somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ভারত পরীক্ষিত বন্ধু, মাই ফুট!!!!

১৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:০৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



ভদ্রলোককে বেশ উত্তেজিত মনে হচ্ছে। আমি চুপচাপ উনার বক্তব্য শুনে যাচ্ছি। রাগে বেচারার চোখমুখের শিরাগুলো দপদপ করছে। আমার কিছু প্রশ্নতে উনাকে তাতিয়ে তুলেছে মনে হয়।

ইনি বাংলাদেশের একটি নামকরা প্রাইভেট ভার্সিটির তরুণ শিক্ষক। কয়েক বছর পশ্চিমা এক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করার পর ঘরের টানে পাকাপোক্তভাবে দেশে চলে এসেছে। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ভীষণ আবেগী। বাবা মুক্তিযুদ্ধের স্থানীয় কমান্ডার ছিলেন। দেশের প্রতি অপরিসীম মায়া। পশ্চিমা আরাম-আয়েশ করার সকল সুযোগ সুবিধা থাকা সত্ত্বেও দেশে থাকার ইচ্ছা পোষণ করার জন্য বুকের পাটা কয় জনের আছে। ভদ্রলোকের প্রতি তাই আমার একটি ভালো শ্রদ্ধার জায়গা রয়েছে।

আমরা কিছুটা সমমনা হওয়ায় প্রায়ই এখানে-সেখানে আড্ডার আসর জমিয়ে তুলি আরো দু একজনকে নিয়ে। সন্ধ্যাবেলায় বনানীর এক রেস্তোরাঁয় মুখোমুখী বসে তাঁর এই যুদ্ধংদেহী ভাব দেখে আমি নিজেও কিছুটা আবেগ তাড়িত হয়ে পড়লাম।

আমাদের আলোচনার কিছু অংশ তুলে ধরা হলঃ

আমিঃ ভারত তো আবার বাংলাদেশের পক্ষে ভোট দেওয়ায় বিরত...।

তিনিঃ (আমার কথা শেষ হওয়ার আগেই)...ভাই, থামেন। মেজাজ যথেষ্ট খারাপ রয়েছে।

আমিঃ আপনার কি মনে হয় রোহিঙ্গা সমস্যা বাংলাদেশের জন্য মারাত্মক একটি ভবিষ্যৎ বয়ে আনতে পারে? বাংলাদেশ নিজেই একটি দরিদ্র দেশে সাথে প্রায় ১০ লক্ষ লোকের ভোরণ-পোষণ করা। কিংবা এদের ফেরত নেওয়া নিয়ে মায়ানমারের সাথে একটি দীর্ঘমেয়াদী খারাপ সম্পর্কের মধ্যে দিয়ে যাওয়া।

তিনিঃ দেখুন, মানবিক দিক বিবেচনায় এই লোকগুলোকে বাংলাদেশ সরকার কিছুতেই সীমান্তের উপারে কুরে কুরে মরতে দিতে পারে না। এতে আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশের সুনামে মারাত্নক প্রভাব পড়ত। প্রাথমিক অবস্থায় বাংলাদেশ যা করেছে তা প্রশংসাযোগ্য। কিন্তু এর পর যা দেখছি তাতে কোন আশার আলো নেই। এখানে বাংলাদেশ কূটনৈতিকভাবে চরমভাবে ব্যর্থ। আমি কখনই ভাবতে পারি নি যে ভারত বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে মায়ানমারকে সাপোর্ট করবে। এটা বাংলাদেশ সরকারের ডিপ্লোমেসিতে একটি কালো অধ্যায় হিসেবে থাকবে।

আমিঃ চীনও তো বাংলাদেশের পাশে নেই। এটা কীভাবে দেখছেন?

তিনিঃ চীন পাশে থাকবে না এটা আগে থেকেই জানা কথা। কারণ তারা এখন মায়ানমারকে বেস ধরে ভারত মহাসাগরে তাদের আধিপত্য যা ‘স্ট্রিং অব পার্ল’ বলে সমদ্র ঘাঁটির মাধ্যমে কায়েম করতে চাচ্ছে। তাই তারা বার্মার পাশে থাকবে এটাই স্বাভাবিক। চীনের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামরিক স্বার্থ বার্মাতে বাংলাদেশের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি। তবে বাংলাদেশ সরকার মানবিক দিককে গুরুত্ব দিয়ে চীনের সহানুভূতি আদায় করতে কূটনৈতিকভাবে আরো তৎপর হতে পারত। এখানেও বাংলাদেশ ব্যর্থ।

আমিঃ বাংলাদেশও তো চীনের ব্যাপক অর্থনৈতিক কর্মকান্ড চলছে...

তিনিঃ আমার মনে হয় চীন ও ভারতের পৃথক পৃথক কারসাজিতে মায়ানমার এই অসহায় রোহিঙ্গাদের উপর ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে।

আমিঃ ব্যাপারটা একটু খোলাসা করলে ভালো হতো। কারণ চীনের এখানে ভূমিকা থাকলেও ভারত কীভাবে কারসাজি করছে?

তিনিঃ প্রথমে চীনেরটা বলি। আপনি হয়ত শুনে থাকবেন বাংলাদেশের সোনাদিয়াতে একটি ডিপ সি পোর্ট করার সকল প্রকার আয়োজন সেরে ফেলেছিল। চীন ব্যাপকভাবে ধরেছিল তারাও এর অংশীজন হবে নির্মাণকাজে। ভারত এটাকে তাদের ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থে বাংলাদেশের উপর চাপ প্রয়োগ করে সোনাদিয়া গভীর সমুদ্র বন্দর প্রজেক্টটায় পরিত্যক্ত ঘোষণা করতে বাংলাদেশকে বাধ্য করে। এর পরিবর্তে পায়রা বন্দর নামে ভারতীয় বিনিয়োগের নামে আধা-খেচড়া একটি প্রায় নন ভায়াবল পোর্টকে সমর্থন দিয়েছে। এখানে ভারতের যুক্তি চীন চট্টগ্রামের সোনাদিয়াতে গভীর সমুদ্রবন্দর তাদের ‘স্ট্রিং অব পার্ল’র একটি অংশ। বাংলাদেশ সরকারও ভারতীয় কিছু বিনিয়োগ, বিদ্যুৎ, ক্রেডিটের মূলাতে গভীর সমুদ্র বন্দরের ধারণা থেকেই সরে এসেছে। যা বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য মারাত্মকভাবে দরকার এক দশকের মধ্যেই।

এতে চীন অবশ্যই ভীষণ নাখোশ হয়েছে। বাংলাদেশে তাদের রাজনৈতিক বা সামরিক স্বার্থ থাকল না। ফলে তারা মায়ানমারের আরাকানের কিউকপিউতে তাদের সমুদ্র বেস করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। ৬-৭ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ।

আবার ভারতও আরাকানের সিতেতে একটি সমুদ্র বন্দরে বিনিয়োগ করছে। তাদের ওএনজিসি কোম্পানী সমুদ্রে তেল ও গ্যাস তুলছে যা পাইপলাইনে করে দক্ষিন-পূর্ব রাজ্যগুলোর ভিতর দিয়ে যা আগে বাংলাদেশের ভিতর দিয়ে নেওয়ার কথা ছিল, নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে।

এখন দেখা যাচ্ছে বৈশ্চিক পট পরিবর্তনে আরাকানের রোহিঙ্গা প্রধান অঞ্চল একটি ভারনেরেবল বা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে চরমপন্থী ইসলামী দলগুলোর তাদের জিহাদী কার্যকলাপ পরিচালনা করতে। কারণ আরাকান ভূমির অবস্থানগত কারণে কিছুটা জঙ্গী তৎপরতায় সুবিধাজনক জোনে রয়েছে। বলতে গেলে মায়ানমার থেকে কিছুটা পাহাড়দিয়ে বিচ্ছিন্ন এই অঞ্চল। এই জঙ্গী কার্যক্রম যদি কখনো আরাকানে বৃদ্ধি পায় তাতে বঙ্গোপসাগরের তেল ও গ্যাসের সরবরাহে চীন ও ভারতের মারাত্নকভাবে বাধাগ্রস্ত হবে। আর এটা ব্যাপক আকার ধারণ করলে মায়ানমার সরকারেরও কিছু করার থাকবে না। এই ধরণের একপেশে ভারত ও চীনা গোয়েন্দাদের রিপোর্টের ভিত্তিতে সামরিক জান্তা একটি চরম সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে। জাতিগত নিধন ও উচ্ছেদ। যাতে ভবিষ্যতে এই ধরণের কোনো চরমপন্থীদের মোকাবেলা করতে না হয়।

এই রকম অভিন্ন স্বার্থে ভারত ও চীন একই সুরে গীটার বাজাচ্ছে বাংলাদেশের কানের কাছে কর্কশভাবে।

আমিঃ ভারত তো আমাদের পরীক্ষিত বন্ধু। তাদের তো মায়ানমায়ের চেয়ে বাংলাদেশের স্বার্থ বেশি দেখা উচিত।

তিনিঃ (কিছুটা রাগান্বিত ও বিকৃত স্বরে) ভারত পরীক্ষিত বন্ধু, মাই ফুট। আপনার মনে রাখা দরকার যে ভারত হচ্ছে চানক্যনীতির দেশ। তারা ক্ষ্যাপ দেওয়া পতিতার মতো। মালকড়ি বেশি পেলে তাদের সাথেই রাত কাটাবে।

আমিঃ (উনার এইরকম রেস্তোরাঁতে বসে লাগামছাড়া কথাবার্তায় আমি কিছুটা বিব্রত হয়ে) এটা কি একটু বেশি রূঢ় হয়ে গেল না...

তিনিঃ থামুন, থামুন। সত্য সবসময় তিতা। ভারতের কোন উপকারটা আপনি বিনা স্বার্থে পেয়েছেন।

আমিঃ কেন? সমুদ্র সীমা নির্ধারণে ও ছিট মহল সমস্যা সমাধানে ভারতের জমি ছাড়...

তিনিঃ (আমার মুখের কথা কেড়ে নিয়ে) সমুদ্র সীমা। আপনার কি মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। ভারত আমাদের সীমানার বিরোধিতা করে আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে যেতে বাধ্য করেছে। ভুয়া ক্লেম করে প্রায় বিশ হাজার বর্গ কিলোমিটার জায়গা নতুন করে পেয়েছে। এখানে বন্ধুত্বের কি দেখলেন।

আর ছিটমহল তো তাদের স্বার্থেই তাদের সমাধান করতে হত।

আমিঃ এটা কেমন...

তিনিঃ দেখুন, কংগেস ক্ষমতা থাকাকালীন বিজেপি তীব্রভাবে প্রতিবাদ করেছিল এই ছিটমহল বিনিময়ে। কারণ তাতে ভারত বেশ কিছু ভূমি হারাবে বাংলাদেশের কাছে। এই ধুয়ো তুলে বিরোধিতা করেছে। আর বিজেপি’র বরাবরই মিথ্যা অভিযোগ ছিল ভারতে প্রায় দু কোটি বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী বাস করছে। আর এই ছিটমহলের সীমানা চিহ্নিত না হওয়া জায়গাগুলোকে তারা অনুপ্রবেশের মুখ হিসেবে বিবেচিত করে। তাই ভবিষ্যতে যাতে দরিদ্র বাংলাদেশ থেকে আর কোনো অনুপ্রবেশকারী ভারতে প্রবেশ করতে না পারে এর একটি টেকসই উপায় হিসেবে ছিটমহল বিনিময়। এর ফলে তারা পরিপূর্ণভাবে কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে বাংলাদেশ থেকে আইসোলেট করতে পারবে। এটা বিজেপি সরকারের হিন্দুরাষ্ট্র ভাবনার একটি দীর্ঘমেয়াদী ভাবনার ফল। এই কারণে তারা নিজের নাক কেটে (কিছু জমি হারিয়ে) হলেও কথিত পরের যাত্রা (অনুপ্রবেশ) ভঙ্গ করার ব্যবস্থা করেছে।

কিন্তু বাস্তবতা কি দেখলেন? বাংলাদেশ থেকে যদি কোটি কোটি লোক অনুপ্রবেশই করছে, তাহলে ছিটমহল বিনিময়ের সময় বাংলাদেশের ভিতরে পড়া ভারতের লোকজনের চল্লিশ হাজার জনগোষ্টীর মধ্যে ১০০০ জনেরও কম কেন ভারতে যেতে ইচ্ছুক ছিল। সবারই তো ভারতে গিয়ে সুখে শান্তিতে বাস করার কথা। ভারতীয় মানুষ ও পত্রিকাওয়ালারাও তো এটাই শিয়ালের হুক্কো হুয়ার মতো এক স্বরে বলে আসছিল। এখন দেখা যাচ্ছে সাত-আটশ জন যারা গেছে তারাও এখন বাংলাদেশে ফেরত আসতে চাচ্ছে। আরো অনেক কিছুই সমালোচনা করা যায় এখানে।

আমিঃ আপনাকে ভারতের ব্যাপারে বেশ আক্রমণাত্নক মনে হচ্ছে...

তিনিঃ এখানে আক্রমণের কি হল...আমি শুধু ফ্যাক্টটুকু তুলে ধরছি। ভারতের সাধারণ খেটে খাওয়া পাবলিকের সাথে আমার কোনো বিরোধ নেই। আমার বেশ কিছু ভারতীয় বন্ধু রয়েছে। বাইরে পড়াশুনাকালীন আমার রুমমেটও ছিল ভারতীয়। ভারতে বেশ কয়েকবার গিয়েছি। হিন্দু বন্ধুদের বাসায় উঠেছি। খেয়েছি। আমার এখানে কোন অভিযোগ নেই। আমার কথা হচ্ছে বাংলাদেশ যেভাবে ভারতকে বিভিন্ন ইস্যুতে সহযোগিতা করছে বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে। আমি তাঁর কিছুই দেখছি না ভারতের পক্ষ থেকে। বাংলাদেশ নিজের অনেক ত্যাগ স্বীকার করে এই বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়েছে। সে তুলনায় ভারত কিছুই করছে না। এইখানটাতেই আমার ক্ষোভ।

আমিঃ বাংলাদেশ কী ত্যাগ স্বীকার করল...?

তিনিঃ অনেক। অনেক। কয়টা শুনবেন? আপনি পরেশ বড়ুয়াদের নাম শুনেছেন। যাদের বিএনপি সরকার পুষে-টুষে রাখত দেশের ক্ষতি করে। এরা বাংলাদেশ থেকে ভারতের দক্ষিণ-পূর্ব রাজ্যগুলোর বিচ্ছিন্নবাদীতায় নিজেদের নিয়োজিত রেখেছিল। এর আগের সরকারের পররাষ্ট্রনীতি (হা...অশ্লীল গালি দিয়ে) পাকি আইএসআই ঘেঁষা হওয়ায় ভারতের এই উলফা-টুলফা বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নিয়ে ভীষণ চাপে থাকত। দশ-ট্রাক অস্ত্রের কথা মনে আছে নিশ্চয়। পাকি হায়েনারা বেশ ভালোভাবেই এদেশে ইনভলভ ছিল এইসব জঙ্গি কার্যকলাপে। কিন্তু লীগ সরকার এসে পররাষ্ট্রনীতি পাকি থেকে কুটিল দাদামুখী করেছে। ফলে এই পরেশ বড়ুয়া-ফড়ুয়াদের দিন শেষ হয়ে যায়। এখন ভারতের সেভেন সিস্টার্স অনেকটায় শান্ত। এটা সরকারকে অনেক ত্যাগ স্বীকার করেই তা করতে হয়েছে। এর প্রতিদান কোথায়?

আমি শুধু নীরবে উনার এই সব চরম বাস্তবতাগুলো শুনে যাই। উনার এই দেশের প্রতি মমত্ববোধ ও ভালোবাসা আমাকে আপ্লুত করে। আমরা কেউ ভারতপ্রেমী-কেউ ভারত বিদ্বেষী, কেউ পাকিপ্রেমী-কেউ পাকি বিদ্বেষী। ভাবি আমরা কবে খাঁটি বাংলাদেশী হব। যে শুধুই বাংলাদেশের স্বআর্থ দেখবে। প্রতিবেশীর সাথে উইন-উইন ব্যবস্থা বজায় রেখে গরীব এই দেশকে সমৃদ্ধির শিখরে তুলে ধরার প্রত্যয়ে ইস্পাত কঠিন দৃঢ়তা দেখাবে!!!!!

ছবি: নিজের তোলা।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:০৮
৪৯টি মন্তব্য ৪৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কাজে যোগদান ভুল হচ্ছে, ইউরোপ আমেরিকায় শীপমেন্ট বন্ধ থাকার কথা

লিখেছেন চাঁদগাজী, ০৫ ই এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ২:১৭



গত ৪০ বছরে, গার্মেন্টস'এর মালিকরা ও অন্যান্য মধ্যভোগীরা যেই পরিমাণ সম্পদের মালিক হয়েছে, তাতে তাদের কর্মচারীদের বিনা কাজে ২/১ বছর মিনিমাম বেতন দেয়ার ক্ষমতা তারা রাখে। গার্মেন্টস'এর... ...বাকিটুকু পড়ুন

আল্লাহ কেলা?

লিখেছেন মোহাম্মাদ আব্দুলহাক, ০৫ ই এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০৮




মানুষ মারার সব আছে, আহত অথবা অসুস্থ মানুষকে সম্পূর্ণ সুস্থ করার কিচ্ছু নেই। কেন জানেন? আঁতেলরা বলেন, মানুষ মানুষকে মারতে পারে, মানুষ মানুষকে বাঁচাতে পারে ন। জন্ম মৃত্যু মুসলমানদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

— করোনার সাথে পথে চলতে চলতে———

লিখেছেন ওমেরা, ০৫ ই এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২২



সারা পৃথিবী লক-ডাউন হয়ে আছে কভিড- ১৯ করোনা আতংকে। মানুষের প্রতিটা মূহুর্ত কাটছে ভয় আর উৎকন্ঠায়। এই মূহুর্তে সম্ভবত পৃথিবীর একমাত্র ব্যাতিক্রম দেশ,সেই দেশের বাসিন্দা আমি, নাম তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

থটস

লিখেছেন জেন রসি, ০৫ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ১১:৪৬





১৮৪৬ সালে মার্কস এবং এঙ্গেলস মিলে “The German Ideology” নামে একটা বইয়ের পান্ডুলিপি লিখেছিলেন। কিন্তু বইটা প্রকাশিত হয় ১৯৩২ সালে। এই বইতে তারা শুধু ভাববাদকেই না ফয়েরবাখের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনা কমপক্ষে গার্মেন্টস'এর ছুটিটা নিজ হাতে কন্ট্রোল করতে পারতো

লিখেছেন চাঁদগাজী, ০৫ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ১১:৫২



শেখ সাহেব জানতেন যে, উনার মেয়ে বুদ্ধিমতি নন, সেজন্য মেয়েকে রাজনীতিতে আসতে দেননি; কিন্তু রাইফেল জিয়া শেখ হাসিনার জন্য পথ রচনা করে গেছে। কমবুদ্ধিমানরা অনেক সময় খুবই নিবেদিত... ...বাকিটুকু পড়ুন

×