somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বার্ড-ফ্লু / এভিয়ান-ফ্লু এবং সোয়াইন-ফ্লু প্রতিরোধের জন্য সময় থাকতেই সুদূর প্রসারী যথাযথ পরিকল্পনা গ্রহণ ও তা বাস্তবায়ন করতে হবে।

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বার্ড ফ্লু / এভিয়ান ফ্লু ও সোয়াইন ফ্লু- ইত্যাদি ভাইরাল রোগগুলো পশু-পাখি থেকে মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হচ্ছে। সোয়াইন ফ্লু রোগটি যে এসেছে সরাসরি শুকর থেকে তা এখন নিশ্চিত। তবে বার্ড ফ্লু বা এভিয়ান ফ্লু- এই নামগুলো শুনলে অনেকে শুধু হাঁস-মুরগিকেই এ রোগের মূল কারণ মনে করে। গবেষণায় দেখা গেছে মূলত ভ্রমণশীল অর্থাৎ বিচরণশীল জলচর বুনোপাখির মধ্যে এই বার্ড ফ্লু বা এভিয়ান ফ্লু-ভাইরাসের উৎপত্তি ঘটে এবং এদের মাধ্যমে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ে।

(1)(http://en.wikipedia.org/) [Transmission and infection of H5N1 from infected avian sources to humans is a concern due to the global spread of H5N1 that constitutes a pandemic threat.
Infected birds pass on H5N1 through their saliva, nasal secretions, and feces. Other birds may pick up the virus through direct contact with these excretions or when they have contact with surfaces contaminated with this material. Because migratory birds are among the carriers of the H5N1 virus it may spread to all parts of the world. Past outbreaks of avian flu have often originated in crowded conditions in southeast and east Asia, where humans, pigs, and poultry live in close quarters. In these conditions a virus is more likely to mutate into a form that more easily infects humans. A few isolated cases of suspected human to human transmission exist, with the latest such case in June 2006 (among members of a family in Sumatra). No pandemic strain of H5N1 has yet been found.


সুতরাং এই ভ্রমণশীল অর্থাৎ বিচরণশীল জলচর বুনোপাখির বিচরণের স্থানগুলোকে, লোকালয় এবং গৃহপালিত পশু-পাখি তথা কবুতর ও হাঁস-মুরগির খামারগুলো থেকে বেশ দূরে সংরক্ষিত কোন অঞ্চলে গড়ে তোলার ব্যবস্থা নিতে হবে। এই ভাইরাসগুলো যেহেতু পশু-পাখি থেকে মানুষে এবং মানুষ থেকে পশু-পাখির মধ্যে সহজেই সংক্রমিত হতে পারে, তাই হাঁস-মুরগির খামার ও চিড়িয়াখানায় প্রবেশের পূর্বে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন।
কবুতর, চড়াই ইত্যাদি পাখিগুলো এক স্থান থেকে অন্য স্থানে উড়ে বেড়ায়। ফলে এই পাখিরা অতি সহজেই বুনো পাখিদের সংষ্পর্শে আসে এবং এদের দ্বারাই ভাইরাসগুলো পরবর্তীতে হাঁস-মুরগির খামারে ছড়িয়ে পড়ে। তাই মুক্তভাবে উড়ে বেড়ানো এই পাখিগুলো যেন হাঁস-মুরগির খামারের ভিতরে ঢ়ুকতে না পারে সেদিকে নজর রাখতে হবে। অযথা লোকালয়ের মধ্যে ঘরে ঘরে বুনো পশু-পাখি পালন না কোরে এগুলোকে বনের মাঝে সংরক্ষণ করাই ভাল। বর্তমানে এ রোগগুলো মানুষ থেকে মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হবার হার খুব কম হলেও কেউ আক্রান্ত হলে তাকে অন্তরণ হাসপাতালে বা পৃথক কোন স্থানে ডাক্তারের পরামর্শমত কিছুদিন সময় কাটানো উচিত। সেইসাথে মানুষকে ও হাঁস-মুরগির খামারগুলোতে সংক্রামক রোগ প্রতিরোধক ভ্যাকসিন দেয়ার ব্যবস্থা নিতে হবে।

(2) http://www.medicalnewstoday.com/ Swine flu (swine influenza) is a disease of pigs. It is a highly contagious respiratory disease caused by one of many Influenza A viruses. Approximately 1% to 4% of pigs that get swine flu die from it. It is spread among pigs by direct and indirect contact, aerosols, and from pigs that are infected but do not have symptoms. In many parts of the world pigs are vaccinated against swine flu.
Most commonly, swine flu is of the H1N1 influenza subtype. However, they can sometimes come from the other types, such as H1N2, H3N1, and H3N2.
Outbreaks of human infection from a virus which came from pigs (swine influenza) do happen and are sometimes reported. Symptoms will generally be similar to seasonal human influenzas - this can range from mild or no symptoms at all, to severe and possibly fatal pneumonia.

সোয়াইন-ফ্লু রোগটি যে ভাইরাস (H1N1, H1N2, H3N1, and H3N2) দ্বারা হয় সেটার উৎপত্তি হয় শূকর থেকে এবং এটি প্রধাণত শূকরের ফুসফুসকে আক্রমণ করে। তবে বর্তমানে এটি শূকর থেকে মানুষে এবং মানুষ থেকে মানুষের মধ্যেও সংক্রমিত হচ্ছে। যেহেতু এ ভাইরাসটি ৬ ফুট দূর থেকেও সংক্রমিত হতে পারে। তাই সংক্রমণ রোধের জন্য তাৎক্ষণিক কিছু ব্যবস্থা নিতে হবে-
• যিনি আক্রান্ত হবেন তাকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব যারা আক্রান্ত হয়নি তাদের কাছ থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। আর এজন্য তাকে বাসায় একটি নির্দিষ্ট স্থানে ৭ থেকে ১০ দিন পৃথকভাবে থাকতে হবে এবং বিশ্রাম নিতে হবে।
• বিশেষ করে হাঁচি, কাশি দেবার সময় মুখে রুমাল বা কাপড় দিতে হবে।
• বেশী করে পানি ও তরল খাবার খেতে হবে এবং চিকিৎসকের পরামর্শমত ওষুধ সেবন করতে হবে।
• শ্বাসকষ্ট বা কোন অস্বাভাবিক অবস্থার সৃষ্টি হলে হাসপাতালে যেতে হবে।
• রুগীর নাক, মুখ মোছার জন্য ব্যবহৃত টিসু পেপার্ ও ডিসপোসেবল-মাস্ক নির্দিষ্ট কোন ঢাকনা দেয়া পাত্রে বা ডাস্টবিনে সাবান-পানি বা ডেটল মিশ্রিত পানিতে জমা করে রেখে পরে সেগুলো গর্তে মাটি চাপা দিতে হবে। ব্যবহৃত রুমাল, তোয়ালে ও কাপড়-চোপড় সাবান ও পানি দিয়ে ভালভাবে ধুতে হবে।
• আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও সেবার জন্য নিয়োজিতদেরকে অবশ্যই মুখে মাস্ক অর্থাৎ মুখোশ ব্যবহার করতে হবে এবং মাঝে মাঝে হাত, মুখ, চোখ সাবান ও পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে।
• শুকরের ফার্মগুলতে ক্রস-ইনফেক্সন রোধের জন্য মানুষ তথা অন্যান্য গৃহপালীত পশু-পাখি ও শুকরের মধ্যে নিরাপদ দূরত্ব রক্ষার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নিতে হবে।

(3) ( http://newdawnmagazine.com.au/) [Meanwhile the US reported a 'low path' H5N2 outbreak of bird flu in Texas in 2004, which has not disrupted US exports. Tyson Foods chief administrative officer Greg Lee is reported by Reuters to have said- 'We are seeing and do expect to see some positive benefit as a result of disruptions in some of the Asian production.' 11 Meanwhile, since May 2005, new outbreaks of high path H5N1 bird flu strain has cut a swathe across poultry in Russia, Greece, Holland, Kazakhstan, Turkey, Romania, Mongolia and Croatia, where massive poultry exterminations have begun. The poultry infection near Eastern Europe has caused widespread suspicion. A member of the Liberal Democratic faction of the Russian State Duma, Aleksei Mitrofanov, has said in a parliamentary speech that bird flu was invented by Americans who wanted to dominate the world’s poultry markets.
US independent public health expert Dr. Len Horowitz notes-
'According to USA Today (October 9, 2005), 'European health officials are working to contain the [avian flu] virus, which so far has not infected anyone in the region.' Although, allegedly "more than 140 million birds have died or been destroyed,... and financial losses to the poultry sector have topped $10 billion." This propaganda actually admits, "the current virus, known as H5N1, has not yet mutated to the point at which it can easily spread from person to person." In fact, it is likely to have never spread from person to person other than during laboratory handling!"
He further states- "In not a single case has human-to-human communicability been confirmed. So long as that remains the case, there is no bird flu threat to the human population of places such as Vietnam, much less the United States."

যেহেতু দেখা গেছে যে, এ ধরনের পরিস্থিতিতে অনেক মহলই বিভিন্ন ধরনের ফায়দা হাসিলের জন্য নানা ধরনের গুজব ও ভীতির সৃষ্টি করে থাকে। তাই সেদিকে কান দেয়া উচিত নয়। বরং এই নাযুক পরিস্থিতিতে মনোবল না হারিয়ে সবেমিলে প্রয়োজনমত উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে।

গবেষণায় দেখা গেছে যে, ইতিমধ্যেই এসব ভাইরাল রোগের চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত ওষুধগুলোর [Anti-Viral drugs- Cap. Oseltamivir(75mg), Inhalation-Zanamivir(5mg)-etc.] প্রতি প্রতিরোধক্ষমতাসম্পন্ন সোয়াইন-ফ্লু ভাইরাসের উদ্ভব ঘটেছে। গবেষকদের মতে এবার সোয়াইন-ফ্লু ভাইরাসিট ততটা ক্ষতিকর মনে না হলেও ভবিষ্যতে এটির জেনেটিক মিউটেশন ঘটার ফলে ক্ষতির মাত্রা অনেক বৃদ্ধি পাবে। সুতরাং শুধু মুখে মুখোশ বা মাস্ক পড়ে বসে থাকলে ও দামি ওষুধ গিললেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে না। বরং সময় থাকতেই উপযুক্ত সুদূর প্রসারী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। আর এ ব্যবস্থা স্বরূপ এই ভাইরাসের মূল উৎসস্থল অর্থাৎ শূকরের কাছ থেকে নিরাপদ দূরত্ব রক্ষা করে চলতে পারলে এই রোগটিকেও দমন করা সম্ভব হবে। এছাড়া অন্য কোন বিকল্প পথ অবলম্বন করলে ভবিষ্যতে অনেক বড় বিপদের সম্মুখিন হতে হবে। বর্তমানে অনেক দেশেই যত্রতত্র একই সাথে হাঁস-মুরগি ও শূকরের খামার এবং একই এলাকার মধ্যে হিংস্র বন্য পশু-পাখির চিড়িয়াখানাও গড়ে উঠেছে। এগুলোর মধ্যে এমনও অনেক পারিবারিক খামার রেয়েছে যেখানে মানুষ, হাঁস-মুরগি, গরু, ছাগল, ভেড়া ও শূকরের পাল একই স্থানে কাছাকাছি অবস্থান করে। ফলে বিভিন্ন রোগজীবাণূ বিশেষ করে ভাইরাসগুলো খুব সহজেই এক প্রাণী থেকে অপর প্রাণী এবং মানুষের মধ্যেও উপুর্যপরি সংক্রমিত হচ্ছে। এভাবে দ্রুত জেনেটিক রূপান্তর ঘটার সুযোগ পাওয়ায় যত দিন যেচ্ছে ভাইরাসগুলো ততই প্রানঘাতি রূপ ধারন করছে। তাই গৃহপালিত প্রত্যেক প্রজাতির পশু-পাখীর খামার যেমন পৃথক পৃথক স্থানে পরিচ্ছন্ন পরিবেশে গড়ে তোলা উচিত, তেমনি হিংস্র-বন্য পশু-পাখির চিড়িয়াখানাগুলো লোকালয় থেকে দূরে সংরক্ষিত কোন স্থানে গড়ে তোলাই বাঞ্ছনীয়। আমরা জানি যে, একটি শূকরের খামার থেকে অনেক (প্রায় ৭০ টির মত) রোগজীবাণূ ও ভাইরাসের বিস্তার ঘটতে পারে। তাই যারা শূকরের মাংস খায় তাদের তুলনায় যারা শূকর প্রতিপালন ও ব্যবসার সাথে জড়িত তারাই আগে এসব রোগে আক্রান্ত হয়। পরবর্তীতে এদের মাধ্যমে তা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ছড়িয়ে পড়ে। সুতরাং মানুষ যদি শূকরের মাংস ও চর্বি থেকে উৎপাদিত সব ধরনের খাদ্যদ্রব্য ও পণ্যসামগ্রী বর্জন করে, তাহলে একসময় এগুলোর বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যাবে এবং মানুষ লোকালয়ে শূকরের খামার করার উৎসাহ হারিয়ে ফেলবে। তখন বন্য প্রাণী ও শূকর লোকালয় থেকে দূরে বনে-জংগলে বাস করবে। এভাবে ওদের মত করে ওরা যতদিন টিকে থাকতে পারে টিকে থাকুক,- তাতে তো কারো আপত্তি থাকার কথা নয়।

গৃহপালিত নিরীহ প্রকৃতির প্রাণীগুলো সাধারনত পরিচ্ছন্ন পরিবেশই থাকতে চায় এবং সুস্থ থকে। কিন্তু ইদানিং গৃহপালিত পশু-পাখী যেমন গরু, ভেড়া, ছাগল, হাঁস, মুরগী এবং নানা রকম মাছ ইত্যাদি হাইব্রীড প্রাণীদের ক্ষেত্রে দৈহিক পরিবর্তনের সাথে সাথে বেশ কিছু আচরণগত পরিবর্তনও লক্ষ করা যচ্ছে। এ বিষয়গুলো গভীরভেবে ভেবে দেখা উচিত। এগুলো লালন পালনের সময় বেশি লাভের আশায় দ্রুত দৈহিক ও বংশগত বৃদ্ধির জন্য মাত্রাতিরিক্ত ব্লাড-মিল ও নানা রকম কৃত্রিম খাদ্য খাওয়ানো হচ্ছে, মাত্রাতিরিক্ত হরমন ইনজেক্সন দেয়া হচ্ছে। ফলে এদের সহজাত আকৃতি ও প্রকৃতির উপর বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়ছে। 'ম্যাডকাউ ডিজিস' নামক রোগের উদ্ভব ঘটছে।(ম্যাডকাউ ডিজিস সম্পর্কে জানতে হলে এই লিংটি দেখে নিতে পারেন-
Click This Link) অতিরিক্ত মাত্রায় এসব কৃত্রিম উপাদান ব্যবহারের কারণে এই প্রাণীদের থেকে উৎপাদিত মাছ ও মাংসজাত খাদ্যের মাধ্যমে এর কিছু অংশ আমরাও গ্রহণ করছি। এতে অনাকাংখিত ক্ষতি তথা রোগ-ব্যাধির (বিশেষ করে করে কিডনী, লিভার, হৃদরোগের) হার ক্রমেই বেড়ে চলেছে। সম্ভবত এরই ফলস্বরূপ এসব প্রাণীদের দেহে বিভিন্ন ধরণের ভাইরাসের দ্রুত রূপান্তর ঘটছে এবং মানুষকেও আক্রান্ত করছে।

খাদ্যের জন্য আমাদেরকে প্রাণী ও উদ্ভিদ উভয়ের উপর নির্ভর করতে হয়। তাছাড়া পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এগুলোর যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে। তাই বন্য প্রাণীরা বনে ও জলের প্রণীরা জলে যেন যথাযথ অনুপাতে সুস্থভাবে বসবাস করতে পারে সেদিকে নজর রাখতে হবে। সব সময় মনে রাখতে হবে- এগুলোর সুস্থতার উপর আমাদের সুস্থ থাকা অনেকাংশে নির্ভরশীল। যেসব গৃহপালিত প্রাণী ও মাছ আল্লাহতায়ালা আমাদেরকে খেতে অনুমতি দিয়েছেন (তা জানতে হলে এই লিংটি দেখে নিতে পারেন- Click This Link ) সেগুলোকে সঠিক পদ্ধতিতে লালন পালন করতে হবে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশে প্রত্যেক প্রজাতির প্রাণীর জন্য পৃথকভাবে খামার তৈরি করে স্বাস্থ্য-সম্মত উপায়ে লালন-পালন করলে এগুলো সুস্থ থাকে। তখন এদের দ্বারা কোন সংক্রামক রোগ ছড়ানোর সুযোগ আনেকখানি কমে যায়। কদাচিত কোন রোগ (Zoonotic Disease) ছড়ালেও তা হয়ত সাময়িকভাবে মানবদেহে সংক্রমিত হয় এবং সেগুলোর বেশিরভাগই সাধারণত আপনা আপনি বা চিকিৎসা করলে সেরে যায়।

কোন বিষয়ে সীমালংঘন না করাই ধর্ম তথা মানবতার দাবি। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করতে হলে প্রাণীকুলের মধ্যেও সৃষ্টিগত স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য ও ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। আর এজন্য স্থলজ ও জলজ প্রাণীদের প্রতিপালন, ব্যবসা, চিকিৎসা ও এগুলো নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে যারা সংশ্লিষ্ট এবং সেইসাথে দেশ ও বিদেশের সরকার ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে এ ব্যাপারে সময়োচিত সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য বিশেষভাবে যত্নবান হতে হবে।

আরও জানতে হলে দেকতে পারেন-
Click This Link
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×