস্থানে যাই। আমার বাসার অনতিদূরে একটি ক্ববরস্থান আছে, সেখানে যাই। আমার মত নগণ্য একজন মানুষের দোয়া কারও উপকারে লাগবে, এমন কখনো ভাবি না, তবে ক্ববরস্থানে গেলে আমি সবসময় সেখানে শায়িত সকল মৃত ব্যক্তিদের জন্য দোয়া করে থাকি। এতে আমি নিজেই প্রশান্তি লাভ করি। ফেরার সময় থেমে থেমে ক্ববরের গায়ে লেখা সমাধিলিপি (এপিটাফ) গুলো পড়ি। বেশিরভাগ এপিটাফের কথা গতানুগতিক; নাম-ধাম, জন্ম-মৃত্যু তারিখ উল্লেখপূর্বক মৃত ব্যক্তির সংক্ষিপ্ত পরিচয় ছাড়া সেখানে আর কিছু থাকে না। তবে কিছু কিছু এপিটাফে ভাস্বর হয়ে থাকে ভালবাসার অনুভূতি এবং ছোঁয়া। সে সব ক্ববর দেখেই বোঝা যায়, ক্ববরগুলোর নিয়মিত পরিচর্যা করা হয়। শুধু ক্ববরস্থানের মালি বা কর্মচারীদের দ্বারাই নয়, মৃতের ভালোবাসার অন্য কোন মানুষও হয়তো মাঝে মাঝে সেখানে নিয়মিত এসে ছোঁয়া দিয়ে যান। সম্প্রতি কানাডা অবস্থান কালে একদিন আমাদের নাতনি আনায়াকে তার তায়েকান্দো ক্লাসে প্রবেশ করিয়ে দিয়ে আমি নিছক হাঁটাহাটির উদ্দেশ্যেই চারপাশের এলাকায় হেঁটে বেড়াচ্ছিলাম। হঠাৎ একটি বেষ্টনি দেয়া এলাকার দিকে চোখ পড়তেই বুঝতে পারলাম, সেটা একটি বিশাল সমাধিক্ষেত্র। সেখানে প্রবেশ করে দেখলাম, শতশত সমাধিফলক সারি সারিতে বিন্যাসকৃত। কয়েকটি সমাধিফলকের লেখা পাঠ করে বুঝতে পারলাম, সেটা মূলতঃ একটি সামরিক সমাধিক্ষেত্র।


বছর দুয়েক আগে একদিন আমাদের ছেলে আর বৌমা কানাডা থেকে ভারাক্রান্ত কণ্ঠে ফোনে জানিয়েছিল যে ক্যান্সারে আক্রান্ত (টার্মিনালী ইল) তাদের এক প্রতিবেশীর স্ত্রী খুব অল্প সময়ের মধ্যে মারা গেছেন। কথাটা আমার মনে ছিল। সেদিন শহরের অনতিদূরে এক ক্ববরস্থান অতিক্রমকালে আমার ছেলে আমাকে জানিয়েছিল যে তাদের সেই প্রতিবেশী সেখানেই সমাধিস্থ হয়েছিলেন। কয়েকদিন পরে আমি ছেলেকে বলেছিলাম আমাকে সেই ক্ববরস্থানে ড্রপ করে আসতে, আর ঘণ্টা দেড়েক পরে এসে ফিরিয়ে নিতে। কিন্তু যাই যাচ্ছি করে আর যাওয়া হচ্ছিল না। অবশেষে কানাডা ত্যাগ করার ৫/৬ দিন আগে তাকে পুনরায় স্মরণ করিয়ে দিলে সে আমাকে এক অপরাহ্নে সেখানে নিয়ে যায়- Riverside Memorial Park Cemetery তে। সেখানে আমি অনেকক্ষণ ধরে হেঁটে হেঁটে ক্ববরগুলো দেখেছি, কিন্তু সেই মহিলার ক্ববরটিকে শনাক্ত করতে পারিনি, তবে অন্য কয়েকজন মুসলমান নারী পুরুষের ক্ববর দেখেছি। আমি আমেরিকাতে দেখেছি, আজ এখানেও দেখলাম যে ক্ববরস্থানগুলোতে সব ধর্মবিশ্বাসীদের, যারা মৃতদেহকে ক্ববরস্থ করে, একই ক্ববরস্থানে সমাহিত করে। শুনেছি আমেরিকার কোন কোন এলাকায় মুসলমানদের জন্য পৃথক ক্ববরস্থানও রয়েছে, তবে সে সংখ্যাটা অনেক কম। একই ক্ববরস্থানে সব ধর্মবিশ্বাসীদের সমাহিত করার ব্যাপারটি আমার কাছে ভালো লাগে। পৃথিবীতে জীবিত অবস্থায় আমরা শান্তির সাথে সহাবস্থান করতে না পারলেও, মৃত্যুর পরে আর কোন বিভেদ থাকে না। সত্যিই, “Death is the greatest leveler”!

এইসব ক্ববরস্থানের সমাধিলিপিতে উৎকীর্ণ আপনজনদের বিষাদমাখা ভালোবাসার বাণীগুলো পড়ে ভালোবাসার এমন নিবিড় অনুভূতি মনকে আচ্ছন্ন করে রেখেছিল। সবগুলো পড়তে ইচ্ছে হচ্ছিল, কিন্তু তা পড়তে গেলে বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা পেরিয়ে রাত হয়ে যেত। তবুও ঘুরে ঘুরে বেশ কয়েকটা বাণী পড়লাম, কিছু ছবিও তুললাম। গত বছর প্রায় একই সময়ে অর্থাৎ ০৩ জুলাই ২০২২ এ গিয়েছিলাম মেলবোর্ন এর ‘Bunorong Memorial Park’ যাদের আদর্শবাণী (motto) - 'Honouring and Celebrating Life' আমার খুব ভালো লেগেছিল। সেখানে দেখা কিছু সমাধিফলকের বাণী দিয়ে আজকের এ বাণী সংকলনের কাজটি শুরু করলাম। সবগুলো সমাধিক্ষেত্র থেকে দৈবচয়ন ভিত্তিতে নির্বাচিত কয়েকটি ভালোলাগার বাণীঃ

*একজন প্রয়াত বাবার প্রতি তার সন্তানদের শ্রদ্ধাঞ্জলিঃ
"We miss you in so many ways
We miss the things you used to say
And When old times
We do recall
it’s then we miss
You most of all".

*'To know her was to love her' - ২০০৫ সালে ৬৮ বছর বয়সে প্রয়াত Pamela Rose de Little এর ফলকে উৎকীর্ণ বাণী।

*"Always in our thoughts, forever in our hearts".... যথাক্রমে ২০২১ এবং ২০২০ সালে ৯১ এবং ৮৭ বছরের পরিণত বয়সে প্রয়াত Keith Mervyn Henshall এবং Thelma Frances Henshall এর ফলকে উৎকীর্ণ বাণী। তাদের দু'জনার মৃত্যুর মাঝে মাত্র ৮ মাস ২০ দিনের ব্যবধান ছিল। সফল, পরিপূর্ণ এবং পরিপূরক জীবন বলা যায়!

*"Weep not she has gone,
But smile that
She has been.
Close to our hearts she
Will always stay,
Loved and remembered
Everyday."
পরিণত বয়সে প্রয়াত এক বয়স্ক দম্পতির ফলকে উৎকীর্ণ বাণী, যারা ৮৮ (স্বামী) এবং ৯০ (স্ত্রী) বছর বয়সে প্রয়াত হয়েছিলেন।

একটা বিষয় এখানে লক্ষ্য করেছি যে অনেক মানুষ তার পোষা প্রাণীটিকে এতই ভালোবাসেন যে তারা চান, তাদের মৃত্যুর পর তাদের পোষা প্রাণীটিকেও (বিশেষ করে বিশ্বস্ত কুকুরটিকে) যেন তাদের পাশে সমাহিত করা হয়। এখানে আমি অনেক কুকুরের স্মৃতিফলক দেখেছি, যেখানে তাদের প্রতি হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসার কথা উৎকীর্ণ হয়ে আছে। যেমনঃ
*"Loving and faithful to the end, family pet and constant companion in life", (pet dog) KARA is "now resting at peace with June (KARA’র মনিব)"।

*এক ব্যক্তির ক্ববরের পাশে তার পোষা কুকুরের একটি মূর্তি স্থাপন করে তাতে লেখা হয়েছেঃ ‘Companion for Eternity’। দেখে মনে হয়, মূর্তির কুকুরটি আজও যেন তার মনিবকে পাহাড়া দিচ্ছে!

*"No night can darken the sunlight of her memory" – ২৬ এপ্রিল ২০১১ তারিখে ৮৫ বছর বয়সে প্রয়াত Ruth Jane এর ফলকে উৎকীর্ণ বাণী।

*"She is a sparrow when she is broken but she is an eagle when she flies" – ০৫ মে ২০১১ তারিখে ৪৯ বছর বয়সে প্রয়াত Edwina Denise এর ফলকে উৎকীর্ণ বাণী।

*"Miss me but let me go" – ২০ ফেব্রুয়ারী ২০০৮ তারিখে ৯১ বছর বয়সে প্রয়াত Leona Maanum এর ফলকে উৎকীর্ণ বাণী।

*"Her joy was in kindness" – ৬৮ বছর বয়সে প্রয়াত Drina E. এর ফলকে উৎকীর্ণ বাণী।

*"She was the sunshine of our home" – ৫৮ বছর বয়সে প্রয়াত Fay Mary এর ফলকে উৎকীর্ণ বাণী।

*"We worked together in happiness, now we rest together in peace" - George এবং Irene নামের এক দম্পতির ফলকে উৎকীর্ণ বাণী।

এ পোস্ট যখন লিখছি, তখন একটা ভাবনা মনে উদয় হলো, আচ্ছা আমার জন্য কোন এপিটাফ লেখা হবে কি? কে জানে! ভাবতে ভাবতে নিজেই নিজের জন্য কবিতা আকারে একটা এপিটাফ লিখে ফেললামঃ


Thoughts of an Epitaph

A chapter has just closed,
Another one will soon begin.
Oh Lord, keep my soul in peace
In between!

Shed not a drop of tear,
Oh you who stand here!
Life was good being amid you
Pray, sigh whispers of love, a few!


Dhaka
20 August 2023


ঢাকা
২০ অগাস্ট ২০২৩
শব্দ সংখ্যাঃ ১০৩৩


06 August 2023, 17:43, @Riverside Memorial Park Cemetery,


06 August 2023, 17:50, @Riverside Memorial Park Cemetery


06 August 2023, 17:54, @Riverside Memorial Park Cemetery


06 August 2023, 18:14, @Riverside Memorial Park Cemetery


06 August 2023, 18:28, @Riverside Memorial Park Cemetery


06 August 2023, 18:45, @Riverside Memorial Park Cemetery


06 August 2023, 18:55, @Riverside Memorial Park

Cemetery


06 August 2023, 18:57, @Riverside Memorial Park Cemetery


06 August 2023, 18:58, @Riverside Memorial Park Cemetery


06 August 2023, 19:09, @Riverside Memorial Park Cemetery


30 May 2023, 19:41, @At a Military Cemetery


30 May 2023, 19:4০, @At a Military Cemetery


30 May 2023, 19:4০, @At a Military Cemetery


30 May 2023, 19:36, @At a Military Cemetery


30 May 2023, 19:34, @At a Military Cemetery


সূর্য বিদায় নেয়ার আগে যেন ক্ববরগুলোকে আলোচুম্বন করে যাচ্ছে!
30 May 2023, 19:03, @At a Military Cemetery


03 July 2022, 14:29 @Bunorong Memorial Park, Melbourne, Australia.


03 July 2022, 14:12 @Bunorong Memorial Park, Melbourne, Australia.


03 July 2022, 15:21 @Bunorong Memorial Park, Melbourne, Australia.

পোস্ট-পরবর্তী সংযোজনঃ


তেমন কিছুই লিখা নেই, কিন্তু তবুও, একটা অক্ষরের একটা শব্দই যথেষ্ট আবেদনময়।
বনানী সামরিক কবরস্থান, ২৮ অগাস্ট ২০২৩, সকাল ১১-০০
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে আগস্ট, ২০২৩ রাত ১১:২২
২১টি মন্তব্য ২১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

নিশীরাতের ভিখারিনী

লিখেছেন সোনাগাজী, ০৩ রা মার্চ, ২০২৪ ভোর ৪:৩৬



এটি একজন দরিদ্র আফ্রিকান আমেরিকান মেয়ের কাহিনী।

আমি তখন নিউইয়র্ক শহর থেকে ১১০ মাইল উত্তরে এক গ্রামে একটি কোম্পানীতে কাজ করতাম; শনি, রবিবারে নিউইয়র্ক শহরে গিয়ে কিছু ছেলেমেয়েকে চাকুরীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

বইমেলার কবিতার বই: পাঁচ বছরে বাজারে এসেছে প্রায় ছয় হাজার, মান নিয়ে বিতর্ক

লিখেছেন এম ডি মুসা, ০৩ রা মার্চ, ২০২৪ সকাল ১১:৫২

তবে কবিতার মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন গবেষণারাও। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক বায়তুল্লাহ কাদেরী বলেন,হ্যাঁ, কবিতার মান ঠিক নেই। কিন্তু এখন মান দেখার তো লোক নেই। যার যেমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

পবিত্র মাহে রমজানের প্রস্তুতি -ঈষৎ সংশোধিত পুনঃপোস্ট

লিখেছেন নতুন নকিব, ০৩ রা মার্চ, ২০২৪ দুপুর ১২:৫৩

পবিত্র মাহে রমজানের প্রস্তুতি

ছবিঃ অন্তর্জাল হতে সংগৃহিত।

প্রাককথনঃ

দেখতে দেখতে পবিত্র মাহে রমজান-২০২৪ আমাদের দোড়গোড়ায় এসে উপস্থিত। রমজান, মুমিনের জীবনের শ্রেষ্ঠতম আনন্দের ক্ষণ, অফুরন্ত প্রাপ্তির মাস, অকল্পনীয় রহমতলাভের নৈস্বর্গিক মুহূর্তরাজি। রমজান... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাপ-মেয়ের দ্বৈরথ

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ০৩ রা মার্চ, ২০২৪ সন্ধ্যা ৬:৫৩


আমার দাদির ঝগড়াঝাঁটির স্বভাব কিংবদন্তিতুল্য ছিল। মা-চাচীদের কাছ থেকে শোনা কষ্ট করে রান্নাবান্না করলেও তারা নাকি নিজে থেকে কখনও মাছ-মাংস পাতে তুলে খেতে পারতেন না। দাদি বেছে বেছে দিতেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

বৃষ্টি খাতুনই অভিশ্রুতি, এনআইডিতে নাম সংশোধনের আবেদন করেছিল। ধর্মান্তরিত হওয়ার পিছনে দায়ী কে?

লিখেছেন এম ডি মুসা, ০৩ রা মার্চ, ২০২৪ রাত ৮:৩৩





বেইলি রোডের সেইদিনের অগ্নিকাণ্ডে নিহত অভিশ্রুতি শাস্ত্রীর প্রকৃত নাম বৃষ্টি খাতুন। অভিশ্রুতি ও বৃষ্টি খাতুন নামে দুইজন একই ব্যক্তি বলে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ সূত্রে নিশ্চিত... ...বাকিটুকু পড়ুন

×