হ্যালো, হ্যালো ওওও. হ্যালোও.........................
অনেকবার রিং করার পরও শেষবারে যখন ফোন ধরল তাও আবার উত্তর দিলনা। ফোন রেখে দিল।
মেজাজটা খারাপ হবার উপক্রম। আরে বাবা এটা কি ২২০৩৩০ থেকে ফোন গিয়েছে নাকি যে ভয়তে ফোন রিসিভ করা যাবেনা। আর ২০০৩৩০ থেকে ফোন এলেও বা সমস্যা কি? মৃত্যুর ভয়। মৃত্যুকে তো ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এতদিন কত রকমের অপমৃত্যুর কথা শুনে এসেছি এখন এ যুগে আর কত কিছু দেখব ’মোবাইল-এ মৃত্যু” তাও আবার বিশ্বাস করতে হবে। পত্রিকায় লেখালেখি হচ্ছে, পাবলিককে গুলিয়ে খাওয়ানো হচ্ছে। পাবলিক আবার সেগুলো হজম করছে। কেউ কেউ হয়তবা মোবাইল রিসিভ করবে কিনা সে বিষয়ে রীতিমত তাদের মাথা খারাপ হয়ে যাচ্ছে। এসব সবই হচ্ছে বর্তমান সভ্য এবং অত্যাধুনিক টেকনোলোজির যুগে।
আবার কল করলাম ওর কাছে
আমি বুঝতে পারছি কল হচ্ছে কিন্তু ধরছেনা, কেটে গেল
আাবার করলাম
এবার ধরল
কিরে ভয় পাইছিস? ফোন ধরিসনা কেন?
হ্যারে দোস্ত, দারুন ভয় পাইছি। আজকে তো আমার জান যায় যায় অবস্থা
কেন?
আর বলিস না, কাল বন্ধুরা শয়তানী করে চানাচুর মুরির সাথে ”জামাল গোটা” খাওয়াইছে
আজ সকাল থেকে শুরু হইছে, যাই আর আসি
তোর ফোন ধরব কখন, টাইমই তো পাইনি
মনে মনে বলি আমি বলি কি আর ও বুঝে কি?
কিন্তু যখন ভাবি অন্য অনেক কারন থাকা স্বত্বেও কেন আমি মোবাইল-এর সাম্প্রতিক আতংককে প্রাধান্য দিলাম ও ফোন রিসিভ করছেনা দেখে, তাহলে কি আমরাই অদৃশ্য ”জামার গোটা” খাইলাম নাকি? যে বিশ্বাস আর অবিশ্বাসের মাঝে ঝুলছি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


