গাজীপুরা ২৭। অ-পিস নামক হাজত খানা থেকে রাতের আধরে বের হবার পর শান্তির নীরে ফিরতে হয় বলে একটা বাঁশের

সরি বাসের জন্য যুদ্ধ করতে যেতে হয়। সারা দিনের ক্লান্তি বিষণ্ণতা রাগ দুঃখ কষ্ট নিয়ে হাজারো মানুষের যুদ্ধে শামিল হই আমিও।

বাস আসে যায় সৌভাগ্য যাদের তারা উঠেন আর ঝুলেন

। শুনি কন্ট্রাক্টেরের হেরে গলার আওয়াজ- চাইপা খারান মিয়া। নিজেকে আর সাথের মানুষ গুলোকে গরু ছাগল মনে হয়।

আসলে কন্ট্রাক্টেরের হাতে একটা লাঠি থাকা জরুরী।

আমরা বাসের পিছে দৌড়াবো, ও লাঠি দিয়ে আমাদের পাছায় বারি দিয়ে বলবে- হটহট। হাহাহাহাহা।

আর এক জাদুকারি গাড়ি রিক্সা। রাস্তার ধারে দাঁড়ানটা আমার অপরাধ। আজ এক রিক্সা গাড়ির মালিক বললেন- সরেন গাড়ি ঘুরামু- জিজ্ঞেস করলাম বিনয়ের সাথে কই গাড়ি?

শুনলাম ঝাঁজালো উত্তর- চোখ নাই দেহেন না? এইডা কি? আমি বললাম এইডাও গাড়ি!

একটু পর শুনি এক মধ্য বয়স্ক মহিলা খুব রাগ্রত্ত কণ্ঠে বললেন- ওই বলদের ঘরের বলদ, চোখ নাই? তাকিয়ে দেখলাম ওই রিক্সা ধাক্কা মারসে। রিক্সা ওয়ালার সরি ড্রাইভার এর কাচু মাচু মুখ আর বকা শুনে হাসি আটকাতে খুব বেগ পাতে হইছে।


সব কিছুর পরও আমার কোন রাগ নাই, অক্ষমের আবার রাগ কি?

একটু অভিমান আছে, থাকলেও লাভ কি?