somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সাইয়িদ রফিকুল হক
আমি মানুষ। আমি ত্বরীকতপন্থী-মুসলমান। আমি মানুষ বলে আমার ভুলত্রুটি হতেই পারে। বইপড়তে আমার ভালো লাগে। সাহিত্য ভালোবাসি। লেখালেখি আমার খুব শখের বিষয়। বাংলাদেশরাষ্ট্র ও গণমানুষের জন্য আমি লেখনিশক্তিধারণ করেছি।

তুর্কী-পাকি ভাই-ভাই—একদড়িতে ফাঁসি চাই।

১৭ ই মে, ২০১৬ রাত ১০:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


তুর্কী-পাকি ভাই-ভাই—একদড়িতে ফাঁসি চাই।
সাইয়িদ রফিকুল হক

নিজের বিবিধ শয়তানী, দুষ্কর্ম ও ক্রমাগত ধৃষ্টতাপ্রদর্শনের মধ্য দিয়ে তুরস্কের বর্তমান প্রেসিডেন্ট এরদোগান-শয়তান ইতোমধ্যে বিশ্বের বুকে একটা ‘বেআদব’ ও ‘শয়তান’ হিসাবে নিজের আসন পাকাপোক্ত করেছে। আর কয়েক বছর যাবৎ তার এই ধৃষ্টতা ও শয়তানী ক্রমেই বেড়ে চলেছে। তার মতো একটা পামর এখন বিশ্বের বুকে খুঁজে পাওয়া সত্যিই দুষ্কর। তবুও এই পাঁঠার কোনো লজ্জাশরম নাই। সে আগের মতো আমাদের দেশের একাত্তরের চিহ্নিত-যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষ নিয়ে একের-পর-এক আবোলতাবোল, আলতুফালতু, আজেবাজে ও ধৃষ্টতাপূর্ণ শয়তানী কথাবার্তা বলেই চলেছে। আর এই শয়তানটার অবস্থা এখন একটা দড়িছেঁড়া ষাঁড়ের মতো।

১৯৭১ সালে, যে-কয়েকটি রাষ্ট্র বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের তথা স্বাধীনতাসংগ্রামের সরাসরি বিরোধিতা করেছিলো তুরস্ক তাদের মধ্যে অন্যতম। এখনও তারা পাকিস্তানের দোসর হয়ে তাদের আগের জিদ, দাম্ভিকতা, আক্রোশ ও ব্যক্তিগত শত্রুতা বজায় রেখেছে। তুর্কীরা বরাবরই ভণ্ড। এদের চরিত্র চেঙ্গিস-হালাকু-চরিত্রের চেয়ে কোনো অংশে কম নয়—বরং কোনো-কোনো-ক্ষেত্রে এরা আরও বেশি নৃশংস। এদের ভয়াবহ দুর্বৃত্তায়নের একমাত্র তুলনা চলে বন্য-পাকিস্তানীদের সঙ্গে। তুর্কীরা পাকিস্তানদের যেন বৈমাত্রেয় ভাই! আর এখন তারা আপন ভাইয়ের চেয়েও বেশি ঘনিষ্ঠ। তাই, এই দুই অপশক্তি আমাদের রাষ্ট্র: বাংলাদেশকে দাবিয়ে রাখার জন্য এখন প্রতিনিয়ত নানারকম শয়তানীকর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। এর একটি হলো: তুর্কী-পাকিদের জমজ-ভাই একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি থেকে বাঁচানোর জন্য তারা আমাদের দেশের ভিতরে দেশবিরোধীঅপশক্তির সমন্বয়ে একটি অস্থিতিশীলপরিস্থিতির সৃষ্টি করতে চাচ্ছে।

তুর্কীরা এখনও আগের মতো শয়তানের পূজারী, আর মানবতার শত্রু। এদের ধর্মবোধ পাকিস্তানীদের মতোই। মুখে-মুখে শুধু কিছুক্ষণ ইসলাম-ইসলাম করা। আর ভিতরে সবরকমের শয়তানীই চলছে। এরা আমাদের চিরকালীন শত্রুরাষ্ট্র পাকিস্তানের সঙ্গে মিলেমিশে একাকার হয়ে বাংলাদেশের স্বার্থপরিপন্থীঅপকাণ্ডে নিয়োজিত। কথায় আছে: রতনে রতন চেনে, গাধায় চেনে মূলা, আর শূয়রে চেনে কচু। তুর্কীরা কচু খুঁজে পেয়েছে—তারা পাকিস্তানীমানকচু খেয়ে এখন একেবারে আধাপাগল। আর তাই, পাকিস্তানের সঙ্গে সুরমিলিয়ে তারা বাংলাদেশবিরোধী শয়তানীকর্মকাণ্ড ও বক্তব্য প্রদান করছে।

তুরস্ক পাকিস্তানকে চিনেছে। আর চিনেছে বাংলাদেশের একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের। এদের সবসময় ভালো লাগে শয়তান আর শয়তানী! তাই, এরা বাংলাদেশরাষ্ট্রের পক্ষে না থেকে রাষ্ট্রের ‘বর্জ্য’ একাত্তরের চিহ্নিত-যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষ নিয়ে ষড়যন্ত্র-শয়তানী করেই চলেছে।
একটা এরদোগান-শয়তান থেমে নেই। সে এখনও তার শয়তানী চালিয়ে যাচ্ছে। আর তাই, সে অতিসম্প্রতি ইউরোপীয় ইউনিয়ন-নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে তার ক্ষোভপ্রকাশ করেছে। তার কথা হলো ইউরোপীয় ইউনিয়ন-নেতৃবৃন্দ কেন আমাদের দেশের বাতিল মাল ‘নিজামী’র মৃত্যুদণ্ড-কার্যকরের বিরুদ্ধে কোনো প্রতিবাদ কিংবা সমালোচনা করেনি। সে এখানে পরাজিত হয়েছে। ইউরোপ তার পক্ষে কথা বলেনি। তারপরও সে থামেনি। বরং সে তার শয়তানীচেহারাটা নগ্নভাবেপ্রকাশ করে গত রবিবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে। এখানে, সম্পূর্ণ নির্লজ্জের মতো আবারও কথা বলে এরদোগান-শয়তান। ইউরোপীয় ইউনিয়ন-নেতৃবৃন্দকে উত্তেজিত করার জন্য সে বলেছে:

‘‘আপনারা (ইউরোপীয় ইউনিয়ন) যদি রাজনৈতিকভাবে মৃত্যুদণ্ডের বিরোধী হন—তাহলে, (আমাদের আব্বাহুজুর) মতিউর রহমান নিজামী—যিনি কয়েকদিন আগে (বাংলাদেশে) শহীদ হয়েছেন, তার মৃত্যুদণ্ড-কার্যকরের বিষয়ে কেন এখনও চুপ করে আছেন?”

সে সবার উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করে বলেছে: “আপনারা কি ইউরোপ থেকে কিছু শুনেছেন?...না। তাহলে, এটাকে কি দ্বৈতনীতি বলে না?”
একজন এরদোগান এভাবেই বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসসৃষ্টি করে চলেছে। কিন্তু এই শয়তানকে থামাতে হবে। সে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দকে আমাদের বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে পাকিস্তানের পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে চাচ্ছে।
অপরদিকে শয়তানরাষ্ট্র-পাকিস্তানের হোমরাচোমরারা তো আমাদের দেশের যুদ্ধাপরাধ নিয়ে জাতিসংঘে যেতে চাচ্ছে! শয়তান আর কাকে বলে! তাই, এই দুই শয়তান (তুরস্ক ও পাকিস্তানকে) একদড়িতে ফাঁসির ব্যবস্থাগ্রহণ করতে হবে।

সাইয়িদ রফিকুল হক
মিরপুর, ঢাকা, বাংলাদেশ।
১৭/০৫/২০১৬




সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই মে, ২০১৬ রাত ১০:০০
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দেশভাগের পর-

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:০৮



সময় তখন ১৯৫০ সাল।
ওমর আলীর জ্বর এসেছে। জ্বর নিয়েই তিনি পত্রিকা পড়ছেন। দীর্ঘদিনের অভ্যাস। টারজান গিয়েছে বাজার করতে। এর আগেও টারজান বেশ কয়েকবার বাজার করেছে। বাজার করতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

হায়ার সেলফ্‌

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:৪১


শীতের সময়ে রাত ১০ টা অনেক রাত। আর তা যদি হয় শহর থেকে দূরে শহরতলীতে,আবাসিক এলাকার আশপাশে,তাহলে তো কথাই নেই। রাত আটটা বাজতে না বাজতেই পাড়ার সকলে সেখানে... ...বাকিটুকু পড়ুন

এফএম রেডিও

লিখেছেন নাহল তরকারি, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:২০

২০০৯ সাল। একটি ছেলে। সে তার নানা নানীর সাথে মুন্সীগঞ্জ এ থাকতো। নানা তার নাতিকে একটি মোবাইল উপহার দেয়। নকিয়া ১৬৬১। সেই মোবাইলে এফএম রেডিও ছিলো। সে... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাষ্ট্রীয় সফর, আম তারেক আর চার সিটের দূরত্ব!

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:১৪

প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নেপালে রাষ্ট্রীয় সফরে যাবেন। সস্ত্রীক আমন্ত্রণ পেয়েছেন তিনি। তখন কিশোর তারেক রহমানেরও শখ জাগল—তিনিও নেপাল যাবেন।

বাবা বুঝিয়ে বললেন, রাষ্ট্রীয় সফরে যাওয়ার আমন্ত্রণ মানেই পরিবারের সবাইকে রাষ্ট্রীয় টাকায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

শাহজালাল রুমি দেশ ছেড়েছেন কার ভয়ে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:০৮


থাপ্পড়-কাণ্ডের পর দেশ ছেড়েছেন শাহজালাল রুমি। টঙ্গীতে নিজের মেয়ের সঙ্গে ঘটে যাওয়া অন্যায়ের প্রতিবাদ করাই যেন কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে তাঁর জন্য। গণমাধ্যমের সামনে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি, ব্যক্তিগত বার্তায় ভয়ভীতি প্রদর্শন,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×