somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

যদি আল্লাহকে ভালবাসতে চাও

২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:৫৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


বাইরে মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টির সাথে শিলাও পড়ছে। বারান্দায় এসে দাঁড়ালাম বৃষ্টি দেখার জন্য। হঠাৎ কোত্থেকে এক বাজরিগার পাখি (বিদেশি তোতা বলতে পারেন) এসে আমার বারান্দা দিয়ে ঢুকে একেবারে কক্ষে প্রবেশ করল। পাখিটি ভিজে জবুথবু। আমি ফ্যানের সুইচ অন করলাম।
- পাখা ছাড়লে কেন? আমার শীত লাগছে।

ওমা, পাখিটি কথা বলে উঠলো। আমি ফ্যান বন্ধ করলাম।

- আমি তোমার জন্য কী করতে পারি?
- কিছুই করতে হবে না। তুমি চুপচাপ আমার সামনে বসে থাকো।  বৃষ্টি বন্ধ হলে আমি চলে যাব।
- তোমার নাম কী?
- জানিনা।
- তুমি রেগে আছো কেন?
- জানিনা।

আরে মুসিবত। আমি চুপচাপ বসে থাকলাম। কিছুক্ষণ পর পাখিটি আবার মুখ খুলল।

- আমার একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে?
- বলো।
- কুরআনে মহান আল্লাহ যে বললেন, 'যদি তোমরা আল্লাহকে ভালবাসতে চাও...' (৩:৩১), এখানে তিনি "যদি" শব্দটি কেন প্রয়োগ করলেন? যদি মানেই তো হল সেটা হতেও পারে আবার নাও হতেও পারে। তার মানে সবাই কি আল্লাহকে ভালোবাসবে না?
- নাহ, বাসবে না।
- কেন বাসবে না? সবাই তো তাঁরই সৃষ্টি।
- দেখো প্রেম-ভালোবাসা ব্যাপারটি অনেক জটিল ও ভয়ঙ্কর। আমি নিজেও এ নিয়ে বিপদে আছি। আমি এ ব্যাপারে মুখ খুলতে পারবো না।
- কেন পারবে না, তোমাকে মুখ খুলতে হবে। আমি খুব কষ্ট পাচ্ছি।
- কেন কষ্ট পাচ্ছো?
- আমি একজনকে প্রচন্ড ভালোবাসি।
- কাকে?
- কাকে ভালোবাসি সেটা বড় কথা নয়, বড় কথা হলো সে আল্লাহরই সৃষ্টি। আমি তাকে কতভাবে বুঝিয়েছি যে আমি তাকে ভালোবাসি কিন্তু সে নির্বিকার। আর এই জন্যই আমি কষ্ট পাচ্ছি। আল্লাহর একটা সৃষ্টির ভালোবাসা আমি সহ্য করতে পারছি না সেখানে আল্লাহর ভালোবাসা আমি কীভাবে সহ্য করব?
- তুমি কি কখনো আল্লাহকে ভালবাসতে চেষ্টা করেছো?
- অনেক চেষ্টা করেছি কিন্তু কোন প্রতিউত্তর না পাওয়াতে আমি তাঁর সৃষ্টির প্রেমে মজে যাই।
- তারপর?
- অদ্ভুত ব্যাপার কি জানো? ঐ সৃষ্টির প্রেমটাই আমাকে বারবার আল্লাহ প্রেমের কথা মনে করিয়ে দেয়।
- তুমি তাকে ভালোবাসো কিন্তু সে নির্বিকার, ব্যাপারটা কেমন হয়ে গেল না? একতরফা ভালোবাসা কি হয়?
- হয়। এই যে আমি, আজ কত বছর তাকে ভালোবেসেই যাচ্ছি।
- খোঁজ নিয়ে দেখো, সে হয়তো অন্য কাউকে ভালোবাসে।
- মোটেই না। আমি সব খোঁজ নিয়েছি। সে শুধু আমার দিকে তাকিয়ে থাকে কিন্তু কোন কথা বলে না।
- তাহলে অপেক্ষা কর। একদিন হয়তো বলবে।
- ওফ! আর কতদিন অপেক্ষা করবো? অপেক্ষা করতে করতে তো মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে এসে উপস্থিত হয়েছি।
- সেও তো অপেক্ষা করছে তোমার জন্য।
- তুমি কীভাবে বুঝলে?
- এই যে সে তোমার দিকে তাকিয়ে থাকে। সে আসলে তোমার সৌন্দর্যে বিহ্বল হয়ে আছে। বিহ্বলতা কাটা পর্যন্ত তোমাকে অপেক্ষা করতে হবে।
- বাহ্যিক সৌন্দর্যের কোন গুরুত্ব আমার কাছে নেই। আমি তার ভেতরটাকে প্রাধান্য দিয়েছি। সেখানে আমি রহস্য পেয়েছি। আর আমার মধ্যে তো কিছুই নেই। না বাইরে না ভেতরে। কিসে তাকে বিহ্বল করল?
- এটা তাকে জিজ্ঞেস করো। আমি আর কিছু বলতে পারব না।
- কিভাবে জিজ্ঞেস করবো সে তো কথাই বলে না।
- কথা বলবে। একটা কাজ করতে পারবে?
- কী কাজ?
- তাকে উপেক্ষা করা। পারবে?

পাখিটি কিছুক্ষণের জন্য নীরব হয়ে গেল।

- নাহ, আমি তাকে উপেক্ষা করতে পারবো না। কারণ তার প্রেমটাই আমাকে আল্লাহ প্রেমের কথা মনে করিয়ে দেয়।
- তাহলে আমার আর বলার কিছু নেই।
- তুমি এখনো আমার প্রশ্নের উত্তর দাওনি। কেন সবাই আল্লাহকে ভালবাসবে না?
- দেখো, পৃথিবীতে অনেক প্রকারের মায়াজাল বিছানো আছে। আমরা সবাই কোন না কোন ভাবে এক একটি মায়াজালে বন্দি। যাঁরা এ মায়াজালের কঠিন বন্ধন থেকে নিজেকে মুক্ত করতে পেরেছে একমাত্র তাঁরাই আল্লাহকে ভালোবাসেন এবং আল্লাহও তাঁদেরকে ভালোবাসেন।
- মায়াজাল কে বিছিয়েছে?
- এটা জানা জরুরী নয়। তোমাকে কেন সৃষ্টি করা হয়েছে এটা জানতে পেরেছো?
- না। আচ্ছা কেন সৃষ্টি করা হয়েছে?
- সেজন্যই বলা হয়, আগে নিজেকে জানো নিজেকে চেনো।
- কীভাবে জানবো কিংবা চিনবো?
- নিজের ভেতর থেকে নিজেকে ছাড়া বাকি সবাইকে বের করে দিতে হবে।
- এটা কীভাবে সম্ভব? আমি তো আমি নেই, আমি তাকে কীভাবে আলাদা করবো?
- বাইরে মনে হয় বৃষ্টি বন্ধ হয়েছে। তুমি এখন যেতে পারো।
- তুমি কি আমাকে তাড়িয়ে দিচ্ছো?

আমি অনেকটা জোর করেই পাখিটিকে তাড়িয়ে দিলাম। তারপর ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করে প্রচণ্ড আওয়াজ করে কাঁদতে লাগলাম যদি একটু হালকা হতে পারি।বাইরে মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টির সাথে শিলাও পড়ছে। বারান্দায় এসে দাঁড়ালাম বৃষ্টি দেখার জন্য। হঠাৎ কোত্থেকে এক বাজরিগার পাখি (বিদেশি তোতা বলতে পারেন) এসে আমার বারান্দা দিয়ে ঢুকে একেবারে কক্ষে প্রবেশ করল। পাখিটি ভিজে জবুথবু। আমি ফ্যানের সুইচ অন করলাম।
- পাখা ছাড়লে কেন? আমার শীত লাগছে।

ওমা, পাখিটি কথা বলে উঠলো। আমি ফ্যান বন্ধ করলাম।

- আমি তোমার জন্য কী করতে পারি?
- কিছুই করতে হবে না। তুমি চুপচাপ আমার সামনে বসে থাকো।  বৃষ্টি বন্ধ হলে আমি চলে যাব।
- তোমার নাম কী?
- জানিনা।
- তুমি রেগে আছো কেন?
- জানিনা।

আরে মুসিবত। আমি চুপচাপ বসে থাকলাম। কিছুক্ষণ পর পাখিটি আবার মুখ খুলল।

- আমার একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে?
- বলো।
- কুরআনে মহান আল্লাহ যে বললেন, 'যদি তোমরা আল্লাহকে ভালবাসতে চাও...' (৩:৩১), এখানে তিনি "যদি" শব্দটি কেন প্রয়োগ করলেন? যদি মানেই তো হল সেটা হতেও পারে আবার নাও হতেও পারে। তার মানে সবাই কি আল্লাহকে ভালোবাসবে না?
- নাহ, বাসবে না।
- কেন বাসবে না? সবাই তো তাঁরই সৃষ্টি।
- দেখো প্রেম-ভালোবাসা ব্যাপারটি অনেক জটিল ও ভয়ঙ্কর। আমি নিজেও এ নিয়ে বিপদে আছি। আমি এ ব্যাপারে মুখ খুলতে পারবো না।
- কেন পারবে না, তোমাকে মুখ খুলতে হবে। আমি খুব কষ্ট পাচ্ছি।
- কেন কষ্ট পাচ্ছো?
- আমি একজনকে প্রচন্ড ভালোবাসি।
- কাকে?
- কাকে ভালোবাসি সেটা বড় কথা নয়, বড় কথা হলো সে আল্লাহরই সৃষ্টি। আমি তাকে কতভাবে বুঝিয়েছি যে আমি তাকে ভালোবাসি কিন্তু সে নির্বিকার। আর এই জন্যই আমি কষ্ট পাচ্ছি। আল্লাহর একটা সৃষ্টির ভালোবাসা আমি সহ্য করতে পারছি না সেখানে আল্লাহর ভালোবাসা আমি কীভাবে সহ্য করব?
- তুমি কি কখনো আল্লাহকে ভালবাসতে চেষ্টা করেছো?
- অনেক চেষ্টা করেছি কিন্তু কোন প্রতিউত্তর না পাওয়াতে আমি তাঁর সৃষ্টির প্রেমে মজে যাই।
- তারপর?
- অদ্ভুত ব্যাপার কি জানো? ঐ সৃষ্টির প্রেমটাই আমাকে বারবার আল্লাহ প্রেমের কথা মনে করিয়ে দেয়।
- তুমি তাকে ভালোবাসো কিন্তু সে নির্বিকার, ব্যাপারটা কেমন হয়ে গেল না? একতরফা ভালোবাসা কি হয়?
- হয়। এই যে আমি, আজ কত বছর তাকে ভালোবেসেই যাচ্ছি।
- খোঁজ নিয়ে দেখো, সে হয়তো অন্য কাউকে ভালোবাসে।
- মোটেই না। আমি সব খোঁজ নিয়েছি। সে শুধু আমার দিকে তাকিয়ে থাকে কিন্তু কোন কথা বলে না।
- তাহলে অপেক্ষা কর। একদিন হয়তো বলবে।
- ওফ! আর কতদিন অপেক্ষা করবো? অপেক্ষা করতে করতে তো মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে এসে উপস্থিত হয়েছি।
- সেও তো অপেক্ষা করছে তোমার জন্য।
- তুমি কীভাবে বুঝলে?
- এই যে সে তোমার দিকে তাকিয়ে থাকে। সে আসলে তোমার সৌন্দর্যে বিহ্বল হয়ে আছে। বিহ্বলতা কাটা পর্যন্ত তোমাকে অপেক্ষা করতে হবে।
- বাহ্যিক সৌন্দর্যের কোন গুরুত্ব আমার কাছে নেই। আমি তার ভেতরটাকে প্রাধান্য দিয়েছি। সেখানে আমি রহস্য পেয়েছি। আর আমার মধ্যে তো কিছুই নেই। না বাইরে না ভেতরে। কিসে তাকে বিহ্বল করল?
- এটা তাকে জিজ্ঞেস করো। আমি আর কিছু বলতে পারব না।
- কিভাবে জিজ্ঞেস করবো সে তো কথাই বলে না।
- কথা বলবে। একটা কাজ করতে পারবে?
- কী কাজ?
- তাকে উপেক্ষা করা। পারবে?

পাখিটি কিছুক্ষণের জন্য নীরব হয়ে গেল।

- নাহ, আমি তাকে উপেক্ষা করতে পারবো না। কারণ তার প্রেমটাই আমাকে আল্লাহ প্রেমের কথা মনে করিয়ে দেয়।
- তাহলে আমার আর বলার কিছু নেই।
- তুমি এখনো আমার প্রশ্নের উত্তর দাওনি। কেন সবাই আল্লাহকে ভালবাসবে না?
- দেখো, পৃথিবীতে অনেক প্রকারের মায়াজাল বিছানো আছে। আমরা সবাই কোন না কোন ভাবে এক একটি মায়াজালে বন্দি। যাঁরা এ মায়াজালের কঠিন বন্ধন থেকে নিজেকে মুক্ত করতে পেরেছে একমাত্র তাঁরাই আল্লাহকে ভালোবাসেন এবং আল্লাহও তাঁদেরকে ভালোবাসেন।
- মায়াজাল কে বিছিয়েছে?
- এটা জানা জরুরী নয়। তোমাকে কেন সৃষ্টি করা হয়েছে এটা জানতে পেরেছো?
- না। আচ্ছা কেন সৃষ্টি করা হয়েছে?
- সেজন্যই বলা হয়, আগে নিজেকে জানো নিজেকে চেনো।
- কীভাবে জানবো কিংবা চিনবো?
- নিজের ভেতর থেকে নিজেকে ছাড়া বাকি সবাইকে বের করে দিতে হবে।
- এটা কীভাবে সম্ভব? আমি তো আমি নেই, আমি তাকে কীভাবে আলাদা করবো?
- বাইরে মনে হয় বৃষ্টি বন্ধ হয়েছে। তুমি এখন যেতে পারো।
- তুমি কি আমাকে তাড়িয়ে দিচ্ছো?

আমি অনেকটা জোর করেই পাখিটিকে তাড়িয়ে দিলাম। তারপর ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করে প্রচণ্ড আওয়াজ করে কাঁদতে লাগলাম যদি একটু হালকা হতে পারি।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:৪১
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

জিন্নাহ পর্ব-২

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:২৯



এবার জিন্নাহর পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা সম্পর্কিত বিতর্কিত বক্তব্যে আসা যাক। জিন্নাহ জন্মসূত্রে গুজরাটি ছিলেন এবং কেবল ইংরেজি ও গুজরাটি ভাষা জানতেন। তিনি উর্দু বলতে পারতেন না। সেক্যুলারিস্ট জিন্নাহ যেহেতু ব্যক্তিজীবনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

যাকে শত্রু ভাবছেন, সে হয়তো আপনার জীবনের একজন পথপ্রদর্শক

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭

গানঃ সামু একটি ছোট নৌকা
https://suno.com/s/ckWb25lfp1xBLIzc
==============



একটা পুরনো গল্প বলি। একটি বনে কিছু বাঁদর আর বেবুন বাস করতো। সেই বনের পাশেই একটি ভুট্টার ক্ষেত ছিলো। বাঁদর আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলা ভাষা সংস্কৃত ভাষার উপভাষা নয়

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৩


বাংলা ভাষা একটি স্বতন্ত্র ভাষা। বাংলা ভাষা সংস্কৃত ভাষা থেকে আসে নাই, এটা মেনে নিতে হবে। কারণ, ইতিহাসে আছে, ভারতবর্ষে আর্যদের আসার আগেও 'বঙ্গ' নামের একটি অত্যন্ত সমৃদ্ধ একটি ভূমি'র... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইসলামের জ্ঞানদীপ : যুক্তির আরব্য-ফারসী নবযাত্রা প্রজ্ঞার জয়ধ্বনি বিজ্ঞান ও যুক্তির মহাকাব্য -৩য় পর্ব

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:১৭

জাতীয় জন্মসনদে ভুলের ভূত আর সাভারের জালিয়াতি চক্র: সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কি কোনোদিন থামবে না?

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:০০



আজ ৬ অক্টোবর, জাতীয় জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য ঠিক করা হয়েছে—‘নির্ভুল নিবন্ধন, নিশ্চিত হবে সুশাসন’। অথচ বাস্তবতা যেন এই স্লোগানের একদম উল্টো! সরকারি নথিতে যখন সাধারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×