somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ইরানের মোল্লারাই প্রকৃত সিংহ।

২৪ শে জুন, ২০২৫ বিকাল ৪:০২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


অনেকেই রেগে আগুন হবেন আমার কথায়, তারা আগুন হলে আমার করার কিছু নেই কারণ যেটা বাস্তবত আমি তাই বলছি। এর আগে আমি বলেছিলাম যে, ইসরাইল ইতিমধ্যেই আত্নসমর্পন করেছে! তখন ইসরাইলের মিথ ভেঙ্গে দিয়েছিল ইরান এবার ইরান ভেঙ্গে দিয়েছে ইসরাইলে হাড়গোড় অর্থাৎ অবকাঠামো। নেতানিয়াহু এখন মিউমিউ করছে; ইসরাইলিদের পিতা আমিরিকাকে ডেকেও যখন কোন কূলকিনারা হলোনা তখন মিউমিউ ছাড়া কোন উপায় আছে কী?

আরব ইসরাইলের ৬ দিনের যুদ্ধ অর্থাৎ ১৯৬৭ সালের ৫জুন থেকে ১০জুন পর্যন্ত ইসরায়েল এবং মিশর, জর্ডান ও সিরিয়ার মধ্যে সংঘটিত হয়। তখন মিশর, জর্ডান ও সিরিয়ার রাজাবাদশাদের বিশ্বাসঘাতকতার জন্য ইসরাইল জয়লাভ করে। তখন থেকে ইসরাইল ও পশ্চিমারা প্রচার চালাতে থাকে যে, ইসরাইল অপরাজেয়, ইসরাইল কারো কাছে হারেনা, ইসরাইলের দিকে কেউ চোখতুলে তাকাতেও সাহস পায়না।

তখন ইসরাইলের এই মিথ আরব রাজাবাদশাদের হিজড়ায় পরিনত করে অন্যদিক থেকে পশ্চিমাদের অফুরন্ত সাহায্য সহযোগীতায় ইসরাইলের অভাবনীয় উন্নতি সাধিত হয় অপরদিকে আরব রাজাবাদশারা জ্ঞানচর্চা বাদদিয়ে পশ্চিমাদের পদলেহনে প্রতিযোগিতা শুরু করে। সেই সংগে আরব রাজাবাদশারা তাদের পেট্রোডলারে বিলাসিতায় গা ভাসিয়ে দেয়; পোলাপান পয়দা করতে থাকে ডজনে ডজনে বউ কয়টা তার হিসেব নেই।

অন্যদিকে ইরান ইসলামী অভ্যুত্থানের পর সুদীর্ঘ পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞায় যখন পিঠ দেয়ালে তখন তাদের খুলে যায় অপার সম্ভাবনার দুয়ার তারা বুঝতে পারে যে নিজের পায়ে নিজেই দাড়াতে হবে। শুরু হয় তাদের জ্ঞান চর্চার বিপ্লব যা ইরানকে করেছে মহান এক অপরাজেয় জাতিতে; হাজার হাজার বছরে ইরানের হারার কোন ইতিহাস নেই। সুতরাং ইরানের মোল্লারাই প্রকৃত সিংহ।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে জুন, ২০২৫ বিকাল ৪:০২
১৮টি মন্তব্য ১৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অপারেশন মরুঝড়: রেড নোটিশের খোঁজে আরিয়ান

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৫ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:১৬



দুবাইয়ের জুমেইরাহ বিচের বিলাসবহুল পেন্টহাউসের কাঁচের জানালা দিয়ে বাইরের কৃত্রিম দ্বীপগুলোর দিকে তাকিয়ে ছিলেন সায়েম চৌধুরী। একসময় ঢাকার পুলিশ কমিশনার এবং পরবর্তীতে পুলিশের বিশেষ বাহিনীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্বর্গময়

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ১৫ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৫৩


ওরা জান্নাত দেখে না
পুড়তে পুড়েই তো ছাই-
কতখানি জান্নাত দেখো
ঘরের ভিতর আছি কি?
নাকি মাটিতে থাক ঘুম;
যতক্ষুণ আছো নিঃশ্বাস
ততক্ষুণ জান্নাত দেখো
পরিবারে কিংবা চারপাশ!
পরকাল কে দেখে শান্তিময়
এখানে রচনা করো স্বর্গময়;

১৫-৬-২৬ ...বাকিটুকু পড়ুন

জীবনের গল্প- ১০১

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৫ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৫০



১। একজন মা (কোহিনূর) সারারাত ঘরের দরজা খুলে বসে থাকেন।
কারণ কেউ একজন এসে তাকে বস্তা ভরতি টাকা দিয়ে যাবে। গতকাল রাতের কথা। আমার বাসায় ফিরতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৬ জুনের বিশ্বকাপ কড়চা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৬ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:২৩

দারুণ একটা ম্যাচ হয়ে গেলো একটু আগে। মিসর দারুণ খেলেছে আজ। সালাহ নেমে যাওয়ার পরে তাদের খেলার ধার বেশ বেড়ে গিয়েছিলো বলে মনে হলো! কিন্তু, বেলজিয়ামের ফরোয়ার্ডদের পাসিং আর ড্রিবলিং... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমন্ত্রন পত্র থাকলে ভিসার দরকার কী! আপনি জানেন আমি কে?

লিখেছেন মাথা পাগলা, ১৬ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০০



ভারত বাংলাদেশের কোনো একজন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিকে আমন্ত্রণ জানাতে চাইলে সেই আমন্ত্রণপত্র ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ হাইকমিশনে পাঠাবে। সেখান থেকে আমন্ত্রণপত্র যাবে সেই রাজনৈতিক ব্যক্তির ডিপার্টমেন্টে, তারপর তার কাছে। এরপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×