প্রায় জোর করেই প্রিয়ন্তিকে পড়ানোর দায়িত্ব নিয়েছে রুপম। খালার বাসায় আসার পরেই চোখ পরে পাশের ফ্লাটের প্রিয়ন্তির দিকে। রেজাল্ট মোটের উপর ভালো, সাথে গনিত ভালো পারায় প্রিয়ন্তির মা খুব একটা আপত্তি করেনি। অসম্ভব সুন্দরীদের পড়াতে গেলে যা হয় আর কি, রুপম পড়ায় প্রিয়ন্তির মা পাশে বসে থাকে।
নাহ হুদাই পড়াচ্ছি, ধুর।
একদিন রুপম খেয়াল করলো নতুন কেনা গ্যাভাইডিং প্যান্ট টা পরে পড়াতে গেলে প্রিয়ন্তি কেমন চপলা হরিণীর মত তাকিয়ে থাকে। আতিফ আসলামের বে ইমতেহান... গান প্রিয়ন্তির প্রিয় এটা জানার পর থেকেই রুপমের অদ্ভুত কালারের এই প্যান্ট পরা।
এই প্যান্ট প্রথম পরে সেদিন গ্যারাকলে পরে পড়াতে যাওয়ার আগে এক ম্যাচ ক্রিকেট খেলতে হয়েছিলো রুপম কে। আজ প্রিয়ন্তির চোখে মুখে হরিণী ভাবটা প্রবল ভাবে ফুটে উঠছে। কেমন মুখ লুকিয়ে হাসছেও। আহহাআআআআ! সুন্দরী এবার তুমি প্রেমে না পরে যাবে কই?
পড়িয়ে ফেরার সময় প্রিয়ন্তির আম্মু ডেকে ভেতরের ঘরে নিয়ে গেলেন।
'ইয়ে বাবা কিছু মনে করো না, গলির ডানপাশে একটা সেলাইয়ের দোকান আছে। এই বিশ টাকা রাখো। তোমার প্যান্টের চিপায় একটু শেলাই করতে হবে। আর এই একশো টাকায় একটা আণ্ডার অয়্যার কিন্দে। ঢাকা কলেজের সামনে ভালো সুতির আণ্ডার অয়্যার পাওয়া যায়...।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


