অনেক দিন পর রূপার সাথে দেখা। শেষ কবে দেখা হয়েছিলো মনে নেই। মনে করেই বা কি হতো??
মেয়েটা কে অনেক বেশি পরিমানে ভালবাসতাম। কতো রাত যে নির্ঘুম কেটেছে তার তল খুঁজে পাওয়া যাবে না।
সারাক্ষণ মেয়েটার মুখে কেমন জানি হাসি লেগে থাকতো। এতো বেশি পরিমানে গোলাপি আভা বিরাজ করতো যে তা দিয়ে একটা কাব্যের শেষ টান দেওয়া যেত।
এতো বেশি পরিমানে মায়াবী মুখ, মনে হয় শিল্পীর তুলি দিয়ে নিখুঁত ভাবে আকা। সত্তি বলতে আমি ওর মুখের দিকে এখনো তাকাতে পারি না । ভয় হয় যদি আবার সেই ভুল করে ফেলি।
মায়াবী চোখের মেয়েরা খুব সুন্দর করে মিথ্যা বলতে পারে। আপনি কোন কারন ছাড়াই এদের কথা বিলিভ করে ফেলবেন। এরা খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আপনাকে মোহাচ্ছন্ন করে ফেলতে পারে। আল্লাহ্ তা আলার অশেষ রহমত দিয়েই এরা তৈরি।
রূপা কে হয়তো আমি হয়তো খুব বেশি পরিমানে চাইতাম। তাই হয়তো আর পাওয়া হয়নি। থাকুক না হয় জিবনে কিছু অপূর্ণ তা। সবকিছু পেতে হবে এমন তো কথা নেই। বরং পেলে তা হারানোর আরও ভয় থাকে। ভাল থাকুক না হয় ভালবাসা। আমি নাহয় দূর থেকে দেখেই সুখ টা উপভোগ করে নিলাম।
তারপর হঠাত এক কাক ডাকা ভোরে শুনলাম কোন এক একুশ পেরোনো টগবগে তরুনের হাত ধরে সুখ অন্নেশনে পারি জমিয়েছে। খবর টা শোনার পর হঠাত করেই স্থবির হয়েছিলাম। মাঝে মাঝে কিছু অপ্রত্যাশিত ব্যাপার ঘটে যা মানুষ কে চিরদিনার জন্য এক খন্ড বরফে পরিনত করে দিয়ে যায়। কতো কি ভেবে যে মন কে বুঝিয়েছি তা কেও জানে না। হয়তো জানবেও না।
তারপরে আর রূপার সাথে অনেক দিন আর দেখা হয় নি। কেমন করে যেন এতো গুলো বছর পাড়ি দিয়েছি। কতো রাত চোখের পানিতে বালিশ ভিজে গেছে তার কুলকিনারা নেই।
তারপর হঠাত আজ দেখা। মুখের সেই মায়াবী আভা এখন আর নেই। চোখ গুলো কেমন জানি কুঠুরির ভিতর চলে গেছে। সেই মায়াভরা চোখ আর এখন কাছে টানে না। চুলগুলি এখন আর বাতাসের সাথে খেলা করে না। আর আমিও এখন আর রূপার কথা শোনে পাথর হয়ে বসে থাকি না। সময়ের প্রয়োজনে সবি বদলে গেছে। অনুভূতি গুলো মাঝে মাঝে নাড়া দিয়ে যায়। তারপরেও মাঝে মাঝে ভাবি ভাল থাকুক ভালবাসা, যত্নে থাকুক যেখানে থাকে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

