somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সমাজের বিবর্তন না কালের বিবর্তন

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ৯:৫৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সমাজ বদ্ধ হয়ে আমরা যুগে যুগে বাস করে আসছি কিন্তু সেই সমাজ ব্যাবস্থা এখন প্রায় বিলুপ্তির পথে তবে গ্রামে গ্রামে অনেকটাই প্রচলন এখনো আছে বা দেখা যায় সমাজের প্রচলন কিন্তু সহরে প্রায় বিলুপ্তির পথে কিন্তু সহরে ভিন্ন নামে সেই সমাজ চলে শুনেছি যেমন আমরা আগে শুনেছি আমাদের সমাজ এর ৩ টি স্তর ছিলও যেমন উচ্চবিত্ত , মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত সমাজ । এখন একটি নুতন সমাজের নামকরন শোনা যায় নাম তার সুশীল সমাজ আর এই সুশীল সমাজ নিয়েই আমার আজকের লেখা তাহলো আমি একদিন ২ টি লেখা লিখে ছিলাম সমাজে লেখা ২ টির শিরোনাম ছিলও এক যৌন তৃপ্তি আর একটির নাম ছিলও সাঁজ / গোঁজ । তার যৌন তৃপ্তি লেখাতে ছিলও যে আমরা কি কি ভাবে যৌন তৃপ্তি পাই তার মধ্যে কথা ছিলও তাহলো এক কেউ পায় মেয়েদের সাঁজ / গোঁজ দেখে কেউ পায় নিজেকে সাজিয়ে কেউ পায় পরের বা গরীবের বউকে ভাবী বলে ডেকে আবার কেউ পায় ছাদের চিলে কৌটায় আবার কেউ পায় চোখ টিপ মেরে পায় আর সাঁজ / গোঁজে লিখেছিলাম যে মেয়েদের এবং ছেলেদের সাঁজ / গোঁজের মধ্যে অনেক তফাৎ তাই একটি সাজ / গোঁজ করা ছেলে এবং মেয়ের ছবি দিয়েছিলাম লেখাতে তা ছিলও স্বাভাবিক সাঁজ / গোঁজের চিত্র আর তার থেকেই একজন সুশীল সমাজের নামে যুক্তি দেখালও যে এই লেখা সঠিক নয় তাই সে থেকে আমার সুশীল সমাজ সম্পর্কে জানার কৌতূহল চেপে বসে যে , তারা কারা তাদের সংগা কি , কি তাদের পোশাক / আসাক , দেখতে তারা কেমন , তারা বাস করে কোথায় এবং কি কি খায় । তবে আমি একটি সমাজকে দেখেছি আমার জীবনে তা হোলও এক ব্যাক্তি যখন সমাজে কোথায়ও দাংগা বা মারামারি লেগে যায় তখন তিনি চলে যায় নিরাপদ যায়গায় অর্থাৎ তার নিজ বাড়ীতে চলে যান এবং বাড়ীর দরজা / জানালা বন্ধ করে পরিবারসহ অবস্থান করে তারপর যখন তা থেমে যায় তখন তিনি বাড়ী থেকে বের হয়ে বলেন বা জানতে চান সেই দাংগাকারির বা আমাদের কাছে জিজ্ঞাসা করেন যে ভাই এখানে কি হয়েছিলো তাতে আমরা ঘটনার বিবরন দেই এবং তিনি আমাদের গায়ে হাত দিয়ে বা খুব নরম শুরে বা বিনয়ই ভাবে বা খুব শুদ্ধ ভাষায় বা ধীর গতিতে পায়ে হেঁটে চলে যান তাকে দেখে মনে হোলও তিনি খুব বিচক্ষণ ব্যাক্তি প্রমান করে যাওয়ার সময় বলে গেলেন যে , আমি বাপু এসবের মধ্যে নেই তোমরা যেটা ভালো মনে করো তাই করো এবং আমাদের সাথে যে ব্যাবহার করে গেলেন তাতে মনে হোলও তিনি আমাদের সবাইকে আদর করে গেলেন তা যেনও আমরা সবাই তার ছোট ভাইয়ের মতো । আরেকজনকে দেখেছি যে তিনি যখন ক্ষমতার চেয়ারে ছিলেন তখন তার সাথে আমরা দেখা করতে গিয়েছিলাম নানা কাজে / অকাজে কিন্তু তিনি অনেকসময় দেখা করতে চাইনি বা দেখা করার পর কোনও কথাই রাখেনি বা বলেছে যে এখনই বের হয়ে যাও নতুবা বা বলেছে যে বের করে দেবো এমনকি সামান্যতম আপ্যায়নও করেন নি আবার দেখেছি যে তারা শুধু সুন্দর সুন্দর উপদেশ দিয়ে থাকেন কিন্তু তার কোনও ভালো কাজে অংসগ্রহন থাকে না সমাজে বা করে না । তাই এখনো আমরা চিনতে পারলাম না যে , বর্তমানের কথিত সুশীল সমাজ কারা ? এখনো সমাজে শুনি কখনো কখনো যে , উঁচু দালানের উঁচু তলার পিছন দরজায় চলছে ব্যাভিচারী তারা আবার কারা ।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৩:১০
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ধর্মোন্মাদদের কল্পিত বাস্তবতা এবং "দি ম্যাট্রিক্স" এর নীল বড়ি

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:১৭


বাংলাদেশ ধর্মোন্মাদ ও জঙ্গিদের কবলে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কল্যানে এদের ধর্মোন্মাদনা দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ছে।

ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে, কদিন আগে সাতক্ষীরায় একদল ধর্মোন্মাদ ওয়াহিদুজ্জামান শামীম নামের এক যুবককে পিটিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

যারা ব্রয়লার মুরগী খায় তারা সমকামী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৩


ওয়াজ শোনেন অথচ মুফতি কাজী ইব্রাহিম হুজুরকে চেনেন না, এমন মানুষ বাংলাদেশে খুব কমই আছেন। হুজুরের আরেকটি বড় পরিচয় হলো, তিনি করোনার ওষুধ স্বপ্নে পেয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন। হুজুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেইপ শিফটার ৩ - মাছ কন্যা

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:১৯


২০১১ এর দিকে নর্থ –ইয়র্কে থাকাকালীন রুমার বাসার আশেপাশে তেমন কোন বাঙালি দোকান ছিল না ।সেই টরোন্টর নামকরা চাইনিজ সুপারমার্কেট –টা বেশ দূরে। পায়ে হেঁটে যাওয়ার পথ নয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রাইভেট টেলিফোন কম্পানি হলে কেমন হতো?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৩



গত ব্লগে টেলিফোন নিয়ে বলেছিলাম। মোবাইল থেকে টেলিফোনে কল দেওয়া বা রিসিভ করা যেতো না। শুধু টিএনটি একটিভ করা সিমে টেলিফোনে কল করা যেতো। বা টেলিফোন... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে পথ ধরে রথো রাফি হেঁটে যেতেন: চলে গেলেন ব্লগার রাফি

লিখেছেন শরৎ চৌধুরী, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:০৩

কবি, ব্লগার ও অনুবাদক রথো রাফির স্মরণ
রথো রাফি ব্লগ
রথো রাফি আর নেই—সত্যটি মেনে নেওয়া ভীষণ কঠিন। একজন মানুষের চিরপ্রস্থানের পর আমরা কেবল তার শারীরিক অনুপস্থিতিই টের পাই না, বরং গভীরভাবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×