গোপন কথার দিন কি শেষ হচ্ছে ?
ঘটনাটি ঘটিয়েছেন জার্মানীর কারস্টেন নোহল নামের এক কম্পিউটার বিজ্ঞানী। জিএসএম টেকনোলজির গোপন সংকেত ভেঙ্গে ফেলার ব্যাপারে তিনি বিবিসিকে বলেছেন, এটা শুধু দেখাতে চেয়েছি মোবাইল ফোনে কথা বলাকে গ্রাহক যত নিরাপদ বলে মনে করেন, আসলে তারা ততটা নিরাপদ নন। এক প্রান্তের মোবাইল আলাপ অপর প্রান্তের নাম্বারে পাঠানোর আগে যে অ্যালগরিদম ব্যবহার করে এনক্রিপ্ট (মানুষের দুর্বোধ্য জটিল সংকেতে রূপান্তর) করা হয় তা বের করে ফেলেছেন তিনি। অপর প্রান্তের এনক্রিপ্ট করা তথ্য শ্রোতার প্রান্তের মোবাইল ফোনে ঢোকার পর ডিক্রিপ্ট (দুর্বোধ্য সংকেতগুলো খুলে ফেলা) করে সফটওয়্যারের মাধ্যমে শব্দে রূপান্তরিত হয় যেটা আমরা শুনতে পাই। কিন্তু এই প্রযু্িক্তর জারিজুরি বের করে ফেলেছেন তিনি। এখন জিএসএম প্রয্ুিক্তর জন্য নতুন করে অ্যালগরিদম না লিখলে হ্যাকার এবং ক্রিমিনালরা টার্গেট অনুযায়ী ফোনালাপ রেকর্ড করার কাজে নেমে পড়তে পারে।
জিএসএম টেকনোলজির অ্যালগরিদম ভাঙতে নোহল একটানা পাঁচ মাস কাজ করেছেন। এই কাজে তাকে সহায়তা দিয়েছেন কয়েক ডজন প্রযুক্তিবিদ। জিএসএম এই অ্যালগরিদমের প্রণেতা এবং এর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে আছে দ্য জিএসএম এসোসিয়েশন (জিএসএমএ)। এসোসিয়েশনের একজন মুখপাত্র নোহলের এই কাজকে ‘উচ্চমাত্রার অবৈধ কাজ’ বলেছেন। তিনি বলেছেন, একে সহজভাবে নেয়া হবে না। কিন্তু নোহল দাবি করেছেন, তিনি এই কাজে নামার আগে আইনজীবীদের সঙ্গে আলাপ করেছেন। এটা অবৈধ নয়। মানুষের জানার অধিকার আছে তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা সুরক্ষিত। ঝুঁকিপূর্ণ হলে তা সংশোধনের দাবি রাখে।
একটি মোবাইল ফোনের কথোপকথনের কিংবা ক্ষুদ্র বার্তার (এসএমএস) গোপন সংকেত নোহল একটি ডাটা টেবিলে দেখিয়েছেন। একটি ভাল মানের কম্পিউটার এবং ৩ হাজার ডলার দামের রেডিও ইকুইপমেন্ট ব্যবহার করে যে কেউ এই সংকেতগুলোকে কথায় রূপান্তর করতে পারবে! আর ৩০ হাজার ডলারের মতো খরচ করলে যে কারো মোবাইল আলাপ ‘রিয়েল টাইম’ শোনা সম্ভব। একজন ডাটা একক্রিপশন বিজ্ঞানী এই ঘটনাকে ‘উদ্বেগজনক’ উল্লেখ করে যত শীঘ্র নতুন করে আরো জটিল অ্যালগরিদম লেখার উপর জোর দেয়ার কথা বলেছেন যাতে নোহলের মতো কেউ তা ভাঙতে না পারেন।
সবাই কে হ্যাপি নিউ ইয়ার -২০১০ ।
সুত্র : ইত্তেফাক -৩১-১২-০৯
রাজনীতি নাকি ক্ষমতানীতি

রাজা কোথায়?
রাজমুকুট আজ জাদুঘরের কাঁচে
রাজদণ্ড ইতিহাসের ধুলোমাখা পৃষ্ঠায়
বহু দেশেই রাজতন্ত্রের সিংহাসন বহু আগেই
নেমে গেছে মানুষের নির্মিত প্রজাতন্ত্রের পথে
তবু আমরা বলি রাজনীতি।
কেন বলি?
শব্দটি এত পরিচিত
যে পরিচয়ের আড়ালে প্রশ্নটি হারিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন
যে ইতিহাস আমাদের জানতে দেওয়া হয়নি অথবা ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে!

আপনি জানেন কী?
ব্রিটিশরা প্রশাসনের সুবিধার জন্য ১৮৩৭ সালে ফারসি ভাষা বাদ দিয়ে আঞ্চলিক ভাষা ও উর্দুকে নিচ তলার দাপ্তরিক কাজে চালু করে।কারণ মুঘল আমল থেকেই প্রচলিত প্রশাসনিক কর্মীদের কাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন
কবিতা
" অদেখা দূরত্ব "
তুমি ছিলে আমার সেই নাম যা আমি উচ্চারণ করতে পারিনা,
তবে বুকের ভিতর হাজার বার জপ করি।
তুমি আমার সেই আলো যা আমি চোখে দেখিনা,
লুকিয়ে রাখি হৃদয়ের অভ্যন্তরে... ...বাকিটুকু পড়ুন
একলা আমি...
সব মানুষের ভিতর একটা একলা 'আমি' থাকে। যে আমি হাজার মানুষের ভিড়েও নিজের একাকিত্বকে আগলে রাখে। সেখানে একটা 'তুমি'ও থাকে। যে তুমি, চিরবিরহের। যে তুমি অনেক দূরের, যাকে চোখ দেখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন
বালছাল মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী!
প্রথম পাতায় ব্যান ব্লগারের একটি পোস্টে ব্লগার রাজীব নূর মন্তব্য করে বলেছেন - “ওদের কে ‘বালছাল’ লিখতে দেন। বিনোদন নষ্ট করবেন না।”
বাহ! কী চমৎকার গণতান্ত্রিক দর্শন! এতদিন জানতাম দেশে তথ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।