
যে উদ্যোগটা প্রথম কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক অলরেডি হাতে নিয়েছেন জেলার সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি)সহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাছে চিঠি পাঠানোর মাধ্যমে । এ উদ্যোগটা এখন বাকী জেলাগুলো থেকেও নিতে হবে । যারা আবাদি জমি চাষ না করে ফেলে রাখবে, তাদের জমি ১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাসত্ত আইনের ৯২(১) ধারা মোতাবেক সরকার নিয়ে নিবে ।
যদিও এই বিজ্ঞপ্তির উদ্দেশ্য কারো জমি কেড়ে নেওয়া নয়, বরং জমির মালিক যাতে তার ফসলী জমির ব্যবহারে আরো সচেতন হয় - সেটা । বলা বাহুল্য অনেক আবাদি জমির মালিক আছে যারা অনেক দূরে থাকায় নিজেও জমি চাষ করেনা আবার অন্যদেরকেও ঐ সমস্ত জমি বন্ধক বা বর্গা দেয় না । যার ফলে এসব জমি বলতে গেলে সারা বছরই পতিত জমি হিসেবে পড়ে থাকে । আবার অনেকে আছে ইচ্ছে করেই চাষযোগ্য জমি চাষ না করে ফেলে রাখে বছরের পর বছর ।
এখন এই বিজ্ঞপ্তির ফলে কেউ আর সেটা করতে পারবে না । বাধ্য হয়েই প্রত্যেকে তার চাষযোগ্য জমিকে আবাদের আওতায় নিয়ে আসবে । কারণ সে জানে, আবাদ না করে জমি ফেলে রাখলেই সেটা সরকার নিয়ে নিবে এবং আইন মোতাবেক ভূমিহীন কৃষকদের মাঝে তা বিলি করে দেবে ।
আমি মনে করি, এটা খুবই সময় উপযোগী একটা সিদ্ধান্ত । দেশের ক্রমবর্ধমান বিপুল জনসংখ্যা এবং করোনা মহামারির কারণে সামনে যে ভয়াবহ খাদ্য সংকটের আশংকা, তা আবাদি জমির পরিপূর্ণ ব্যবহারে আমাদের খাদ্যসষ্যের সমাধানসহ দৈনন্দিন জীবনে অনেকটা স্বস্তি এনে দিতে পারে ।
তাই নিঃসন্দেহে বলা যায় কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক মোঃ আসলাম হোসেন খুব ভাল একটা উদ্যোগ নিয়েছেন । এখন উচিৎ এ ধরণের বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সারা বাংলাদেশে আবাদি জমির পরিপূর্ণ ব্যবহারে সবাইকে সচেতন করে তোলা।
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


