somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সাইয়িদ রফিকুল হক
আমি মানুষ। আমি ত্বরীকতপন্থী-মুসলমান। আমি মানুষ বলে আমার ভুলত্রুটি হতেই পারে। বইপড়তে আমার ভালো লাগে। সাহিত্য ভালোবাসি। লেখালেখি আমার খুব শখের বিষয়। বাংলাদেশরাষ্ট্র ও গণমানুষের জন্য আমি লেখনিশক্তিধারণ করেছি।

তাহাদের কথা কতটুকু বিশ্বাসযোগ্য?

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:৪৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



তাহাদের কথা কতটুকু বিশ্বাসযোগ্য?
সাইয়িদ রফিকুল হক

১৯৫২ সালে, তাদের দেখি নাই। মানে, রাষ্টভাষা বাংলার পক্ষে তাদের একদিনও মিটিং-মিছিল কিংবা কোনো সমাবেশ করতে দেখি নাই! এমনকি তারা এর পক্ষে একটা কথাও কোনোদিন বলে নাই! বরং তারা ১৯৪৮ সালে, কুখ্যাত-কুলাঙ্গার জিন্নার উর্দুভাষাকে দুই পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার পক্ষে সুর মিলিয়েছিল। আর খুব সন্তুষ্টচিত্তে চুপচাপ বসে ছিল। কিন্তু তারা যখন দেখলো যে, উর্দু আর টিকবে না―তখন তারা গর্ত থেকে বেরিয়ে এসেছিল। আর ১৯৫২ সালে, পুরান ঢাকার বকশিবাজার-সংলগ্ন ‘ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসা-প্রাঙ্গণ ও এর আশেপাশে মিছিল করে দাবি করেছিল: ‘রাষ্ট্রভাষা আরবি চাই।’ এরা ছিল তাদের অনুগত ওই মাদ্রাসার ছাত্র। তাদের দেখাদেখি তৎকালীন পূর্বপাকিস্তানের আরও অনেক জায়গায়, মাদ্রাসায় ‘আরবি অথবা উর্দুকে’ই রাষ্ট্রভাষা করার পক্ষে মিছিল ও মিটিং হয়েছিল! সবই মনে আছে জাতির। তবে অনেকে হয়তো তা এখন বেমালুম ভুলে বসে আছে। কারণ, এদের স্বার্থ অন্যখানে। এরা চিরদিন স্বার্থের সেবাদাস।

১৯৫৪ সালে, বাঙালির যুক্তফ্রন্টে তাদের দেখা যায়নি। তারা সেই সময় পাকিস্তানের পক্ষে মুসলিম-লীগের দালালি করে বিরাট গর্ব অনুভব করছিল! এরা রাজনীতির নামে জীবনভর শুধুই অপরাজনীতি করেছে, আর তা এখনও করছে।

১৯৬২ সালের ছাত্রআন্দোলনে তাদের দেখা যায়নি। তাদের ছাত্রসংগঠন ‘ইসলামী ছাত্রসংঘ’ (স্বাধীনতার পর এরা ইসলামী ছাত্রশিবির নামধারণ করে) বাংলাদেশের খেয়েপরে পাকিস্তানের গুণকীর্তন করে আইয়ুব খানের সকলপ্রকার অনীতি ও দুর্নীতির পক্ষে সরবে, প্রকাশ্যে, বুকচিতিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল!

১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক ৬-দফা-আন্দোলনে তাদের দেখা যায়নি। এর পক্ষে তারা ছিল না। তারা ছিল সরাসরি এর বিপক্ষে। তারা তখনও আইয়ুব খানের সকলপ্রকার অনীতি ও দুর্নীতিকে সমর্থন করে অখণ্ড পাকিস্তানের পক্ষে জীবন দিতে বদ্ধপরিকর ছিল। তারা বাঙালির মুক্তির সনদ (ম্যাগনা কার্টা) ৬-দফাকে প্রকাশ্যে-অপ্রকাশ্যে একেবারে প্রত্যাখ্যান করেছিল।

১৯৬৯ সালের ঐতিহাসিক আগরতলা-ষড়যন্ত্র-মামলার বিরুদ্ধেও তাদের দেখা যায়নি। তারা সবকিছু জেনেশুনে এই ষড়যন্ত্রমূলক মামলার পক্ষে অবস্থান করেছিল। এমনকি তারা রাতের আঁধারে ঢাকা-শহরের দেওয়ালে লিখে রেখেছিল: শেখ মুজিবের ফাঁসি চাই। আর এর নিচে প্রচারকারী হিসাবে লেখা ছিল: জামায়াতে ইসলামী, পূর্বপাকিস্তান।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে এদের বাংলাদেশের পক্ষে দেখা যায় নাই। এরা সরাসরি মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে ছিল। আর তারা পাকিস্তানকে রক্ষা করার জন্য গড়ে তুলেছিল বাংলাদেশবিরোধী পৈশাচিক বাহিনী: শান্তিকমিটি, রাজাকারবাহিনী, আলবদর ও আলশামস। পাকিস্তানি আর্মিদের সঙ্গে এরা খুন, ধর্ষণ, হত্যা, লুটতরাজ, অগ্নিসংযোগ ইত্যাদি করাসহ ভয়ানক হত্যাযজ্ঞে মেতে উঠেছিল। ১৯৭১ সালে, এরা বাংলাদেশ চায়নি। এরা চেয়েছিল পাকিস্তান। এদের সেই মানসিকতার এখনও বিন্দুমাত্র পরিবর্তন হয়নি। তাই, এরা কীভাবে বাংলাদেশের হবে?

এরাই এখন ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী’ নামধারণ করে (আসলে, এখনও জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তান) সেই ‘জামায়াতে ইসলামী’র অপরাজনীতি করছে, নেজামে ইসলামের অপরাজনীতি করছে, হেফাজতে ইসলামের অপরাজনীতি করছে। এদের, সবার শিকড় একজায়গায়-একবংশে গ্রথিত-প্রোথিত। আর তারা চিন্তাচেতনায়, বিশ্বাসে, মননে, ভাবধারায়, আদর্শে ও কার্যকলাপে এখনও সেই পাকিস্তানি! এরা সবাই মিলেমিশে ১৯৭১ সালে, পাকিস্তানকে রক্ষা করতে চেয়েছিল। আজও এরা সেই জায়গায় তথা একই বৃত্তে ঘূর্ণায়মান। সেদিন তারা পাকিস্তানকে রক্ষা করতে পারেনি। কিন্তু আজ আবার পাকিস্তান-কায়েম করার স্বপ্ন দেখছে! কথা একটুও মিথ্যা নয়। এর পক্ষে অজস্র প্রমাণ রয়েছে।
এরা আবার একা ছিল না। এদের অনেক ভাই-বেরাদার তথা ‘বেরাদানে ইসলাম’ ছিল। এদের আবার অনেকরকম তথা অনেক প্রকারের নামধাম রয়েছে। সর্বস্তরের পাকিস্তানপন্থীদের নেতা ছিল এরা। এদের সঙ্গে ছিল আবার কতকগুলো ভণ্ডপীর ও তাদের দরবার। যেমন, শর্ষিণা ওরফে ছারছীনা-পীরের দরবার, তাদের অধীন শর্ষিণা আলিয়া মাদ্রাসা। চরমোনাই-পীরের দরবার, তাদের অধীন চরমোনাই-পীরের মাদ্রাসা। বাংলাদেশের বিভিন্নস্তরের স্বঘোষিত জৈনপুরের/জৌনপুরের/জৌনপুরীর/জৈনপুরীর পীর ও তাদের দরবার (এখানে, একটা খুব দরকারি কথা বলে রাখছি: কেউ আবার ভুলবশত ভারতের জৌনপুরীর দরবারকে মনে করবেন না। তাঁরা হজরত কেরামত আলী জৌনপুরী রহ.-এর অনুসারী। তাঁরা মদীয় আলোচনার সম্পূর্ণ বাইরে)। মাদারীপুরের বাহাদুরপুরের পীর ও তার দরবার, চট্টগ্রামের কাগতিয়া-দরবার ইত্যাদি। এরা ১৯৭১ সালে প্রকাশ্যে-অপ্রকাশ্যে পাকিস্তানের দালাল ছিল। এছাড়াও, তাদের নিত্যসঙ্গী ছিল ভারতের ‘দারুল উলুম দেওবন্দ’ থেকে পাস করা ও পড়ুয়া মোল্লা-মৌলোভীরা, চট্টগ্রামের হাটহাজারি-মাদ্রাসার ছাত্র ও হুজুররা। এখান থেকেই আজকে জন্ম নিয়েছে বাংলাদেশবিরোধী কথিত হেফাজতে ইসলাম। আরও আছে রাজনীতির অন্ধকারাচ্ছন্ন মানুষগুলো। এদের নাম আর নিতে চাইনে। তাহলে, ভিমরুলের চাকে খোঁচা দেওয়া হবে যে!
উল্লিখিত মাদ্রাসাগুলো ও পীরের দরবার ছিল পাকিস্তানি আর্মিদের ক্যাম্প ও তাদের এদেশীয় রাজাকারদের ঘাঁটি। তারা পাকিস্তান ও ইসলাম রক্ষার নামে তাদের মাদ্রাসাকে ও কথিত দরবারকে হত্যা, খুন, ধর্ষণ ও লুটতরাজের রৌরব নরকে পরিণত করেছিল।
১৯৭১ সালে, পিরোজপুরের শর্ষিণা-মাদ্রাসার তৎকালীন তথাকথিত পীর আবু জাফর ছালেহ সরাসরি পাকিস্তানকে সমর্থন করে পাকিস্তানি আর্মিদেরও সমর্থন করেছিল। শুধু তাই নয়, সে ও তার অধীন সমগ্র মাদ্রাসার ছাত্র ও হুজুর পাকিস্তানকে রক্ষা করার জন্য মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করতো, তাঁদের নাম-ঠিকানা ও ঘরবাড়ি পাকিস্তানি আর্মিদের জানিয়ে ও চিনিয়ে দিতো। রাজাকারদের কাছে সর্বপ্রকার তথ্যসরবরাহও করতো এরা। ১৯৭১ সালে, এই শর্ষিণা-মাদ্রাসা ছিল পাকিস্তানি আর্মিদের বৃহৎ একটা ক্যাম্প ও রাজাকারদের ঘাঁটি। এখানে, মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করা হয়েছে। এই মাদ্রাসায় অসংখ্য নারীধর্ষণ করা হয়েছে। মাদ্রাসার ছাত্ররা আশেপাশের হিন্দু-নারীদের ধরে এনে পাকিস্তানিদের হাতে তুলে দিতো। তারপর পাকিস্তানি আর্মিরা ওরফে জল্লাদরা দিন-রাত এদের উপর পৈশাচিক নির্যাতন চালাতো। একইভাবে চরমোনাই-পীরের মাদ্রাসাও ছিল পাকিস্তানি আর্মিদের ক্যাম্প ও রাজাকারদের ঘাঁটি। চরমোনাইয়ের পীর ইসহাক ও তদীয় পুত্র ফজলুল করিম ছিল পাকিস্তানিদের পা-চাটা গোলাম। পাকিস্তানি আর্মিদের আরেকটি বড় ঘাঁটি ছিল চট্টগ্রামের দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসা ওরফে হাটহাজারি-মাদ্রাসা। এখানে, পাকিস্তানি আর্মিদের সর্বপ্রকার সাহায্য-সহযোগিতার জন্য সেদিন উক্ত মাদ্রাসার ছাত্রদের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছিল ‘মুজাহিদবাহিনী’। এরাও হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে নিরপরাধ ও নিরীহ নারীদের ধরে এনে পাকিস্তানিদের ‘উপহার’ বা ‘হাদিয়া-তোহফা’ হিসাবে প্রদান করতো। সোজাকথায় তাদের ভেট দিতো।

আজকে এরাই ইসলামের কথা বলে! আজকে এরাই বাংলাদেশকে ভালোবাসার কথা বলে! আজ এরা অপরাজনীতি করে খাচ্ছে ইসলামের নামে। এরা নাকি ক্ষমতায় যেতে পারলে দেশের জন্য এই করবে, সেই করবে! আর কত কী করবে! এগুলোকে কী বলে? ‘মাছের মা’র পুত্রশোক’ নাকি ‘কুম্ভীরাশ্রুবর্ষণ’?
আসলে, ওরা কী করবে তাতো আমরা জানি। ওরা একবার ক্ষমতায় যেতে পারলে দেশটাকে আফগানিস্তান বানিয়ে ফেলবে। তারপর নিজেরা যথেচ্ছা ভোগবিলাসিতার সাম্রাজ্য বা যৌনস্বর্গ গড়ে তুলবে। মোগল-তুর্কি আমলের মতো নারীসম্ভোগের জন্য যত্রতত্র শাহি-হেরেমখানা বানাবে। শরিয়তের দোহাই দিয়ে যাকে খুশি তাকে বিয়ে করবে, বিয়ের নামে নারীভোগ করবে। নারীধর্ষণ করবে। মাদ্রাসাগুলোতে ছাত্র-বলাৎকার প্রকাশ্যে ঘটবে। আর সর্বপ্রকার খুন-ধর্ষণ আর ব্যভিচারকে নিজেদের জন্য একেবারে জায়েজ ঘোষণা করবে। কারণ, ১৯৭১ সালে, এরাই ইসলামের দোহাই দিয়ে আমাদের দেশের সতীসাধ্বী মাবোনদের ‘গনিমতের মাল’ বলে অভিহিত করে পাকিস্তানি আর্মিদের সঙ্গে একযোগে তাদের নির্বিচারে ধর্ষণ ও হত্যা করেছিল। আর এসবই তো এখন জাজ্বল্যমান ইতিহাস।

এরা এখন নিজেদের টাকা-উপার্জনের ওয়াজ-মাহফিলে দেশের জন্য কতরকম কান্নাকাটি করছে! দেশটাকে তারা ইসলামি হুকুমাতে ভরে দিবে! কিন্তু দুনিয়ার কোথাও কি ‘ইসলামি রাষ্ট্র’ বলে কিছু আছে? এরা সেই ১৯৭১ সাল থেকে এভাবে জোর করে, মিথ্যাকথা বলে, দেশের অশিক্ষিত-অর্ধশিক্ষিত সাধারণ ও নিম্নস্তরের মানুষদের হাতকরে, ভুলবুঝিয়ে, ধোঁকা দিয়ে ইসলামকে কায়েম করতে চায়। আসলে, এসবই তাদের লোকদেখানো নাটক। এরা ইসলামের কেউ নয়। এদের কারও মধ্যে সামান্যতম ‘ইসলাম’ বা ‘ইসলামের আদর্শ’ বলে কিছু নাই। এরা শুধু লেবাসধারী আর নিজেদের স্বার্থের ধর্মব্যবসায়ী। আর এরা ইসলামের নামে লাদেন ও মোল্লা ওমরের মতো ভোগবিলাসিতায় ডুবে থাকতে চায়। তাদের এমনিতে কোনো যোগ্যতা নাই। আছে শুধু চাপাবাজি আর ধর্মের নামে মনগড়া ও ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে নিজেদের সুযোগ-সুবিধা গড়ে তোলার হীনমানসিকতা। আর প্রতিনিয়ত এরা ষড়যন্ত্র করছে দেশের রাষ্ট্রক্ষমতা-দখল করার জন্য। এরা জানে, ভোটে এরা কোনোদিনও ক্ষমতায় যেতে পারবে না। এদের একমাত্র অস্ত্র হলো মিথ্যাচার ও ধর্মের নামে মিথ্যাকথা বলা। এই অস্ত্রের জোরে এরা আজ দেশের নিম্নস্তরের মুসলমানদের মন ও মগজ ধোলাই করছে। কিন্তু দেশের সবাই তো আর নিম্নস্তরের নয়! সেক্ষেত্রে, এদের আশায় গুড়ে বালি! তবুও এরা বসে নাই। নিজেদের সামান্য পড়ালেখার গর্বে এরা গর্বান্ধ, ধর্মান্ধ ও জ্ঞানান্ধ হয়ে দেশের বুকে অপরাজনীতি করে যাচ্ছে। এরা নীতিনৈতিকতায় কখনোই আদর্শবান হয়ে উঠতে পারে নাই। লোভ, হিংসা, জিঘাংসা, রিরংসাবৃত্তি, ছলচাতুরি, ধোঁকাবাজি, ষড়যন্ত্র ও অহংকারে একেকটা হয়ে উঠেছে আপাদমস্তক ভণ্ড ও জোচ্চোর। এদের কাছ থেকে দেশের সাধারণ মানুষ তথা মুসলমান কী শিখতে পারবে? এরা নিজেরা প্রকাশ্যে প্রথম শ্রেণির ভণ্ড। তাই, ভণ্ডামি ছাড়া এরা মানুষকে আর কীইবা শেখাতে পারবে?
ইসলামের নামে―মানে, ইসলামের কথা বলে এরা সমাজে-রাষ্ট্রে মনগড়া, আবোলতাবোল ও আজেবাজে কথার ফুলঝুরিতে ওয়াজমাহফিল চালু করেছে। এদের ওয়াজে শুধু গালিগালাজ, পরনিন্দা, পরচর্চা, গীবত, শেকায়েত, মিথ্যাচার, বাড়াবাড়ি, রাষ্ট্রবিরোধী ঔদ্ধত্য, সীমাহীন আস্ফালন ও অপতৎপরতা, আর সর্বোপরি যাবতীয় ভণ্ডামিই প্রকাশ পাচ্ছে! এতে মানুষের কী উপকার হয় বা হবে? তবে এদের পকেট ভারী হচ্ছে। কিন্তু ক্ষতি হচ্ছে দেশ ও জাতির। এরা আজকে ‘ইসলামী রাজনীতি’র নামে জাতিগতসংঘাতসৃষ্টি করছে। মানুষে-মানুষে ভেদাভেদসৃষ্টিসহ ঝগড়া-ফাসাদও সৃষ্টি করে চলেছে। অহেতুক, শুধু নিজেদের স্বার্থে, কারও মতাদর্শ নিজেদের মনমতো না-হলেই এরা তাকে দুর্বল করে ফেলার ও সমাজে-রাষ্ট্রে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য ‘নাস্তিক’ বলে আখ্যায়িত করছে। আর এদের সঙ্গে যে সুর-মেলাবে সে খুব ধার্মিক! এরা ১৯৫২ সাল থেকে অদ্যাবধি বাংলাদেশরাষ্ট্রকে ভালোবাসেনি, ভালোবাসতে পারেনি। তাহলে, এরা এখন কীভাবে বাংলাদেশকে ভালোবাসার কথা বলে? তাদের কথা কতটুকু বিশ্বাসযোগ্য? সময় এসেছে আজ এসব ভেবে দেখার।

এরা আজ ইসলামের নামে, ইসলামী রাজনীতির নামে যতই দেশপ্রেমের কথা বলুক না কেন―তাদের কি বিশ্বাস করা যায়?



সাইয়িদ রফিকুল হক
২৫/১২/২০২০
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০২০ রাত ৯:২০
৮টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

×