জীবনটা এগিয়ে চলছে সামনের দিকে । ক্রমান্বয়ে জটিল এই সংসারে হাজারো সমস্যার বেড়াজালে জীবন আবদ্্ব হয়ে গেছে । হাটি হাটি পা পা করে বয়েসটা পার হয়ে যাবারও মহড়া চলছে । বিচিত্র অভিতা এখন মনের পরিধি বাড়ায় ।
এসবের মাঝেও যখন অতীতের দিকে তাকাই তখন সবচেয়ে বেশি আনন্দের উৎস হয়ে উঠে তাঁর-আমার
মধুময় স্মৃতি । তাঁর সাথে মান-অভিমান, ঝগড়া-বিবাদ, ভালোবাসা সব কিছুই স্মৃতি হয়ে অন্তরে বাসা বেধে আছে । তখনকার জীবনে দুঃখ বা অভাব অনটনের স্পর্শ ছিলনা । সবার সুখের সাথে
নিজেদের সুখও ভাগ করে নিয়ে ছিলাম ।
জীবনের এক প্রান্থে দাড়িয়ে আজ মনে হচ্ছে কি যেন হারিয়ে যাচ্ছে । প্রবাসে জীবন খুজতে এসে জীবনটাই হারিয়ে ফেলার ফাদে পড়েছি ।
কয়েকদিন আগে প্রকৃতির রং ছড়িয়ে দিয়ে গেল বসন্তকাল । পুষ্পগন্ধ মাধকতায়, মলয়ে শিহরন দোলায় দুনিয়াকে করে গেল মাতোয়ারা । প্রকৃতির এ এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন । কিন্ত কেন এত সমারোহ যেন বাসর আয়োজন ?
চিরকাল এসময় ফুল ফুটে , কুকিল ডাকে , প্রানে সাড়া জাগে এই অপুর্ব পুলকে । সাহারা মরূভুমির তপ্ত বালু রাশি আমাকে পোড়াচ্ছেই শুধূ - তীর্থের কাকের ন্যায় প্রহর গূনছি
মেঘদৈত্য এসে প্রবল আলোরনে সিক্ত করবে কবে ?
এখন থাক আর না । নতুবা যদি কোন ভাবে বনফুল আমার এই লেখাটি দেখে পেলে তাহলে রক্ষে নেই । কম হলেও বনফুলের বিশ পঁচিশটি বকুনি আর মিষ্টিমার্কা মেসেজ দল বেধে আমার মোবাইলে হানা দেবে । বনফুল.....? ভাল থেকো , সোনামনিকে আদর দিয় ।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



