
আমাদের দেশে দারুন কিছু ঘটনা আমরা সাদরে গ্রহন করেছি, যদিও সেগুলো স্পষ্ট অপরাধ।
উদাহরন স্বরুপ:
১. কেউ অবৈধভাবে টাকা ইনকাম করল, সেই কাল টাকা সাদা করার সুবিধা দেওয়া হত, দেয়া হয় রাষ্ট্র কর্তৃক।
২. হাজার কোটি টাকা ঋণখেলাপীকে জেল দেয়া যায় না। সরকারের লজিক হল উনি গ্রেফতার হলে ঋণ পরিশোধের সব পথ বন্ধ হয়ে যাবে। দেশের জনগনও সেটা মেনে নিয়েছে।
৩. জাটকা ধরা নিষেধ। তাই বিপুল পরিমান জাটকা ধরা পড়লে, নৌপুলিশ মাটিতে পুতে না ফেলে এতিম খানায় দিয়ে দেয়। আর মাঝিদেরকে সতর্ক করে অপরাধ মাফ। জনগন সেটাও মেনে নিয়েছে।
৪. চেয়ারম্যানের ছেলে রেপ করলে সেটা থানা পর্যন্ত যায় না। দ্রুত বিচারের নামে ভয় দেখিয়ে শালিসে ২ লাখে রফা দফা হয়। শেষে মেয়ের পরিবার পায় ৫০হাজার। কেন? সাংবাদিক আর মুরিব্বিদের মুখ বন্ধ করতে ১ লাখ খরচ। ৫০হাজার নগদ আর বাকিটা কিস্তিতে শোধ হবে। এই হলো ২ লাখের হিসাব। জনগন সেটাও মেনে নিয়েছে। অন্তত বিচার তো হয়েছে।
৫. তারেক রহমান, ব্রিটিশ নাগরিক এখনও। সংবিধান অনুযায়ী বিদেশী নাগরীক ইলেকশনে দাঁড়াতে পারে না। তবুও জনগন চুপ।
৬. নির্বাচনী তফসিল ঘোষনার পর, কোন NID বা ভোটার তালিকা আপডেট করার নিয়ম নেই। তারেক রহমান সেটাও করিয়েছেন এবং মাত্র ৩ ঘন্টায় NID পেয়েছেন। ইলেকশন কমিশনার সহ জনগন তবুও চুপ।
৭. মায়ের দোয়া খায়ের অনুষ্ঠানে তারেক রহমান নির্বাচনী প্রচারনা করেছেন। ইলেকশন কমিশন সহ জনগন তারপরেও মেনে নিয়েছে।
৮. বগুড়ায় ১২০ বিঘা জমি নতুন করে কিনেছেন তারেক রহমান, নির্বাচনী এখতিয়ারে পত্রে সেটা উল্লেখ করেননি। বাৎসরিক ইনকাম ৭লক্ষ টাকা। কিন্তু থাকেন ১০লাখ টাকার ভাড়া বাসায়, চড়েন কোটি কোটি টাকার গাড়িতে। কোন সোনার গহনা নেই... এসব মিথ্যা কথা মেনে নিয়েও জনগন অপরাধ কে না দেখার ভান করে আছে।
যে দলীয় নেতা সত্য স্বীকার করার সৎ সাহস রাখে না, সে দেশের কোন বা** তুলে বোঝা বাধবে বোঝা গেছে...
যাইহোক, কিছুদিন আগে আমি বলেছিলাম, "আওয়ামী-লীগের ছায়া দায়িত্ব নিয়ে তারেক জিয়া এখন দেশে"। দেখুন, প্রায় ১ মাস হয়ে গেছে তবুও কোন প্রতিবাদ লিপি প্রকাশ হয়নি BNP বা তারেক রহমানের পক্ষে আনন্দবাজার পত্রিকার সেই খবরের। মানে ঘটনা সত্য।
গতকালের একটা নিউজে প্রকাশ পেয়েছে, তারেক সিলেটের শাহজালাল মাজার জিয়ারত করে নির্বাচনী প্রচরনা শুরু করবেন শেখ হাসিনার মত। কারন বুবুও একই কাজ করত।
আমরা সবাই জানি, আওয়ামিলীগ নিষিদ্ধ। নেতা কর্মীরা দেশদ্রোহী কর্মকান্ডের কারনে গ্রেফতার হয়েছে। কিন্তু সেই দলীয় নেতা / কর্মীরা যদি ঘোষনা দিয়ে BNP তে যোগ দেয় তাহলে কি আগের সাত খুন মাফ? এমনকি তারা আগের স্টাইলে বর্তমানে BNP র ব্যানারে কাজ করছে? তাহলে কি পুরাতন রিজেক্ট মাল নতুন মোড়কে আমরা পেলাম? তাহলে লীগ নিষিদ্ধ হলে BNP কেন নয়?
নিউজে এসেছে, ৩০% আওয়ামিলীগ পন্থি এখন BNP তে। সত্যি বলতে, দলের নেতাই যেখানে লীগের প্রতিবিম্ব হয়ে গেছে, দলের বাকিদের আর কি দোষ। তবে একজন সাধারন জনগন হিসেবে এমনটা আশা ছিল না।
আগের ৪ টা জাতীয় ভোটে অংশ নেই নি। এবার আশা করেছিলাম, ভোট দিব। এখন মনে হচ্ছে, তার আর প্রয়োজন হবে না।
আওয়ামী-লীগের ছায়া দায়িত্ব নিয়ে তারেক জিয়া এখন দেশে
হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করে নির্বাচনী প্রচারে নামবেন তারেক রহমান
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:০৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

