ছোট-খাটো মানবীয় গঠনে,ঘোর অন্ধকারে নায়কের আগমনঃ ১৯ আগস্ট, ১৯৩৫
দৃশ্য ১ঃ ১৯৫২'র ২১শে ফেব্রুয়ারি,ঐতিহাসিক আমতলা সমাবেশে যুবক জহির রায়হান।
দৃশ্য ২ঃ এপ্রিল ১৯৭০,কলকাতায় 'জীবন থেকে নেয়া' চলচিত্র মুক্তি-
যার শ্লোগান ছিলোঃ
'একটি দেশ
একটি সংসার
একটি চাবির গোছা
একটি আন্দোলন
একটি চলচ্চিত্র...'
কীর্তিঃ
'সঞ্জীবনী' পত্রিকায় রবীন্দ্রনাথের স্বাক্ষরে মুদ্রিত হওয়া 'আমার সোনার বাংলা' গানটি এই চলচিত্রে উপস্থাপিত হয়
যা পরবর্তীকালে স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতে রুপান্তর হয়।
দৃশ্য ৩ঃ নায়কের নিজের পকেট ফাঁকা থাকলেও চলচিত্র প্রদর্শনী থেকে প্রাপ্ত টাকায় 'মুক্তিযুদ্ধ তহবিল'-কে পুষ্ট করেছেন।
দৃশ্য ৪ঃ আপন ভাই বুদ্ধিজীবী ও লেখক শহীদুল্লা কায়সার কে আল বদর বাহিনী অপহরণ করলে
ভাইয়ের খুঁজে মিরপুর এসে আর ফিরে যেতে পারেন নি।
কথিত আছে,বিহারী ও ছদ্মবেশী পাকিস্তানী সৈন্যদের গুলিতে তিনি নিহত হন।
ব্যাথিত হৃদয়ে,আলোর প্রাচুর্য ফেলে,অন্ধকারে নায়কের প্রস্থানঃ ৩০ জানুয়ারি, ১৯৭২।
পাদটীকাঃ এখানে প্রমানিত হয় যে,স্বাধীনতার দোষর স্বাধীনতা লাভের পরও রয়ে গেলো।
দৃশ্য ৫ঃ (মরণোত্তর)
সেকালের ফিল্মে ধারণকৃত ২০ মিনিটের ডকুমেন্টারি 'স্টপ জেনোসাইড'
যা পরবর্তীতে ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্স থেকে হারিয়ে যায় বলে শুনা যায়।
এযাবৎকাল পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক শ্রেষ্ঠ সংক্ষিপ্ত চলচিত্র,
যা আন্তর্জাতিকভাবে মানবগোষ্ঠীর টনক নড়াতে সক্ষম হয়েছে।
আমরাও বোধহয় হারিয়ে গেছি ,ঔপন্যাসিক,চলচিত্রকার জহির রায়হানের হারিয়ে যাওয়া ফিল্মের মতো।
আজ অবধি,কোন মহান নায়কও বোধহয় আমাদের টনক নড়াতে পারেননি।আমাদের ঘুম ভাঙ্গাতে পারেন নি।
আমরা কতো অনায়াসেই বিহারীদের সাথে মিশে যাই
আমরা কতো অনায়াসে বিহারীদের সেবা গ্রহন করে ফেলি।
ভাই,কুটিলতার আশ্রয় নিলে,নিচ তলা থেকে উপরতলায় যেতে কতোক্ষণ?
আমার ভাইয়েরা স্বাধীনতার সূর্য দিয়ে গেছে,আলো আমাদেরকেই ছড়িয়ে দিতে হবে,হাজার হাজার বছর ধরে।
আমরা আধুনিক হতে গিয়ে,নিজেদের লেভেল অন্যমাত্রায় নিতে গিয়ে
চারপাশের মানুষগুলোর সাথে,তাদের মতো মুজ-মাস্তি করতে গিয়ে
হারিয়ে ফেলি নিজেকে,নিজের ভাষা কে,নিজের সংস্কৃতিকে।
ভুলে যাই,নিজেদের নায়কদের কে।
ভাই আগে নিজের জাত বাঁচা,নিজেকে দেখিস পরে।
একটা কথা বলি,জহির রায়হান স্যাররা কিন্তু জীবনে মাস্তি কম করেন নাই,
আমি-আপনি যা করি তার চেয়েও ঢের বেশীই করেছেন।
দুই-দুই জন রুপালি জগতের হার্টথ্রব নায়িকাকে নিয়ে সংসার করেছেন
আবার দেশের সর্বোচ্চ স্বার্থে নিজেকে বিলিয়েও দিয়েছেন অনায়াসে।
গৌরবের মাসে এমন একজন মহান নায়ক সম্পর্কে কিছু জানাতে পেরে আমি গর্বিত।
আলোচিত ব্লগ
ধর্মোন্মাদদের কল্পিত বাস্তবতা এবং "দি ম্যাট্রিক্স" এর নীল বড়ি

বাংলাদেশ ধর্মোন্মাদ ও জঙ্গিদের কবলে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কল্যানে এদের ধর্মোন্মাদনা দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ছে।
ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে, কদিন আগে সাতক্ষীরায় একদল ধর্মোন্মাদ ওয়াহিদুজ্জামান শামীম নামের এক যুবককে পিটিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন
যারা ব্রয়লার মুরগী খায় তারা সমকামী

ওয়াজ শোনেন অথচ মুফতি কাজী ইব্রাহিম হুজুরকে চেনেন না, এমন মানুষ বাংলাদেশে খুব কমই আছেন। হুজুরের আরেকটি বড় পরিচয় হলো, তিনি করোনার ওষুধ স্বপ্নে পেয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন। হুজুর... ...বাকিটুকু পড়ুন
শেইপ শিফটার ৩ - মাছ কন্যা

২০১১ এর দিকে নর্থ –ইয়র্কে থাকাকালীন রুমার বাসার আশেপাশে তেমন কোন বাঙালি দোকান ছিল না ।সেই টরোন্টর নামকরা চাইনিজ সুপারমার্কেট –টা বেশ দূরে। পায়ে হেঁটে যাওয়ার পথ নয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন
প্রাইভেট টেলিফোন কম্পানি হলে কেমন হতো?

গত ব্লগে টেলিফোন নিয়ে বলেছিলাম। মোবাইল থেকে টেলিফোনে কল দেওয়া বা রিসিভ করা যেতো না। শুধু টিএনটি একটিভ করা সিমে টেলিফোনে কল করা যেতো। বা টেলিফোন... ...বাকিটুকু পড়ুন
যে পথ ধরে রথো রাফি হেঁটে যেতেন: চলে গেলেন ব্লগার রাফি
কবি, ব্লগার ও অনুবাদক রথো রাফির স্মরণ
রথো রাফি ব্লগ
রথো রাফি আর নেই—সত্যটি মেনে নেওয়া ভীষণ কঠিন। একজন মানুষের চিরপ্রস্থানের পর আমরা কেবল তার শারীরিক অনুপস্থিতিই টের পাই না, বরং গভীরভাবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।