বহুদিন আগে রাতের আঁধারে চুরি গেছে ঈশ্বর,
অথচ, এই ভোরবেলা খুঁজছো কাকে ?
নিজেকে ?
সে তো বেরিয়ে গেছে জীবনের সুলুকসন্ধানে,
তোমাদের ভাষায়-একেবারেই সাদামাটা কিংবা
'ক্ষ্যাত' গোছের এক যু্বক, প্রতিটি ভাতের গ্রাসে
যে আজও দূ্লোকের শিশুটিকে খুঁজে ফেরে।
হদিস পাবেনা সে তো জানতেই ? রাজপথ থেকে
কানাগলি, কোনকিছুই তো বাদ রাখোনি। হেঁটেছ বহুদুর-
আরও অযুত ক্রোশ বাকি। অতঃপর নাড়ির টানে প্রেয়সীকে
লিখলে চিঠি- শোন হে অন্যপুষ্ট, সময়টা ২০১৪।
-এখানে চরম অশান্তি। অস্থির চারদিক। রসুই ঘরে বাড়ন্ত মিনিকেট,
রাজপখে ভিখিরি। কোথাও মানুষ নেই। খানসামা-চাপরাশি-বরকন্দাজ-
মোসাহেবে ভর্তি চারপাশ। তাদের সমব্যভিহারে প্রতিদিনই পতাকাবাহী
গাড়ী-মানুষের যাতায়ত। ফুটপাতে আঁকড়ে রাস্তা ছেড়ে দেয় বাকিরা। ওরা অমানুষ।
-ভিন্নমত হলেই টিপে দিচ্ছে গলা। ক্লাসঘর এখন বালাখানা।
আদর্শলিপির দিন শেষ। রোজই এত বর্বরতা, এত লালসা, এত হানাহানি পরষ্পরে,কাইয়ুম চৌধুরী জানে-
যে দেশে তার নিথর দেহের তাজা শোক ভুলে, সেই মঞ্চেই সরোজ-এস্রাজ তথা উচ্চাঙ্গের বেহেড লীলাখেলা চলে-
সে মাটি আর যাই হোক তানসেন, আকবর, রবিশঙ্করের, জন্মভূমি হতে পারেনা। এ শুধু তোমার আবাসভূমি ! ওরা ক্ষনিকের অতিথি!
-কোথাও কোন উপাস্য কেউ নেই। মসজিদ-মন্দির-গির্জা সবখানেই ভন্ডদের আখড়া।
জং ধরা আলিফ-ওঁম-ক্রুশের গায়ে শতাব্দিপ্রাচীন ময়লা।
এ তমসা কাটবে না সখি - যদি ঈশ্বরের সন্তান হয় মন্দ ভালয় মানুষ।
সবগুলো মুখই সোনা-রুপায় গড়া। আচ্ছা, সন্তান যদি চোর হয়, তবে পিতা কি মুখ খুলতে পারে ?
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:০৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


