নরকের অধিপতি চিন্তায় পড়ে গেলেন । নরকবাসীদের ক্রমাগত বিক্ষোভের মুখে তিনি অসহায়ের মত হয়ে পড়লেন । এই সমস্যাটি আগে ছিলনা । সমস্যা দেখা দিল যখন খালেদা-হাসিনা ও তাদের অনুসারী নেতাদেরকে এখানে আনা হল । নরকের অধিবাসী নেতাদের মধ্যে বুশ, ব্লেয়ার, সাদ্দাদ, নমরূদ, ফেরঊন প্রমুখ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানালেন । কিন্ত নরকের দেশের নিয়মটাই যে আলাদা । সেখানে কারো মতামতের দাম নেই । অধিবাসী নেতাদের সব চেয়ে বড় নেতা বুশ এবং ব্লেয়ার লক্ষ লক্ষ পাপীদের নিয়ে সমাবেশ করলেন । সমাবেশে সিদ্ধান্ত হল যে, হাসিনা-খালেদাকে যেন তাদের সাথে না রাখা হয় । কারণ এতে নরকবাসীদের মাঝে দলাদলি দেখা দিতে পারে । এবং তাতে সম্প্রীতি নষ্ট হতে পারে এবং নরকের সাধারণ পরিবেশ অসহনীয় হয়ে উঠবে । তাই তাদেরকে অন্যত্র পাঠিয়ে দেওয়া হউক । দাবি না মানা হলে প্রয়োজনে সারা নরক অচল করে দেয়া হবে বলে হূমকি দেওয়া হয় । নরকের নিরাপত্তাবাহিনীরা বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশ্যে টিয়ার গ্যাস, রাবার বুলেট, লাঠিচার্জ প্রয়োগ করেও আন্দোল ধমিয়ে রাখতে পারলেননা । হাজার হোক তাদের মনে দয়া-মায়া আছে , তাই প্রকাশ্যে গুলি করার নির্দেশ থাকলেও কেউ গুলি করতে পারলেননা । বরং তাদের অনেকেই এই নির্মম পেশা থেকে পদত্যাগ করবেন বলে সিদ্ধান্ত নিলেন । অবশেষে মহান প্রভুর নির্দেশে স্বর্গ ও নরকের বড় বড় ফেরেস্তারা বৈঠকে বসলেন । কয়েকজন ফেরেস্তা বুশ-ব্লেয়ারের অধীনস্থ সেনাবাহিনীদেরকে নরকের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োগ দানের জন্য অভিমত প্রকাশ করলেন । আজরাঈল ফেরেস্তা এক কোনে বসা ছিলেন । তিনি হঠাৎ কয়েকটা বাংলা পত্রিকায় প্রকাশিত কানসাটের কয়েকটি রক্তাক্ত ছবি দেখিয়ে নিজেই কেঁদে ফেললেন । এবং বললেন ''বাংলাদেশের জল্লাদ পুলিশদেরকে এই কাজে নিয়োগ দেয়া যেতে পারে । কারণ তাঁরা যে কতটুকু নির্মম হতে পারে ! তা আমি ভাল জানি । আর নরকে এরকম পুলিশেরই প্রয়োজন । আরেকটি কথা ঃ খালেদা-হসিনার জন্য আরেকটি নরক তৈরী করা যেতে পারে । '' আজরঈলের কথায় সবাই খুশী হয়ে বলে উঠলেন -মারহাবা, মারহাবা ,জয় বাংলা,জয় বাংলাদেশ ।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৪:৩৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



