২৫ মার্চ বাঁশখালী থেকে আল্লারদান-১, আল্লারদান-২ ও মোক্তার ফিশিং নামের ৩টি ট্রলারে করে মোট ৩১ মাঝি সমুদ্রে মাছ ধরতে যান। একদিন মাছ ধরার পর ২৬ মার্চ
গভীর রাত থেকে ট্রলার তিনটি নিখোঁজ হয়।
চট্টগ্রামের বাঁশখালী ও কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী আলী আকবর ডেইল নামক
এলাকার পশ্চিম-উত্তর বঙ্গোপসাগরের ৬০কিলোমিটার গভীর থেকে প্রথমে তিন জেলের লাশ উদ্ধার করা হয় সোমবার। এর একদিন পরই একই এলাকা থেকে জলদস্যুদের হত্যাকাণ্ডের শিকার আরও ১৭ জেলের
মৃতদেহ উদ্ধার করে কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর সদস্যরা। এ নিয়ে উদ্ধার করা লাশের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ জনে। এখন পর্যন্ত ১১ জন জেলে নিখোঁজ রয়েছেন।
গতকাল অর্থাৎ ২ মার্চ এতো বড় একটা সংবাদ বেশ
কয়েকটি চ্যালেনে যেভাবে ট্রিটমেন্ট দেওয়া হয়েছে তাতে দর্শক হিসেবে আমি কষ্ট পেয়েছি। এত বড় একটা সংবাদ
এতো পড়ে কেন??? শীর্ষ একটি টেলিভিশন চ্যানেল তো রিপোর্টই করেনি...সংবাদ পাঠক ২০/৩০ সেকেন্ড ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন মাত্র।
অথচ তিন চারজনের ছোট ছোট কয়েকটি মিছিল দিয়ে বিশাল হরতালের রিপোর্ট হয়। আজ যদি ঢাকায় একজনের হাত পা বাঁধা লাশ পাওয়া যায় তাহলে তো সেই সংবাদ বিশাল ট্রিটমেন্ট পেতো।
আল্লাহ মাফ করুন যেন এমন না হয় তারপরও বলছি...আজ যদি কোনো সামরিক বাহিনীর কোনো সদস্য, পুলিশ কিংবা আইনজীবী কিংবা সাংবাদিকের লাশ
পাওয়া যেতো তাহলেও ট্রিটমেন্ট অনেক অনেক অনেক ভালো হতো। একজন দর্শক হিসেবে এ মতামত আমার।
আর ওরা যেহেতু জেলে....সহজ সরল গরিব...সংখ্যায় ১৭ জনের লাশ হলেও তাতে কিই বা যায় আসে আমাদের????

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

