somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গুলশান ট্রাজেডি (কিছু অন্য ধরনের চিন্তা ভাবনা)

০৪ ঠা জুলাই, ২০১৬ বিকাল ৪:২৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এক বাঙালী সেফকে উদ্দেশ্য করে একজন
জঙীর বলা উক্তি।
“You don’t need to be so tense,” one of the
men told them. “We will not kill Bengalis. We
will only kill foreigners.”
সুত্র: The new york times
.
এখন কিছু মন্তব্য......
১.এই বক্তব্য থেকে এটা পরিষ্কার যে শুধুমাত্র
ফরেইনার হত্যা করাই ছিল এদের মুল টার্গেট।
২.এমন একটা সিচুয়েশনে এটাক করা হয়েছে
যখন ৬জন ইতালিয়ান বায়ার এবং ৭জন জাপানী এর
মধ্যে ৬জনই মেট্রোরেলের সমীক্ষক
উপস্থিত ছিলেন।(এতগুলো নামী ব্যাক্তির একই
সময়ে একই জায়গায় উপস্থিতি তলিয়ে দেখতে
হবে)।
৩. যাদেরকে হত্যা করা হয়েছে এদেরকে
হত্যার ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটা
আঘাত হানা সম্ভব।
৪.আইএস এর উপস্থিতি জোরালো ভাবে প্রতিষ্ঠা
করা।
৫. আর বিদেশীদের মনে নিরাপত্তাহীনতার ঝুঁকি
ফুটিয়ে তোলা। (সম্ভবত এটা এতটা মুখ্য নয়)
.
এখন চিন্তা করে দেখা যাক। এই পরিস্থিতিতে
মোড়ল রাষ্ট্রগুলোর কি লাভ।
১. আইএস এর উপস্থিতি প্রমান করতে পারলে
মার্কিন সেনার হস্তক্ষেপ শুরু হবে। আর মার্কিন
সেনার হস্তক্ষেপের ফলাফল সিরিয়া, আফগানস্থান,
ইরাককে দেখলেই বোঝা যায়।
২. আর এভাবে বায়ার হত্যার মাধ্যমে আমাদের
বন্ধু রাষ্ট্রের হাতে আমাদের গার্মেন্টস শিল্প
চলে যাবে। নিরাপত্তাহীনতার আতঙ্কে বায়ার
এদেশে আর ব্যবসা করবে না। (এরউপর
আমাদের বন্ধু রাষ্ট্র বলেছিল তিনবছরের মধ্যে
বাংলাদেশকে হটিয়ে তারা পোশাক শিল্পে ২য়
অবস্থানে আসবে)।
.
এভাবে কি দুইয়ে দুইয়ে চার মিলিয়ে দুইটা রাষ্ট্র
দৃষ্টি গোচরে আনা সম্ভব নয়? আমাদের প্রধান
দায়িত্ব আই এসের অস্তিত্ব সরাসরি অস্বীকার করা।
আর সমস্যার গোড়ায় গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা।
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা জুলাই, ২০১৬ বিকাল ৪:২৭
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ধর্মোন্মাদদের কল্পিত বাস্তবতা: "দি ম্যাট্রিক্স" এবং নীল বড়ি

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:১৭


বাংলাদেশ ধর্মোন্মাদ ও জঙ্গিদের কবলে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধম্যের কল্যানে এই ধর্মোন্মাদনা দাবানলের মতো সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে।

ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে, কদিন আগে সাতক্ষীরায় একদল ধর্মোন্মাদ ও জঙ্গি ওয়াহিদুজ্জামান শামীম... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফেসবুক অ্যাক্টিভ মানেই- অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট নয়।

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:১৩

ফেসবুক অ্যাক্টিভ মানেই- অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট নয়।

বর্তমান ডিজিটাল যুগে ‘অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট’ একটি বহুল ব্যবহৃত পরিচয়। সামাজিক এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে এই পরিচয়ের কদর দিন দিন বাড়ছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে- ফেসবুকে নিয়মিত পোস্ট... ...বাকিটুকু পড়ুন

যারা ব্রয়লার মুরগী খায় তারা সমকামী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৩


ওয়াজ শোনেন অথচ মুফতি কাজী ইব্রাহিম হুজুরকে চেনেন না, এমন মানুষ বাংলাদেশে খুব কমই আছেন। হুজুরের আরেকটি বড় পরিচয় হলো, তিনি করোনার ওষুধ স্বপ্নে পেয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন। হুজুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেইপ শিফটার ৩ - মাছ কন্যা

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:১৯


২০১১ এর দিকে নর্থ –ইয়র্কে থাকাকালীন রুমার বাসার আশেপাশে তেমন কোন বাঙালি দোকান ছিল না ।সেই টরোন্টর নামকরা চাইনিজ সুপারমার্কেট –টা বেশ দূরে। পায়ে হেঁটে যাওয়ার পথ নয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে পথ ধরে রথো রাফি হেঁটে যেতেন: চলে গেলেন ব্লগার রাফি

লিখেছেন শরৎ চৌধুরী, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:০৩

কবি, ব্লগার ও অনুবাদক রথো রাফির স্মরণ
রথো রাফি ব্লগ
রথো রাফি আর নেই—সত্যটি মেনে নেওয়া ভীষণ কঠিন। একজন মানুষের চিরপ্রস্থানের পর আমরা কেবল তার শারীরিক অনুপস্থিতিই টের পাই না, বরং গভীরভাবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×