ভবিষ্যতের শিশুরা কোন বাংলাদেশের অধিবাসী?
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন। এ দিনটিকে সরকারি ভাবে শিশু দিবস হিসেবে পালন করা হয়। আমাদের শিশুরা কি এই দেশের ভাষা-সংস্কৃতির জাড়িত জীবনবোধে প্রস্তুত হচ্ছে? তারা কি শিক্ষা নিচ্ছে আমাদের কাছে? দেশপ্রেম, ভাষা-সংস্কৃতির প্রতি ভালবাসা তাদের ভেতর কি উদ্দীপনা আনতে পারছে?
এ প্রশ্নগুলির উত্তর আমাদের কাছে সন্তোষজনক নয়। আমরা তাদের বিদেশী ভাষার প্রতি ভালবাসা, আকর্ষণ শেখাচ্ছি; দেশপ্রেম বদলে গিয়ে দেশবিরোধী হতে শেখাচ্ছি। ধর্মকে ব্যবহার করছি হিংসা সৃষ্টির হাতিয়ার হিসেবে।
এদেশের অধিকাংশ মানুষ বাঙালি জাতি গোষ্ঠীর। কিন্তু সেই সাথে সকলেই বাঙালি নই, আছে চাকমা, মারমা, মুরং, তঙ্গচঙা, সাওতাল সহ অনেক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষ; সবাই মিলেই এই বাংলাদেশ, আমরা এই ভূমির অধিবাসী। জাতি গোষ্ঠীর ভিন্নতা যেমন আছে, তোমনি আছে বিভিন্ন ধর্মমত। এখানে আমরা একই সাথে মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃস্টান ধর্মের লোক বসবাস করি, এছাড়াও নাস্তিক (যারা সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস করে না) রয়েছে। সবাই আমরা এদেশের নাগরিক। ধর্ম যার যার দেশ সকলের । তাই নাগরিক হিসেবে অধিকারও সকলের সমান। কিন্তু আমরা সকলের অধিকার কি সমান ভাবে দিচ্ছি? আমাদের শিশুরা ভবিষ্যতের বাংলাদেশকে কি একটি অসা¤প্রদায়িক দেশ গড়ে তুলতে পারবে?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


