ড. রহমান বেশ কিছু পরীক্ষা নীরিক্ষা সম্পন্নকরতে বললেন বুশকে। বুশ যদিও জানতেন ড. রহমানের এগুলো টাকা কামানোর একটি অশুভ পায়তারা ছাড়া আর কিছুই না। তারপরও কিছু বলতে পারলেন না। তাকে কিনিকে গিয়ে পয়সা খরচ করে সেগুলো করতেই হলো। যদিও তাতে তার মাত্র কয়েক ডলার খরচ হলো।
রিপোর্ট দেখার পর ড. রহমান বুশকে বললেন
: মিঃ বুশ, আপনার সমস্যাটা আসলে লেফট আর রাইটের!
: লেফট-রাইটের সমস্যা! মানে?
: আসলে আপনার ব্রেইনটা লেফট আর রাইট এ দুভাগে বিভক্ত হয়ে গেছে।
: আরে মিয়া, আপনেতো ডাক্তারের কোন জাতেই পড়েননা। মানুষের ব্রেনতো দুইভাগেই বিভক্ত!
: রাগ করবেন না। মানুষের ব্রেন দু ভাগে বিভক্ত সেটা ঠিক আছে। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়!
: দ্রুত সমস্যাটা বলে ফেলুন। আমি আর ধৈযর্্য ধরতে পারছিনা।
: আপনার ব্রেইনের লেফট (বাম) সাইডে কোন কিছু রাইট (সঠিক) নেই। অন্যদিকে আপনার ব্রেইনের রাইট(ডান) সাইটে কোন কিছু লেফট( অবশিষ্ট) নেই।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



