somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ওরা ইঁদুর বেড়াল ! মানুষ নয় !

১০ ই জুলাই, ২০২১ রাত ১২:৫০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ছবি নেট।

তখন বাংলাদেশ নামক দেশটির মাত্র জন্ম হয়েছে বছর দুই তিন হবে। সে সময়কার কথা বলছি। অবশ্য এ সব কথা আমার বাবার কাছ থেকে শোনা। তারপর আমার এলাকার লোকজনের কাছ থেকেও শুনেছি।

আমাদের এলাকার এক বনেদি পরিবার এর গল্প। তারা চেয়ারম্যান, এম, পি হওয়ার মতন ক্ষমতা রাখে। তো সেই পরিবার এর ঐতিহ্য বাহী একটা পাটকল ছিল। তারা কি করল খুব চালাকি করে গুদাম থেকে বেশির ভাগ পাট বিক্রি করে আর কিছু পাট থাকাকালীন সময়ে রাতের বেলায় নিজেরাই নিজেদের গুদামে পাটকলে আগুন দেয়।

পরবর্তীতে একজন নেতা যে কি না ছিল বংগবন্ধুর কাছের লোক। তাকে ধরাধরি করে বিশাল অংকের ব্যাংক লোন নেয়। পরে এক সময় সেই টাকা আর ফেরত দেন নি এবং পরবর্তীতে ব্যাংকের ম্যানেজার এর সই নকল করে উল্টো ম্যানেজার কে বিপদে ফেলে যার দরুন সেই ম্যানেজার আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়।

সেই বিত্তবানরা আজও বিদ্যমান। তারা সে সময় লন্ডনে বাড়ি কিনে ফেলে এবং গুলশানে আলিশান প্রাসাদ গড়ে তোলে।

এক সময় রাজনীতিতে যোগ দান করেন। এলাকার চেয়ারম্যান, কমিশনার তারাই হয়ে আসছে। এই হলো সংক্ষিপ্ত ইতিহাস। বাংলাদেশে দেখবেন এমন বড়লোকদের সংখ্যা বহুত।

রানা প্লাজার সময় আমার এক বিদেশি বন্ধু কৌতুক করে বলেছিল " তোমাদের শিল্পকারখানা গুলোতে ইঁদুর বেড়াল কাজ করে। এদের জীবন নিয়ে কেউ ভাবে না! "

আমি বলেছিলাম এটা বাজে ম্যাটেরিয়ালে তৈরী করা ভবন ছিল। তখন সে বলেছিল, তোমাদের ইঞ্জিনিয়ার আর সরকার কি করে?বিশ্বাস করেন এর কোন উত্তর আমি দিতে পারি নাই।শুধু দীর্ঘশ্বাস ফেলা আর মাথা নত করা ছাড়া।

এত কিছু বললাম কেন জানেন। আজ খবরে দেখলাম এক শিল্পকারখানায় আগুন লেগেছে। আর মালিক পক্ষ গেইটে তালা দিয়ে রেখেছে।

আচ্ছা, দুনিয়ার কোথাও শুনেছেন আগুন লাগলে বা বড় বিপদের সময় কর্মীদের তালা দিয়ে আটকে রাখে।

এই মাদারফাকাররা যেই কর্মীদের হাড় ভাংগা খাটুনির পয়সায় বড়লোক। সেই কর্মীদের সাথে এমন করে আচরণ!

সত্যি! আমার বিদেশি বন্ধুর কথা ঠিক শিল্পকারখানা গুলোতে ইঁদুর বেড়াল কাজ করে। এরা মরলে কার কি !
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই জুলাই, ২০২১ রাত ১২:৫২
৪টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পৃথিবীতে শ্রেষ্ঠ সম্পদ কি?

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৫ ই জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২১



এই মুহুর্তে আমি গাজীপুর যাচ্ছি।
সময় সকাল দশটা। রবিবার। রাস্তায় জ্যাম যেতে অনেক সময় লাগবে। লাগুক। সমস্যা নেই, হাতে অনেক সময় আছে। আজ আমার কোনো কাজ নেই। বউ বাচ্চা বাসায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

নির্বাসিত নক্ষত্রের শহর !

লিখেছেন দানবিক রাক্ষস, ০৫ ই জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৯



রাতের শেষে যে শহর জেগে থাকে
তার ভাঙা নীয়ন আলোয়
আমি দেখেছি মানুষের মুখ—
অথচ দেখিনি মানুষ ।
দেখেছি ক্লান্ত আত্মারা,
ধীরে ধীরে আত্মহুতি দেয় প্রতিরাতে।

চারদিকে শব্দ ছিল,
হাজার কথার বিষাক্ত ভিড় ছিল,
কর্পোরেট... ...বাকিটুকু পড়ুন

"তোমরা আমাদের মানুষদের কেন খুন করলে?"

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৫ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ৮:০১

জাপানের মানুষেরা আজও বুঝতে পারে নাই, কেন তাঁদের ছেলেমেয়েদের এভাবে হত্যা করা হলো। সেই দেশের মুরুব্বীরা এখনো এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে ফেরেন। আক্ষেপ করেন। আমার বোনের জামাই জাপানে পোস্ট ডক... ...বাকিটুকু পড়ুন

শত্রুর শত্রু

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০৬ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ৯:১৪

উগ্রবাদী আর উদারবাদী, দুটি ইসলামই একই রাজনীতি করে। তাবলীগ জামাতের লোকটি মাঠে এসে বলে মেয়েদের ফুটবল হারাম। তারপর বিশ্বকাপে সৌদি আরবকে সমর্থন করে রাস্তায় নামে। এই দুটি আচরণ পরস্পরবিরোধী নয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

রুবা

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৬ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:২৩



বিয়ের মঞ্চে বসে আছি। মঞ্চ বলতে চকির মতো একটা খাট, তার সম্ভাবত এক পা ছোট বা নাই, কারন সামান্য নাড়াচাড়ায় খাটা টালমাটাল হয়ে একদিকে কাত হয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×