
ও পৃথিবী! অবাক কেন বোবার মত রও চেয়ে?
খুনরাঙা পথ রোহিঙ্গাদের! রক্তধারা বয় ধেয়ে,
নাফ নদীতে বয় না স্রোত, জলের বুঝি হায় আকাল!
সেথায় শুধুই তুফান ওঠে, রক্ত লাল ঐ রক্ত লাল।
রোহিঙ্গাদের লাশের সারি, নাফের দু'তীর গন্ধময়,
'কোলের শিশুর নিথর দেহ পিতার হাতে ছন্দময়।'
ছিন্নবস্ত্র ধর্ষিতা বোন- তাকায় ভাইয়ের মুখ পানে,
পাঁচটি দিনের অনাহারী, মৃতপ্রায় প্রানে আসু আনে।
এদের বড় সৌভাগ্য,
বাবা-মাকে এরা চোখের সামনে মরতে দেখেছে হায়,
গুলির আঘাতে ঝাঝরা দু'জন পরেছিল আঙিনায়!
কিশোরী মেয়ের ইজ্জতের বিনিময়ে মা দিয়েছে প্রান,
অসহায় বাবা প্রতিবাদে এলে, খুন করে মগ-বেঈমান।
মা! তুমি বড় ভাগ্যবতী, দু:সাহসী মানবের প্রতিক,
জন্তু-জানোয়ারে ভীত নও কভূ, প্রান দিয়ে দেখিয়েছ ঠিক।
নিরস্ত্র তোমার কাছে এসে, হেরে গেছে অস্ত্রধারী মগ সেনা দল
তোমাকে হত্যার পরে তারা, তোমাদের প্রানের ফসল
ছোট শিশু- কিশোরীকে লুটে খায়, খুবলে নেয় হায়
এমন হারামজাদা বল, এজনমে দেখেছে কে কোথায়?
মরে গিয়ে তুমি জিতে গেছ, রেখে গেছ ইতিহাস,
কাপুরুষ বৌদ্ধ-মগেরা নতুন নয় পুরনো বদমাশ।
রক্তের দাগ ছোপ ছোপ ছাপ লেগে আছে ওই হাতে,
মগের বাচ্চারা জাতিগত অমানুষ সন্দেহ নেই তাতে।
হাজার বছরের ইতিহাস খুলে দেখ তার প্রমান,
দস্যুবৃত্তি, লুটের পেশা ডাকু-মেহমানে অসম্মান।
ও পৃথিবী!
হাজার হাজার বনী আদম কচু-কাটা হচ্ছে হায়!
ও পৃথিবী! চুপটি কেন, একটি কথাও কওনা হায়!
ফিলিস্তিনে মরছে মানুষ, উঠছে মাতম আরাকানে,
লক্ষ শিশুর কান্না থামাও, আর যে সয় না এই প্রানে।

মিয়ানমারের অত্যাচারী মগ দস্যুদের নির্মমতার প্রমান বহন করে অনাহারী অভূক্ত কঁচিকাচা এই কিশোর যুবকদের হাড্ডিসার চেহারা শরীর।

ক্ষুধার্ত বনি আদমের ঢল।

রোহিঙ্গা মুসলিমদের লাসের সারি।

সব শেষ! পুড়ে অঙ্গার হওয়া বনি আদম! হায় হায়! আর কত লাশ চাই, ওদের আর কত?
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:৫৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


